রাজার বাড়ি
Stories
কুসমি জিগেস করলে, দাদামশায়, ইরুমাসির বোধ হয় খুব বুদ্ধি ছিল।
ছিল বই-কি, তোর চেয়ে বেশি ছিল।
আরো দেখুন
আমার পরান যাহা চায়
Songs
আমার পরান যাহা চায়,
তুমি তাই, তুমি তাই গো।
তোমা ছাড়া আর এ জগতে
মোর, কেহ নাই কিছু নাই গো।
তুমি সুখ যদি নাহি পাও,
যাও, সুখের সন্ধানে যাও,
আমি তোমারে পেয়েছি হৃদয়মাঝে,
আর কিছু নাহি চাই গো।
আমি তোমার বিরহে রহিব বিলীন,
তোমাতে করিব বাস,
দীর্ঘ দিবস, দীর্ঘ রজনী,
দীর্ঘ বরষ মাস।
যদি আর কারে ভালোবাস,
যদি আর ফিরে নাহি আস,
তবে, তুমি যাহা চাও, তাই যেন পাও,
আমি যত দুখ পাই গো।
আরো দেখুন
আরো-সত্য
Stories
দাদামশায়, সেদিন তুমি যে আরও-সত্যির কথা বলছিলে, সে কি কেবল পরীস্থানেই দেখা যায়।
আমি বললুম, তা নয় গো, এ পৃথিবীতেও তার অভাব নেই। তাকিয়ে দেখলেই হয়। তবে কিনা সেই দেখার চাউনি থাকা চাই।
আরো দেখুন
নামের খেলা
Stories
প্রথম বয়সেই সে কবিতা লিখতে শুরু করে।
বহু যত্নে খাতায় সোনালি কালির কিনারা টেনে, তারই গায়ে লতা এঁকে, মাঝখানে লাল কালি দিয়ে কবিতাগুলি লিখে রাখত। আর, খুব সমারোহে মলাটের উপর লিখত, শ্রীকেদারনাথ ঘোষ।
আরো দেখুন
প্রথম চিঠি
Stories
বধূর সঙ্গে তার প্রথম মিলন, আর তার পরেই সে এই প্রথম এসেছে প্রবাসে।
চলে যখন আসে তখন বধূর লুকিয়ে কান্নাটি ঘরের আয়নার মধ্যে দিয়ে চকিতে ওর চোখে পড়ল।
আরো দেখুন
আমরা তারেই জানি
Songs
আমরা    তারেই জানি তারেই জানি সাথের সাথী,
          তারেই করি টানাটানি দিবারাতি ॥
                   সঙ্গে তারি চরাই ধেনু,
                             বাজাই বেণু,
          তারি লাগি বটের ছায়ায় আসন পাতি ॥
                   তারে হালের মাঝি করি
                             চালাই তরী,
          ঝড়ের বেলায় ঢেউয়ের খেলায় মাতামাতি।
                   সারা দিনের কাজ ফুরালে
                             সন্ধ্যাকালে
          তাহারি পথ চেয়ে ঘরে জ্বালাই বাতি ॥
আরো দেখুন
রঙ্গ
Verses
        "এ তো বড়ো রঙ্গ' ছড়াটির অনুকরণে লিখিত
এ তো বড়ো রঙ্গ, জাদু, এ তো বড়ো রঙ্গ--
চার মিঠে দেখাতে পার যাব তোমার সঙ্গ।
         বরফি মিঠে, জিলাবি মিঠে, মিঠে শোন-পাপড়ি--
         তাহার অধিক মিঠে, কন্যা, কোমল হাতের চাপড়ি।
এ তো বড়ো রঙ্গ, জাদু, এ তো বড়ো রঙ্গ--
চার সাদা দেখাতে পার যাব তোমার সঙ্গ।
         ক্ষীর সাদা, নবনী সাদা, সাদা মালাই রাবড়ি--
         তাহার অধিক সাদা তোমার পষ্ট ভাষার দাবড়ি।
এ তো বড়ো রঙ্গ, জাদু, এ তো বড়ো রঙ্গ--
চার তিতো দেখাতে পার যাব তোমার সঙ্গ।
         উচ্ছে তিতো, পলতা তিতো, তিতো নিমের সুক্ত--
         তাহার অধিক তিতো যাহা বিনি ভাষায় উক্ত।
এ তো বড়ো রঙ্গ, জাদু, এ তো বড়ো রঙ্গ--
চার কঠিন দেখাতে পার যাব তোমার সঙ্গ।
         লোহা কঠিন, বজ্র কঠিন, নাগরা জুতোর তলা--
         তাহার অধিক কঠিন তোমার বাপের বাড়ি চলা।
এ তো বড়ো রঙ্গ, জাদু, এ তো বড়ো রঙ্গ--
চার মিথ্যে দেখাতে পার যাব তোমার সঙ্গ।
         মিথ্যে ভেলকি, ভূতের হাঁচি, মিথ্যে কাঁচের পান্না--
         তাহার অধিক মিথ্যে তোমার নাকি সুরের কান্না।
আরো দেখুন
বাচস্পতি
Stories
দাদামশায়, তুমি তোমার চার দিকে যেসব পাগলের দল জমিয়েছিলে, গুণ হিসেব ক'রে তাদের বুঝি সব নম্বর দিয়ে রেখেছিলে?
হ্যাঁ, তা করতে হয়েছে বই-কি। কম তো জমে নি।
আরো দেখুন
গিন্নি
Stories
ছাত্রবৃত্তি ক্লাসের দুই-তিন শ্রেণী নীচে আমাদের পণ্ডিত ছিলেন শিবনাথ। তাঁহার গোঁফদাড়ি কামানো, চুল ছাঁটা এবং টিকিটি হ্রস্ব। তাঁহাকে দেখিলেই বালকদের অন্তরাত্মা শুকাইয়া যাইত।
প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়, যাহাদের হুল আছে তাহাদের দাঁত নাই। আমাদের পণ্ডিতমহাশয়ের দুই একত্রে ছিল। এ দিকে কিল চড় চাপড় চারাগাছের বাগানের উপর শিলাবৃষ্টির মতো অজস্র বর্ষিত হইত, ও দিকে তীব্র বাক্যজ্বালায় প্রাণ বাহির হইয়া যাইত।
আরো দেখুন