ভুল স্বর্গ
Stories
লোকটি নেহাত বেকার ছিল।
তার কোনো কাজ ছিল না, কেবল শখ ছিল নানা রকমের।
আরো দেখুন
70
Verses
WHERE is the fountain that throws up these flowers in a ceaseless outbreak of ecstasy?
আরো দেখুন
13
Verses
         পউষের পাতা-ঝরা তপোবনে
              আজি কী কারণে
     টলিয়া পড়িল আসি বসন্তের মাতাল বাতাস;
              নাই লজ্জা, নাই ত্রাস,
              আকাশে ছড়ায় উচ্চহাস
              চঞ্চলিয়া শীতের প্রহর
                      শিশির-মন্থর।
                       বহুদিনকার
              ভুলে-যাওয়া যৌবন আমার
                            সহসা কী মনে ক'রে
              পত্র তার পাঠায়েছে মোরে
                            উচ্ছৃঙ্খল বসন্তের হাতে
              অকস্মাৎ সংগীতের ইঙ্গিতের সাথে।
                            লিখেছে সে--
              আছি আমি অনন্তের দেশে
                            যৌবন তোমার
                            চিরদিনকার।
                      গলে মোর মন্দারের মালা,
          পীত মোর উত্তরীয় দূর বনান্তের গন্ধ-ঢালা।
                            বিরহী তোমার লাগি
                                    আছি জাগি
                            দক্ষিণ-বাতাসে
                       ফাল্গুনের নিশ্বাসে নিশ্বাসে।
     আছি জাগি চক্ষে চক্ষে হাসিতে হাসিতে
              কত মধু মধ্যাহ্নের বাঁশিতে বাঁশিতে।
                            লিখেছে সে--
              এসো এসো চলে এসো বয়সের জীর্ণ পথশেষে,
                            মরণের সিংহদ্বার
                                    হয়ে এসো পার;
              ফেলে এসো ক্লান্ত পুষ্পহার।
          ঝরে পড়ে ফোটা ফুল, খসে পড়ে জীর্ণ পত্রভার,
                            স্বপ্ন যায় টুটে,
              ছিন্ন আশা ধূলিতলে পড়ে লুটে।
                       শুধু আমি যৌবন তোমার
                            চিরদিনকার,
     ফিরে ফিরে মোর সাথে দেখা তব হবে বারম্বার
              জীবনের এপার ওপার।
আরো দেখুন
যা হবার তা হবে
Songs
                   যা হবার তা হবে।
          যে আমারে কাঁদায় সে কি অমনি ছেড়ে রবে?।
পথ হতে যে ভুলিয়ে আনে     পথ যে কোথায় সেই তা জানে,
          ঘর যে ছাড়ায় হাত সে বাড়ায়-- সেই তো ঘরে লবে ॥
আরো দেখুন
ত্যাগ
Stories
ফাল্গুনের প্রথম পূর্ণিমায় আম্রমুকুলের গন্ধ লইয়া নব বসন্তের বাতাস বহিতেছে। পুষ্করিণীতীরের একটি পুরাতন লিচুগাছের ঘন পল্লবের মধ্য হইতে একটি নিদ্রাহীন অশ্রান্ত পাপিয়ার গান মুখুজ্যেদের বাড়ির একটি নিদ্রাহীন শয়নগৃহের মধ্যে গিয়া প্রবেশ করিতেছে। হেমন্ত কিছু চঞ্চলভাবে কখনো তার স্ত্রীর একগুচ্ছ চুল খোঁপা হইতে বিশ্লিষ্ট করিয়া লইয়া আঙুলে জড়াইতেছে, কখনো তাহার বালাতে চুড়িতে সংঘাত করিয়া ঠুং ঠুং শব্দ করিতেছে, কখনো তাহার মাথার ফুলের মালাটা টানিয়া স্বস্থানচ্যুত করিয়া তাহার মুখের উপর আনিয়া ফেলিতেছে। সন্ধ্যাবেলাকার নিস্তব্ধ ফুলের গাছটিকে সচেতন করিয়া তুলিবার জন্য বাতাস যেমন একবার এপাশ হইতে একবার ওপাশ হইতে একটু-আধটু নাড়াচাড়া করিতে থাকে, হেমন্তের কতকটা সেই ভাব।
কিন্তু কুসুম সম্মুখের চন্দ্রালোকপ্লাবিত অসীম শূন্যের মধ্যে দুই নেত্রকে নিমগ্ন করিয়া দিয়া স্থির হইয়া বসিয়া আছে। স্বামীর চাঞ্চল্য তাহাকে স্পর্শ করিয়া প্রতিহত হইয়া ফিরিয়া যাইতেছে। অবশেষে হেমন্ত কিছু অধীরভাবে কুসুমের দুই হাত নাড়া দিয়া বলিল, 'কুসুম, তুমি আছ কোথায়? তোমাকে যেন একটা মস্ত দুরবীন কষিয়া বিস্তর ঠাহর করিয়া বিন্দুমাত্র দেখা যাইবে এমনি দূরে গিয়া পড়িয়াছ। আমার ইচ্ছা, তুমি আজ একটু কাছাকাছি এসো। দেখো দেখি কেমন চমৎকার রাত্রি।'
আরো দেখুন
সমাপ্তি
Stories
অপূর্বকৃষ্ণ বি. এ. পাস করিয়া কলিকাতা হইতে দেশে ফিরিয়া আসিতেছেন।
নদীটি ক্ষুদ্র। বর্ষা অন্তে প্রায় শুকাইয়া যায়। এখন শ্রাবণের শেষে জলে ভরিয়া উঠিয়া একেবারে গ্রামের বেড়া ও বাঁশঝাড়ের তলদেশ চুম্বন করিয়া চলিয়াছে।
আরো দেখুন
হালদারগোষ্ঠী
Stories
এই পরিবারটির মধ্যে কোনোরকমের গোল বাধিবার কোনো সংগত কারণ ছিল না। অবস্থাও সচ্ছল, মানুষগুলিও কেহই মন্দ নহে, কিন্তু তবুও গোল বাধিল।
কেননা, সংগত কারণেই যদি মানুষের সব-কিছু ঘটিত তবে তো লোকালয়টা একটা অঙ্কের খাতার মতো হইত, একটু সাবধানে চলিলেই হিসাবে কোথাও কোনো ভুল ঘটিত না; যদি বা ঘটিত সেটাকে রবার দিয়া মুছিয়া সংশোধন করিলেই চলিয়া যাইত।
আরো দেখুন