স্বর্ণমৃগ
Stories
আদ্যানাথ এবং বৈদ্যনাথ চক্রবর্তী দুই শরিক। উভয়ের মধ্যে বৈদ্যনাথের অবস্থাই কিছু খারাপ। বৈদ্যনাথের বাপ মহেশচন্দ্রের বিষয়বুদ্ধি আদৌ ছিল না, তিনি দাদা শিবনাথের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করিয়া থাকিতেন। শিবনাথ ভাইকে প্রচুর স্নেহবাক্য দিয়া তৎপরিবর্তে তাঁহার বিষয়সম্পত্তি সমস্ত আত্মসাৎ করিয়া লন। কেবল খানকতক কোম্পানির কাগজ অবশিষ্ট থাকে। জীবনসমুদ্রে সেই কাগজ-কখানি বৈদ্যনাথের একমাত্র অবলম্বন।
শিবনাথ বহু অনুসন্ধানে তাঁহার পুত্র আদ্যানাথের সহিত এক ধনীর একমাত্র কন্যার বিবাহ দিয়া বিষয়বৃদ্ধির আর-একটি সুযোগ করিয়া রাখিয়াছিলেন। মহেশচন্দ্র একটি সপ্তকন্যাভারগ্রস্ত দরিদ্র ব্রাহ্মণের প্রতি দয়া করিয়া এক পয়সা পণ না লইয়া তাহার জ্যেষ্ঠা কন্যাটির সহিত পুত্রের বিবাহ দেন। সাতটি কন্যাকেই যে ঘরে লন নাই তাহার কারণ, তাঁহার একটিমাত্র পুত্র এবং ব্রাহ্মণও সেরূপ অনুরোধ করে নাই। তবে, তাহাদের বিবাহের উদ্দেশে সাধ্যাতিরিক্ত অর্থসাহায্য করিয়াছিলেন।
আরো দেখুন
129
Verses
IN ITS swelling pride
the bubble doubts the truth of the sea,
and laughs and bursts into emptiness.
আরো দেখুন
বাঁশি
Stories
বাঁশির বাণী চিরদিনের বাণী--শিবের জটা থেকে গঙ্গার ধারা, প্রতি দিনের মাটির বুক বেয়ে চলেছে; অমরাবতীর শিশু নেমে এল মর্ত্যের ধূলি দিয়ে স্বর্গ-স্বর্গ খেলতে।
পথের ধারে দাঁড়িয়ে বাঁশি শুনি আর মন যে কেমন করে বুঝতে পারি নে। সেই ব্যথাকে চেনা সুখদুঃখের সঙ্গে মেলাতে যাই, মেলে না। দেখি, চেনা হাসির চেয়ে সে উজ্জ্বল, চেনা চোখের জলের চেয়ে সে গভীর।
আরো দেখুন
Verses

আমার প্রেম রবি-কিরণ-হেন
জ্যোতির্ময় মুক্তি দিয়ে তোমারে ঘেরে যেন॥  
আরো দেখুন
যাবার মুখে
Verses
যাক এ জীবন,
যাক নিয়ে যাহা টুটে যায়, যাহা
          ছুটে যায়, যাহা
ধুলি হয়ে লোটে ধুলি'-পরে, চোরা
          মৃত্যুই যার অন্তরে, যাহা
                   রেখে যায় শুধু ফাঁক।
যাক এ জীবন পুঞ্জিত তার জঞ্জাল নিয়ে যাক।
          টুকরো যা থাকে ভাঙা পেয়ালার,
          ফুটো সেতারের সুরহারা তার,
                   শিখা-নিবে-যাওয়া বাতি,
          স্বপ্নশেষের ক্লান্তি-বোঝাই রাতি-
                   নিয়ে যাক যত দিনে-দিনে জমা-করা
                             প্রবঞ্চনায়-ভরা
                   নিষ্ফলতার সযত্ন সঞ্চয়।
কুড়ায়ে ঝাঁটায়ে মুছে নিয়ে যাক, নিয়ে যাক শেষ করি
          ভাঁটার স্রোতের শেষ-খেয়া-দেওয়া তরী।
নিঃশেষ যবে হয় যত কিছু ফাঁকি
          তবুও যা রয় বাকি-
                   জগতের সেই
          সকল-কিছুর অবশেষেতেই
          কাটায়েছি কাল যত অকাজের বেলায়।
মন-ভোলাবার অকারণ গানে কাজ ভোলাবার খেলায়।
          সেখানে যাহারা এসেছিল মোর পাশে
          তারা কেহ নয়, তারা কিছু নয় মানুষের ইতিহাসে।
শুধু অসীমের ইশারা তাহারা এনেছে আঁখির কোণে,
          অমরাবতীর নৃত্যনূপুর বাজিয়ে গিয়েছে মনে।
দখিনহাওয়ার পথ দিয়ে তারা উঁকি মেরে গেছে দ্বারে,
কোনো কথা দিয়ে তাদের কথা যে বুঝাতে পারি নি কারে।
          রাজা মহারাজা মিলায় শূন্যে ধুলার নিশান তুলে,
          তারা দেখা দিয়ে চলে যায় যবে ফুটে ওঠে ফুলে ফুলে।
                   থাকে নাই থাকে কিছুতেই নেই ভয়,
          যাওয়ায় আসায় দিয়ে যায় ওরা নিত্যের পরিচয়।
                   অজানা পথের নামহারা ওরা লজ্জা দিয়েছে মোরে
          হাটে বাটে যবে ফিরেছি কেবল নামের বেসাতি করে।
          আমার দুয়ারে আঙিনায় ধারে ওই চামেলির লতা
                   কোনো দুর্দিনে করে নাই কৃপণতা।
          ওই-যে শিমূল, ওই-যে সজিনা, আমারে বেঁধেছে ঋণে-
                   কত-যে আমার পাগলামি-পাওয়া দিনে
কেটে গেছে বেলা শুধু চেয়ে-থাকা মধুর মৈতালিতে,
          নীল আকাশের তলায় ওদের সবুজ বৈতালিতে।
          সকালবেলার প্রথম আলোয় বিকালবেলার ছায়ায়
          দেহপ্রাণমন ভরেছে সে কোন্‌ অনাদি কালের মায়ায়।
                   পেয়েছি ওদের হাতে
          দুরজননের আদিপরিচয় এই ধরণীর সাথে।
অসীম আকাশে যে প্রাণ-কাঁপন অসীম কালের বুকে
          নাচে অবিরাম, তাহারি বারতা শুনেছি ওদের মুখে।
                   যে মন্ত্রখানি পেয়েছি ওদের সুরে
          তাহার অর্থ মৃত্যুর সীমা ছাড়ায়ে গিয়েছে দূরে।
                   সেই সত্যেরই ছবি
          তিমিরপ্রান্তে চিত্তে আমার এনেছে প্রভাতরবি।
          সে রবিরে চেয়ে কবির সে বাণী আসে অন্তরে নামি-
"যে আমি রয়েছে তোমার আমায় সে আমি আমারি আমি'।
          সে আমি সকল কালে,  
          সে আমি সকল খানে,
প্রেমের পরশে সে অসীম আমি বেজে ওঠে মোর গানে।
          যায় যদি তবে যাক
          এল যদি শেষ ডাক-
অসীম জীবনে এ ক্ষীণ জীবন শেষ রেখা এঁকে যাক,
                   মৃত্যুতে ঠেকে যাক।
যাক নিয়ে যাহা টুটে যায়, যাহা
                   ছুটে যায়, যাহা
          ধুলি হয়ে লুটে ধুলি-'পরে, চোরা
                   মৃত্যুই যার অন্তরে, যাহা
                   রেখে যায় শুধু ফাঁক-
                             যাক নিয়ে তাহা, যাক এ জীবন, যাক।
আরো দেখুন
বাচস্পতি
Stories
দাদামশায়, তুমি তোমার চার দিকে যেসব পাগলের দল জমিয়েছিলে, গুণ হিসেব ক'রে তাদের বুঝি সব নম্বর দিয়ে রেখেছিলে?
হ্যাঁ, তা করতে হয়েছে বই-কি। কম তো জমে নি।
আরো দেখুন
The Patriot
Stories
I AM SURE that Chitragupta, who keeps strict record at the gate of Death, must have noted down in big letters accusations against me, which had escaped my attention altogether. On the other hand many of my sins, that have passed unnoticed by others, loom large in my own memory. The story of my transgression, that I am going to relate, belongs to the latter kind, and I hope that a frank confession of it, before it is finally entered in the Book of Doom, may lessen its culpability.
It all happened yesterday afternoon, on a day of festival for the Jains in our neighbourhood. I was going out with my wife, Kalika, to tea at the house of my friend Nayanmohan.
আরো দেখুন
বাণী
Stories
ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি হয়ে আকাশের মেঘ নামে, মাটির কাছে ধরা দেবে ব'লে। তেমনি কোথা থেকে মেয়েরা আসে পৃথিবীতে বাঁধা পড়তে।
তাদের জন্য অল্প জায়গার জগৎ, অল্প মানুষের। ঐটুকুর মধ্যে আপনার সবটাকে ধরানো চাই-- আপনার সব কথা, সব ব্যথা, সব ভাবনা। তাই তাদের মাথায় কাপড়, হাতে কাঁকন, আঙিনায় বেড়া। মেয়েরা হল সীমাস্বর্গের ইন্দ্রাণী।
আরো দেখুন