Home > Verses > সোনার তরী

সোনার তরী

উপহার (কবি-ভ্রাতা শ্রীদেবেন্দ্রনাথ সেন) সূচনা (জীবনের বিশেষ পর্বে কোনো বিশেষ প্রকৃতির কাব্য ) সোনার তরী (গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা)
বিম্ববতী (সযত্নে সাজিল রানী, বাঁধিল কবরী) শৈশবসন্ধ্যা (ধীরে ধীরে বিস্তারিছে ঘেরি চারিধার) রাজার ছেলে ও রাজার মেয়ে (রাজার ছেলে যেত পাঠশালায়)
নিদ্রিতা (রাজার ছেলে ফিরেছি দেশে দেশে) সুপ্তোত্থিতা (ঘুমের দেশে ভাঙিল ঘুম) তোমরা ও আমরা (তোমরা হাসিয়া বহিয়া চলিয়া যাও)
সোনার বাঁধন (বন্দী হয়ে আছ তুমি সুমধুর স্নেহে) বর্ষাযাপন (রাজধানী কলিকাতা; তেতালার ছাতে) হিং টিং ছট্‌ (স্বপ্ন দেখেছেন রাত্রে হবুচন্দ্র ভূপ)
পরশ-পাথর (খ্যাপা খুঁজে খুঁজে ফিরে পরশপাথর) বৈষ্ণব কবিতা (শুধু বৈকুণ্ঠের তরে বৈষ্ণবের গান) দুই পাখি (খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে)
আকাশের চাঁদ (হাতে তুলে দাও আকাশের চাঁদ) যেতে নাহি দিব (দুয়ারে প্রস্তুত গাড়ি; বেলা দ্বিপ্রহর) সমুদ্রের প্রতি (হে আদিজননী সিন্ধু,বসুন্ধরা সন্তান তোমার)
প্রতীক্ষা (ওরে মৃত্যু, জানি তুই আমার বক্ষের মাঝে) মানসসুন্দরী (আজ কোনো কাজ নয়-- সব ফেলে দিয়ে) অনাদৃত (তখন তরুণ রবি প্রভাতকালে)
নদীপথে (গগন ঢাকা ঘন মেঘে) দেউল (রচিয়াছিনু দেউল একখানি) বিশ্বনৃত্য (বিপুল গভীর মধুর মন্দ্রে)
দুর্বোধ (তুমি মোরে পার না বুঝিতে) ঝুলন (আমি পরানের সাথে খেলিব আজিকে) হৃদয়যমুনা (যদি ভরিয়া লইবে কুম্ভ, এসো ওগো, এসো মোর)
ব্যর্থ যৌবন (আজি যে রজনী যায় ফিরাইব তায়) ভরা ভাদরে (নদী ভরা কূলে কূলে, খেতে ভরা ধান) প্রত্যাখ্যান (অমন দীননয়নে তুমি)
লজ্জা (আমার হৃদয় প্রাণ) পুরস্কার (সেদিন বরষা ঝরঝর ঝরে) বসুন্ধরা (আমারে ফিরায়ে লহ অয়ি বসুন্ধরে)
মায়াবাদ (হা রে নিরানন্দ দেশ, পরি জীর্ণ জরা) খেলা (হোক খেলা, এ খেলায় যোগ দিতে হবে) বন্ধন (বন্ধন? বন্ধন বটে, সকলি বন্ধন)
গতি (জানি আমি সুখে দুঃখে হাসি ও ক্রন্দনে) মুক্তি (চক্ষু কর্ণ বুদ্ধি মন সব রুদ্ধ করি) অক্ষমা (যেখানে এসেছি আমি, আমি সেথাকার)
দরিদ্রা (দরিদ্রা বলিয়া তোরে বেশি ভালোবাসি) আত্মসমর্পণ (তোমার আনন্দগানে আমি দিব সুর) অচল স্মৃতি (আমার হৃদয়ভূমি-মাঝখানে)
কণ্টকের কথা (একদা পুলকে প্রভাত-আলোকে) নিরুদ্দেশ যাত্রা (আর কত দূরে নিয়ে যাবে মোরে)