আজু সখি, মুহু মুহু
Songs
আজু সখি, মুহু মুহু
গাহে পিক কুহু কুহু ,
কুঞ্জবনে দুঁহু দুঁহু
দোঁহার পানে চায়।
যুবনমদবিলসিত
পুলকে দিয়া উলসিত,
অবশ তনু অলসিত
মূরছি জনু যায়।
আজু মধু চাঁদনী
প্রাণউনমাদনী,
শিথিল সব বাঁধনী,
শিথিল ভই লাজ।
বচন মৃদু মরমর
কাঁপে রিঝ থরথর,
শিহরে তনু জরজর
কুসুমবনমাঝ।
মলয় মৃদু কলয়িছে ,
চরণ নহি চলয়িছে,
বচন মুহু খলয়িছে,
অঞ্চল লুটায়।
আধফুট শতদল
বায়ুভরে টলমল
আঁখি জনু ঢলঢল
চাহিতে নাহি চায়।
অলকে ফুল কাঁপয়ি
কপোলে পড়ে ঝাঁপয়ি,
মধু-অনলে তাপয়ি
খসয়ি পড়ু পায়।
ঝরই শিরে ফুলদল,
যমুনা বহে কলকল
হাসে শশি ঢলঢল --
ভানু মরি যায়।
আরো দেখুন
ললাটের লিখন
Stories
ছেলেবেলায় পৃথ্বীশের ডান দিকের কপালে চোট লেগেছিল ভুরুর মাঝখান থেকে উপর পর্যন্ত। সেই আঘাতে ডান চোখটাও সংকুচিত। পৃথ্বীশকে ভালো দেখতে কি না সেই প্রশ্নের উত্তরটা কাটা দাগের অবিচারে সম্পূর্ণ হতে পারল না। অদৃষ্টের এই লাঞ্ছনাকে এত দিন থেকে প্রকাশ্যে পৃথ্বীশ বহন করে আসছে তবুও দাগও যেমন মেলায় নি তেমনি ঘোচে নি তার সংকোচ। নতুন কারো সঙ্গে পরিচয় হবার উপলক্ষে প্রত্যেকবার ধিক্‌কারটা জেগে ওঠে মনে। কিন্তু বিধাতাকে গাল দেবার অধিকার তার নেই। তার রচনার ঐশ্বর্যকে বন্ধুরা স্বীকার করছে প্রচুর প্রশংসায়, শত্রুরা নিন্দাবাক্যের নিরন্তর কটুক্তিতে। লেখার চারি দিকে ভিড় জমছে। দু টাকা আড়াই টাকা দামের বইগুলো ছড়িয়ে পড়ছে ঘরে ঘরে। সম্পাদকরা তার কলমের প্রসাদ ছুটোছাঁটা যা-ই পায় কিছুই ছাড়ে না। পাঠিকারা বলে, পৃথ্বীশবাবু মেয়েদের মন ও চরিত্র যেমন আশ্চর্য বোঝেন ও বর্ণনা করেন এমন সাধ্য নেই আর কোনো লেখকের। পুরুষ-বন্ধুরা বলে, ওর লেখায় মেয়েদের এত-যে স্তুতিবাদ সে কেবল হতভাগার ভাঙা কপালের দোষে। মুখশ্রী যদি অক্ষুণ্ন হত তা হলে মেয়েদের সম্বন্ধে সত্য কথা বাধত না মুখে। মুখের চেহারা বিপক্ষতা করায় মুখের অত্যুক্তিকে সহায় করেছে মনোহরণের অধ্যবসায়।
শ্রীমতী বাঁশরি সরকার ব্যারিস্টারি চক্রের মেয়ে-- বাপ ব্যারিস্টার, ভাইরা ব্যারিস্টার। দু বার গেছে য়ুরোপে ছুটি উপলক্ষে। সাজে সজ্জায় ভাষায় ভঙ্গিতে আছে আধুনিক যুগের সুনিপুণ উদ্দামতা। রূপসী বলতে যা বোঝায় তা নয়, কিন্তু আকৃতিটা যেন ফ্রেঞ্চ পালিশ দিয়ে ঝকঝকে করা।
আরো দেখুন
ইচ্ছাপূরণ
Stories
সুবলচন্দ্রের ছেলেটির নাম সুশীলচন্দ্র। কিন্তু সকল সময়ে নামের মতো মানুষটি হয় না। সেইজন্যই সুবলচন্দ্র কিছু দুর্বল ছিলেন এবং সুশীলচন্দ্র বড়ো শান্ত ছিলেন না।
ছেলেটি পাড়াসুদ্ধ লোককে অস্থির করিয়া বেড়াইত, সেইজন্য বাপ মাঝে মাঝে শাসন করিতে ছুটিতেন; কিন্তু বাপের পায়ে ছিল বাত, আর ছেলেটি হরিণের মতো দৌড়িতে পারিত; কাজেই কিল চড়-চাপড় সকল সময় ঠিক জায়গায় গিয়া পড়িত না। কিন্তু সুশীলচন্দ্র দৈবাৎ যেদিন ধরা পড়িতেন সেদিন তাঁহার আর রক্ষা থাকিত না।
আরো দেখুন
শুভদৃষ্টি
Stories
কান্তিচন্দ্রের বয়স অল্প, তথাপি স্ত্রীবিয়োগের পর দ্বিতীয় স্ত্রীর অনুসন্ধানে ক্ষান্ত থাকিয়া পশুপক্ষী-শিকারেই মনোনিবেশ করিয়াছেন। দীর্ঘ কৃশ কঠিন লঘু শরীর, তীক্ষ্ণ দৃষ্টি, অব্যর্থ লক্ষ্য, সাজসজ্জায় পশ্চিমদেশীর মতো; সঙ্গে সঙ্গে কুস্তিগির হীরা সিং, ছক্কনলাল, এবং গাইয়ে বাজিয়ে খাঁসাহেব, মিঞাসাহেব অনেক ফিরিয়া থাকে; অকর্মণ্য অনুচর-পরিচরেরও অভাব নাই।
দুই-চারিজন শিকারী বন্ধুবান্ধব লইয়া অঘ্রানের মাঝামাঝি কান্তিচন্দ্র নৈদিঘির বিলের ধারে শিকার করিতে গিয়াছেন। নদীতে দুইটি বড়ো বোটে তাঁহাদের বাস, আরো  গোটা-তিনচার নৌকায় চাকরবাকরের দল গ্রামের ঘাট ঘিরিয়া বসিয়া আছে। গ্রামবধূদের জল তোলা, স্নান করা প্রায় বন্ধ। সমস্ত দিন বন্দুকের আওয়াজে জলস্থল কম্পমান, সন্ধ্যাবেলায় ওস্তাদি গলায় তানকর্তবে পল্লীর নিদ্রাতন্দ্রা তিরোহিত।
আরো দেখুন
কাবুলিওয়ালা
Stories
আমার পাঁচ বছর বয়সের ছোটো মেয়ে মিনি এক দণ্ড কথা না কহিয়া থাকিতে পারে না। পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করিয়া ভাষা শিক্ষা করিতে সে কেবল একটি বৎসর কাল ব্যয় করিয়াছিল, তাহার পর হইতে যতক্ষণ সে জাগিয়া থাকে এক মুহূর্ত মৌনভাবে নষ্ট করে না। তাহার মা অনেকসময় ধমক দিয়া তাহার মুখ বন্ধ করিয়া দেয়, কিন্তু আমি তাহা পারি না। মিনি চুপ করিয়া থাকিলে এমনি অস্বাভাবিক দেখিতে হয় যে, সে আমার বেশিক্ষণ সহ্য হয় না। এইজন্য আমার সঙ্গে তাহার কথোপকথনটা কিছু উৎসাহের সহিত চলে।
সকালবেলায় আমার নভেলের সপ্তদশ পরিচ্ছেদে হাত দিয়াছি এমনসময় মিনি আসিয়াই আরম্ভ করিয়া দিল, 'বাবা, রামদয়াল দরোয়ান কাককে কৌয়া বলছিল, সে কিচ্ছু জানে না। না?'
আরো দেখুন
কথিকা
Stories
এবার মনে হল, মানুষ অন্যায়ের আগুনে আপনার সমস্ত ভাবী কালটাকে পুড়িয়ে কালো করে দিয়েছে, সেখানে বসন্ত কোনোদিন এসে আর নতুন পাতা ধরাতে পারবে না।
মানুষ অনেক দিন থেকে একখানি আসন তৈরি করছে। সেই আসনই তাকে খবর দেয় যে, তার দেবতা আসবেন, তিনি পথে বেরিয়েছেন।
আরো দেখুন
তেঁতুলের ফুল
Verses
             জীবনের অনেক, ধন পাই নি,
                    নাগালের বাইরে তারা;
             হারিয়েছি তার চেয়ে অনেক বেশি
                         হাত পাতি নি ব'লেই।
                    সেই চেনা সংসারে
                       অসংস্কৃত পল্লীরূপসীর মতো
                         ছিল এই ফুল মুখঢাকা,
             অকাতরে উপেক্ষা করেছে উপেক্ষাকে
                         এই তেঁতুলের ফুল।
          বেঁটে গাছ পাঁচিলের ধারে,
           বাড়তে পারে নি কৃপণ মাটিতে;
             উঠেছে ঝাঁকড়া ডাল মাটির কাছ ঘেঁষে।
                  ওর বয়স হয়েছে যায় নি বোঝা।
          অদূরে ফুটেছে নেবু ফুল,
             গাছ ভরেছে গোলকচাঁপায়,
               কোণের গাছে ধরেছে কাঞ্চন,
                    কুড়চি-শাখা ফুলের তপস্যায় মহাশ্বেতা।
                       স্পষ্ট ওদের ভাষা,
             ওরা আমাকে ডাক দিয়ে করেছে আলাপ।
        আজ যেন হঠাৎ এল কানে
             কোন্‌ ঘোমটার নীচে থেকে চুপিচুপি কথা।
                  দেখি পথের ধারে তেঁতুলশাখার কোণে
                       লাজুক একটি মঞ্জরী,
                           মৃদু বসন্তী রঙ,
                                মৃদু একটি গন্ধ,
                           চিকন লিখন তার পাপড়ির-গায়ে।
শহরের বাড়িতে আছে
             শিশুকাল থেকে চেনাশোনা অনেক কালের তেঁতুল গাছ,
                     দিক্‌পালের মতো দাঁড়িয়ে
                       উত্তরপশ্চিম কোণে,
                  পরিবারের যেন পুরোনো কালের সেবক,
                         প্রপিতামহের বয়সী।
                  এই বাড়ির অনেক জন্মমৃত্যুর পর্বের পর পর্বে
                       সে দাঁড়িয়ে আছে চুপ করে,
                           যেন বোবা ইতিহাসের সভাপণ্ডিত।
                  ওই গাছে ছিল যাদের নিশ্চিত দখল কালে কালে
                      তাদের কত লোকের নাম
                       আজ ওর ঝরা পাতার চেয়েও ঝরা,
                           তাদের কত লোকের স্মৃতি
                                ওর ছায়ার চেয়েও ছায়া।
            একদিন ঘোড়ার আস্তাবল ছিল ওর তলায়
                         খুরের-খট্‌খটানিতে-অস্থির
                  খোলার-চালা-দেওয়া ঘরে।
           কবে চলে গেছে সহিসের হাঁক ডাকা।
               সেই ঘোড়া-বাহনের যুগ
                        ইতিবৃত্তের ও পারে।
           আজ চুপ হয়েছে হ্রেষাধ্বনি,
               রঙ বদল করেছে কালের ছবি।
           সর্দার কোচম্যানের সযত্নসজ্জিত দাড়ি,
                  চাবুক হাতে তার সগর্ব উদ্ধত পদক্ষেপ,
           সেদিনকার শৌখিন সমারোহের সঙ্গে
                  গেছে সাজ-পরিবর্তনের মহানেপথ্যে।
               দশটা বেলার প্রভাত-রৌদ্রে
               ওই তেঁতুলতলা থেকে এসেছে দিনের পর দিন
অবিচলিত নিয়মে ইস্কুলে যাবার গাড়ি।
          বালকের নিরুপায় অনিচ্ছার বোঝাটা
            টেনে নিয়ে গেছে রাস্তার ভিড়ের মাঝখান দিয়ে।
              আজ আর চেনা যাবে না সেই ছেলেকে--
                  না দেহে, না মনে, না অবস্থায়।
          কিন্তু চিরদিন দাঁড়িয়ে আছে যেই আত্মসমাহিত তেঁতুল গাছ
                         মানবভাগ্যের ওঠানামার প্রতি
                              ভ্রূক্ষেপ না ক'রে।
    মনে আছে একদিনের কথা।
        রাত্রি থেকে অঝোর ধারায় বৃষ্টি;
              ভোরের বেলায় আকাশের রঙ
                  যেন পাগলের চোখের তারা।
        দিক্‌হারানো ঝড় বইছে এলোমেলো,
             বিশ্বজোড়া অদৃশ্য খাঁচায় মহাকায় পাখি
                  চার দিকে ঝাপট মারছে পাখা।
                       রাস্তায় দাঁড়ালো জল,
                  আঙিনা গেছে ভেসে।
               বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখছি,
        ক্রুদ্ধ মুনির মতো ওই গাছ মাথা তুলেছে আকাশে,
                  তার শাখায় শাখায় ভর্ৎসনা।
        গলির দুই ধারে কোঠাবাড়িগুলো হতবুদ্ধির মতো,
               আকাশের অত্যাচারে
           প্রতিবাদ করবার ভাষা নেই তাদের।
         একমাত্র ওই গাছটার পত্রপুঞ্জের আন্দোলনে
               আছে বিদ্রোহের বাণী,
             আছে স্পর্ধিত অভিসম্পাত।
    অন্তহীন ইঁটকাঠের মূক জড়তার মধ্যে
           ওই ছিল একা মহারণ্যের প্রতিনিধি--
    সেদিন দেখেছি তার বিক্ষুব্ধ মহিমা বৃষ্টিপাণ্ডুর দিগন্তে।
কিন্তু যখন বসন্তের পর বসন্ত এসেছে,
                    অশোক বকুল পেয়েছে সম্মান;
           ওকে জেনেছি যেন ঋতুরাজের বাহির-দেউড়ির দ্বারী,
                     উদাসীন, উদ্ধত।
             সেদিন কে জেনেছিল--
                  ওই রূঢ় বৃহতের অন্তরে সুন্দরের নম্রতা,
             কে জেনেছিল বসন্তের সভায় ওর কৌলীন্য
        ফুলের পরিচয়ে আজ ওকে দেখছি।
          যেন গন্ধর্ব চিত্ররথ,
               যে ছিল অর্জুনবিজয়ী মহারথী
         গানের সাধন করছে সে আপন মনে একা
              নন্দনবনের ছায়ার আড়ালে গুন গুন সুরে।
           সেদিনকার কিশোর কবির চোখে
               ওই প্রৌঢ় গাছের গোপন যৌবনমদিরতা
                  যদি ধরা পড়ত উপযুক্ত লগ্নে,
                    মনে আসছে, তবে
                  মৌমাছির পাখা-উতল-করা
                   কোন্‌-এক পরম দিনের তরুণ প্রভাতে
                                একটি ফুলের গুচ্ছ করতেম চুরি
                           পরিয়ে দিতেম কেঁপে-ওঠা আঙুল দিয়ে
                       কোন্‌ একজনের আনন্দে-রাঙা কর্ণমূলে।
                          যদি সে শুধাত, কী নাম,
                                   হয়তো বলতেম--
        ওই যে রৌদ্রের এক টুকরো পড়েছে তোমার চিবুকে
               ওর যদি কোনো নাম তোমার মুখে আসে
                       একেও দেব সেই নামটি।
আরো দেখুন
প্রায়শ্চিত্ত
Stories
স্বর্গ ও মর্তের মাঝখানে একটা অনির্দেশ্য অরাজক স্থান আছে যেখানে ত্রিশঙ্কু রাজা ভাসিয়া বেড়াইতেছেন, যেখানে আকাশকুসুমের অজস্র আবাদ হইয়া থাকে। সেই বায়ুদুর্গবেষ্টিত মহাদেশের নাম 'হইলে-হইতে-পারিত'। যাঁহারা মহৎ কার্য করিয়া অমরতা লাভ করিয়াছেন তাঁহারা ধন্য হইয়াছেন, যাঁহারা সামান্য ক্ষমতা লইয়া সাধারণ মানবের মধ্যে সাধারণভাবে সংসারের প্রাত্যহিক কর্তব্যসাধনে সহায়তা করিতেছেন তাঁহারাও ধন্য; কিন্তু যাঁহারা অদৃষ্টের ভ্রমক্রমে হঠাৎ দুয়ের মাঝখানে পড়িয়াছেন তাঁহাদের আর কোনো উপায় নাই। তাঁহারা একটা কিছু হইলে হইতে পারিতেন কিন্তু সেই কারণেই তাঁহাদের পক্ষে কিছু-একটা হওয়া সর্বাপেক্ষা অসম্ভব।
আমাদের অনাথবন্ধু সেই মধ্যদেশবিলম্বিত বিধিবিড়ম্বিত যুবক। সকলেরই বিশ্বাস, তিনি ইচ্ছা করিলে সকল বিষয়েই কৃতকার্য হইতে পারিতেন। কিন্তু কোনো কালে তিনি ইচ্ছাও করিলেন না এবং কোনো বিষয়ে তিনি কৃতকার্যও হইলেন না, এবং সকলের বিশ্বাস তাঁহার প্রতি অটল রহিয়া গেল। সকলে বলিল, তিনি পরীক্ষায় ফার্‌স্ট্‌ হইবেন; তিনি আর পরীক্ষা দিলেন না। সকলের বিশ্বাস চাকরিতে প্রবিষ্ট হইলে যে কোনো ডিপার্টমেন্টের উচ্চতম স্থান তিনি অনায়াসে গ্রহণ করিতে পারিবেন; তিনি কোনো চাকরিই গ্রহণ করিলেন না। সাধারণ লোকের প্রতি তাঁহার বিশেষ অবজ্ঞা, কারণ তাহারা অত্যন্ত সামান্য; অসাধারণ লোকের প্রতি তাঁহার কিছুমাত্র শ্রদ্ধা ছিল না, কারণ মনে করিলেই তিনি তাহাদের অপেক্ষা অসাধারণতর হইতে পারিতেন।
আরো দেখুন
বাচস্পতি
Stories
দাদামশায়, তুমি তোমার চার দিকে যেসব পাগলের দল জমিয়েছিলে, গুণ হিসেব ক'রে তাদের বুঝি সব নম্বর দিয়ে রেখেছিলে?
হ্যাঁ, তা করতে হয়েছে বই-কি। কম তো জমে নি।
আরো দেখুন
একটা আষাঢ়ে গল্প
Stories
দূর সমুদ্রের মধ্যে একটা দ্বীপ। সেখানে কেবল তাসের সাহেব, তাসের বিবি, টেক্কা এবং গোলামের বাস। দুরি তিরি হইতে নহলা-দহলা পর্যন্ত আরো অনেক-ঘর গৃহস্থ আছে কিন্তু তাহারা উচ্চজাতীয় নহে।
টেক্কা সাহেব গোলাম এই তিনটেই প্রধান বর্ণ, নহলা-দহলারা অন্ত্যজ-- তাহাদের সহিত এক পঙ্‌ক্তিতে বসিবার যোগ্য নহে।
আরো দেখুন