সওগাত
Stories
পুজোর পরব কাছে। ভাণ্ডার নানা সামগ্রীতে ভরা। কত বেনারসি কাপড়, কত সোনার অলংকার; আর ভাণ্ড ভ'রে ক্ষীর দই, পাত্র ভ'রে মিষ্টান্ন।
মা সওগাত পাঠাচ্ছেন।
আরো দেখুন
ম্যাজিশিয়ান
Stories
কুসমি বললে, আচ্ছা দাদামশায়, শুনেছি এক সময়ে তুমি বড়ো বড়ো কথা নিয়ে খুব বড়ো বড়ো বই লিখেছিলে।
জীবনে অনেক দুষ্কর্ম করেছি, তা কবুল করতে হবে। ভারতচন্দ্র বলেছেন, সে কহে বিস্তর মিছা যে কহে বিস্তর।
আরো দেখুন
অতিথি
Stories
কাঁঠালিয়ার জমিদার মতিলালবাবু নৌকা করিয়া সপরিবারে স্বদেশে যাইতেছিলেন। পথের মধ্যে মধ্যাহ্নে নদীতীরের এক গঞ্জের নিকট নৌকা বাঁধিয়া পাকের আয়োজন করিতেছেন এমন সময় এক ব্রাহ্মণবালক আসিয়া জিজ্ঞাসা করিল, 'বাবু, তোমরা যাচ্ছ কোথায়?'
প্রশ্নকর্তার বয়স পনেরো-ষোলোর অধিক হইবে না।
আরো দেখুন
পুরোনো বাড়ি
Stories
অনেক কালের ধনী গরিব হয়ে গেছে, তাদেরই ঐ বাড়ি।
দিনে দিনে ওর উপরে দুঃসময়ের আঁচড় পড়ছে।
আরো দেখুন
দিদি
Stories
পল্লীবাসিনী কোনো-এক হতভাগিনীর অন্যায়কারী অত্যাচারী স্বামীর দুষ্কৃতিসকল সবিস্তারে বর্ণনপূর্বক প্রতিবেশিনী তারা অত্যন্ত সংক্ষেপে নিজের রায় প্রকাশ করিয়া কহিল, 'এমন স্বামীর মুখে আগুন।'
শুনিয়া জয়গোপালবাবুর স্ত্রী শশী অত্যন্ত পীড়া অনুভব করিলেন-- স্বামীজাতির মুখে চুরটের আগুন ছাড়া অন্য কোনো প্রকার আগুন কোনো অবস্থাতেই কামনা করা স্ত্রীজাতিকে শোভা পায় না।
আরো দেখুন
কাবুলিওয়ালা
Stories
আমার পাঁচ বছর বয়সের ছোটো মেয়ে মিনি এক দণ্ড কথা না কহিয়া থাকিতে পারে না। পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করিয়া ভাষা শিক্ষা করিতে সে কেবল একটি বৎসর কাল ব্যয় করিয়াছিল, তাহার পর হইতে যতক্ষণ সে জাগিয়া থাকে এক মুহূর্ত মৌনভাবে নষ্ট করে না। তাহার মা অনেকসময় ধমক দিয়া তাহার মুখ বন্ধ করিয়া দেয়, কিন্তু আমি তাহা পারি না। মিনি চুপ করিয়া থাকিলে এমনি অস্বাভাবিক দেখিতে হয় যে, সে আমার বেশিক্ষণ সহ্য হয় না। এইজন্য আমার সঙ্গে তাহার কথোপকথনটা কিছু উৎসাহের সহিত চলে।
সকালবেলায় আমার নভেলের সপ্তদশ পরিচ্ছেদে হাত দিয়াছি এমনসময় মিনি আসিয়াই আরম্ভ করিয়া দিল, 'বাবা, রামদয়াল দরোয়ান কাককে কৌয়া বলছিল, সে কিচ্ছু জানে না। না?'
আরো দেখুন
এই তো ভরা হল ফুলে ফুলে
Songs
           এই তো ভরা হল ফুলে ফুলে   ফুলের ডালা।
                ভরা হল– কে নিবি কে নিবি গো, গাঁথিবি বরণমালা।
           চম্পা চামেলি সেঁউতি বেলি
                 দেখে যা সাজি আজি রেখেছি মেলি–
                       নবমালতীগন্ধ-ঢালা।।
                বনের মাধুরী হরণ করো   তরুণ আপন দেহে।
       নববধূ, মিলনশুভলগন-রাত্রে    লও গো বাসরগেহে–
                 উপবনের সৌরভভাষা,
                         রসতৃষিত মধুপের আশা।
                   রাত্রিজাগর রজনীগন্ধা–
            করবী রূপসীর অলকানন্দা–
       গোলাপে গোলাপে মিলিয়া মিলিয়া    রচিবে মিলনের পালা।।
আরো দেখুন
স্বর্গ-মর্ত
Stories
গান
মাটির প্রদীপখানি আছে
আরো দেখুন
পরীর পরিচয়
Stories
রাজপুত্রের বয়স কুড়ি পার হয়ে যায়, দেশবিদেশ থেকে বিবাহের সম্বন্ধ আসে।
ঘটক বললে, 'বাহ্লীকরাজের মেয়ে রূপসী বটে, যেন সাদা গোলাপের পুষ্পবৃষ্টি।'
আরো দেখুন
দুঃখমূর্তি
Verses
দুখের বেশে এসেছ বলে
           তোমারে নাহি ডরিব হে।
    যেখানে ব্যথা তোমারে সেথা
           নিবিড় ক'রে ধরিব হে।
               আঁধারে মুখ ঢাকিলে স্বামী,
               তোমারে তবু চিনিব আমি;
               মরণরূপে আসিলে প্রভু,
                    চরণ ধরি মরিব হে--
               যেমন করে দাও-না দেখা
                    তোমারে নাহি ডরিব হে।
    নয়নে আজি ঝরিছে জল,
           ঝরুক জল নয়নে হে।
    বাজিছে বুকে, বাজুক তব
           কঠিন বাহুবাঁধনে হে।
               তুমি যে আছ বক্ষে ধরে
               বেদনা তাহা জানাক মোরে,
               চাব না কিছু, কব না কথা,
                    চাহিয়া রব বদনে হে।
               নয়নে আজি ঝরিছে জল,
                    ঝরুক জল নয়নে হে।
আরো দেখুন
অস্পষ্ট
Stories
জানলার ফাঁকে ফাঁকে দেখা যায় সামনের বাড়ির জীবনযাত্রা। রেখা আর ছেদ, দেখা আর না-দেখা দিয়ে সেই ছবি আঁকা।
একদিন পড়ার বই পড়ে রইল, বনমালীর চোখ গেল সেই দিকে।
আরো দেখুন
জাগিতে হবে রে
Songs
                   জাগিতে হবে রে--
          মোহনিদ্রা কভু না রবে চিরদিন,
ত্যজিতে হইবে সুখশয়ন অশনিঘোষণে ॥
          জাগে তাঁর ন্যায়দণ্ড সর্বভুবনে,
          ফিরে তাঁর কালচক্র অসীম গগনে,
          জ্বলে তাঁর রুদ্রনেত্র পাপতিমিরে ॥
আরো দেখুন