Home > Verses > লেখন

লেখন

ভূমিকা১ (স্বপ্ন আমার জোনাকি (My fancies are fireflies)) ২ (আমার লিখন ফুটে পথধারে (The same voice murmurs))
৩ (প্রজাপতি সেতো বরষ না গণে (The butterfly does not count years)) ৪ (ঘুমের আঁধার কোটরের তলে স্বপ্নপাখির বাসা,) ৫ (ভারী কাজের বোঝাই তরী কালের পারাবারে)
৬ (বসন্ত সে কুঁড়ি ফুলের দল) ৭ (স্ফুলিঙ্গ তার পাখায় পেল ক্ষণকালের ছন্দ) ৮ (সুন্দরী ছায়ার পানে তরু চেয়ে থাকে)
৯ (আমার প্রেম রবি-কিরণ-হেন) ১০ (মাটির সুপ্তিবন্ধন হতে আনন্দ পায় ছাড়া) ১১ (অতল আঁধার নিশা পারাবার, তাহারি উপরিতলে)
১২ (ভীরু মোর দান ভরসা না পায়) ১৩ (ফাগুন, শিশুর মতো, ধূলিতে রঙিন ছবি আঁকে) ১৪ (দেবমন্দির-আঙিনাতলে শিশুরা করেছে মেলা)
১৫ (তোমার বনে ফুটেছে শ্বেত করবী) ১৬ (আকাশ ধরারে বাহুতে বেড়িয়া রাখে) ১৭ (দূর এসেছিল কাছে)
১৮ (ওগো অনন্ত কালো) ১৯ (আমার বাণীর পতঙ্গ গুহাচর) ২০ (দাঁড়ায়ে গিরি, শির মেঘে তুলে)
২১ (ভাসিয়ে দিয়ে মেঘের ভেলা) ২২ (মেঘ সে বাষ্পগিরি) ২৩ (চান ভগবান প্রেম দিয়ে তাঁর)
২৪ (শিখারে কহিল হাওয়া) ২৫ (দুই তীরে তার বিরহ ঘটায়ে) ২৬ (তারার দীপ জ্বালেন যিনি)
২৭ (মোর গানে গানে, প্রভু, আমি পাই পরশ তোমার) ২৮ (নানা রঙের ফুলের মতো ঊষা মিলায় যবে) ২৯ (আঁধার সে যেন বিরহিণী বধূ)
৩০ (হে আমার ফুল, ভোগী মূর্খের মালে) ৩১ (চলিতে চলিতে খেলার পুতুল খেলার বেগের সাথে) ৩২ (বিলম্বে উঠেছ তুমি কৃষ্ণপক্ষশশী)
৩৩ (আকাশে উঠিল বাতাস, তবুও নোঙর রহিল পাঁকে) ৩৪ (আকাশের নীল বনের শ্যামলে চায়) ৩৫ (কীটেরে দয়া করিয়ো, ফুল)
৩৬ (মাটির প্রদীপ সারা দিবসের অবহেলা লয় মেনে) ৩৭ (দিনের রৌদ্রে আবৃত বেদনা বচনহারা) ৩৮ (গানের কাঙাল এ বীণার তার বেসুরে মরিছে কেঁদে)
৩৯ (নিভৃত প্রাণের নিবিড় ছায়ায় নীরব নীড়ের -'পরে) ৪০ (আলো যবে ভালোবেসে মালা দেয় আঁধারের গলে) ৪১ (আলোকের স্মৃতি ছায়া বুকে করে রাখে)
৪২ (ফুলে ফুলে যবে ফাগুন আত্মহারা) ৪৩ (দিন হয়ে গেল গত) ৪৪ (জীর্ণ জয়-তোরণ-ধূলি-'পর)
৪৫ (রঙের খেয়ালে আপনা খোয়ালে) ৪৬ (স্খলিত পালখ ধূলায় জীর্ণ) ৪৭ (পথে হল দেরি, ঝরে গেল চেরি)
৪৮ (যখন পথিক এলেম কুসুমবনে) ৪৯ (হে মহাসাগর বিপদের লোভ দিয়া) ৫০ (গগনে গগনে নব নব দেশে রবি)
৫১ (জোনাকি সে ধূলি খুঁজে সারা) ৫২ (যবে কাজ করি প্রভু দেয় মোরে মান) ৫৩ (একটি পুষ্পকলি এনেছিনু দিব বলি)
৫৪ (বসন্ত, তুমি এসেছ হেথায়) ৫৫ (চাহিয়া প্রভাতরবির নয়নে) ৫৬ (আকাশে তো আমি রাখি নাই, মোর)
৫৭ (লাজুক ছায়া বনের তলে) ৫৮ (আকাশের তারায় তারায় বিধাতার যে হাসিটি জ্বলে) ৫৯ (কুয়াশা যদি বা ফেলে পরাভবে ঘিরি)
৬০ (পর্বতমালা আকাশের পানে চাহিয়া না কহে কথা) ৬১ (একদিন ফুল দিয়েছিলে, হায়) ৬২ (হে বন্ধু, জেনো মোর ভালোবাসা)
৬৩ (স্বল্প সেও স্বল্প নয়, বড়োকে ফেলে ছেয়ে) ৬৪ (সংগীতে যখন সত্য শোনে নিজবাণী) ৬৫ (আমি জানি মোর ফুলগুলি ফুটে হরষে)
৬৬ (বুদ্বুদ  সে তো বদ্ধ আপন ঘেরে) ৬৭ (বিরহপ্রদীপে জ্বলুক দিবসরাতি) ৬৮ (মেঘের দল বিলাপ করে আঁধার হল দেখে)
৬৯ (ভিক্ষুবেশে দ্বারে তার "দাও' বলি দাঁড়ালে দেবতা) ৭০ (গুণীর লাগিয়া বাঁশি চাহে পথপানে) ৭১ (অসীম আকাশ শূন্য প্রসারি রাখে)
৭২ (কুন্দকলি ক্ষুদ্র বলি নাই দুঃখ, নাই তার লাজ) ৭৩ (ফুলগুলি যেন কথা) ৭৪ (দিবসের অপরাধ সন্ধ্যা যদি ক্ষমা করে তবে)
৭৫ (আকর্ষণগুণে প্রেম এক ক'রে তোলে) ৭৬ (মহাতরু বহে বহু বরষের ভার) ৭৭ (পথের প্রান্তে আমার তীর্থ নয়)
৭৮ (ধরায় যেদিন প্রথম জাগিল) ৭৯ (হিতৈষীর স্বার্থহীন অত্যাচার যত) ৮০ (স্তব্ধ অতল শব্দবিহীন মহাসমুদ্রতলে)
৮১ (নরজনমের পুরা দাম দিব যেই) ৮২ (গোঁয়ার কেবল গায়ের জোরেই বাঁকাইয়া দেয় চাবি) ৮৩ (জন্ম মোদের রাতের আঁধার)
৮৪ (আমার প্রাণের গানের পাখির দল) ৮৫ (নিমেষকালের খেয়ালের লীলাভরে) ৮৬ (মোর কাগজের খেলার নৌকা ভেসে চলে যায় সোজা)
৮৭ (অকালে যখন বসন্ত আসে শীতের আঙিনা-'পর) ৮৮ (হে প্রেম, যখন ক্ষমা কর তুমি সব অভিমান ত্যেজে) ৮৯ (দেবতার সৃষ্টি বিশ্ব মরণে নূতন হয়ে উঠে)
৯০ (বৃক্ষ সে তো আধুনিক, পুষ্প সেই অতি পুরাতন) ৯১ (নূতন প্রেম সে ঘুরে ঘুরে মরে শূন্য আকাশমাঝে) ৯২ (সকল চাঁপাই দেয় মোর প্রাণে আনি)
৯৩ (দুঃখের আগুন কোন্‌ জ্যোতির্ময় পথরেখা টানে) ৯৪ (ফেলে যবে যাও একা থুয়ে) ৯৫ (উষা একা একা আঁধারের দ্বারে ঝংকারে বীণাখানি)
৯৬ (শিশির রবিরে শুধু জানে) ৯৭ (আপন অসীম নিষ্ফলতার পাকে) ৯৮ (ধরণীর যজ্ঞ-অগ্নি বৃক্ষরূপে শিখা তার তুলে)
৯৯ (ফুরাইলে দিবসের পালা) ১০০ (দিনে দিনে মোর কর্ম আপন দিনের মজুরি পায়) ১০১ (কর্ম আপন দিনের মজুরি রাখিতে চাহে না বাকি)
১০২ (আলোকের সাথে মেলে আঁধারের ভাষা) ১০৩ (বিদেশে অচেনা ফুল পথিক কবিরে ডেকে কহে) ১০৪ (পুঁথি-কাটা ওই পোকা)
১০৫ (আকাশে মন কেন তাকায় ফলের আশা পুষি) ১০৬ (অনন্তকালের  ভালে মহেন্দ্রের বেদনার ছায়া) ১০৭ (সূর্যাস্তের রঙে রাঙা ধরা যেন পরিণত ফল)
১০৮ (প্রজাপতি পায় অবকাশ) ১০৯ (মায়াজাল দিয়া কুয়াশা জড়ায়) ১১০ (শুকতারা মনে করে)
১১১ (অজানা ফুলের গন্ধের মতো) ১১২ (মৃতের যতই বাড়াই মিথ্যা মূল্য) ১১৩ (পারের তরীর পালের হাওয়ার পিছে)
১১৪ (সত্য তার সীমা ভালোবাসে) ১১৫ (নটরাজ নৃত্য করে নব নব সুন্দরের নাটে) ১১৬ (দিন দেয় তার সোনার বীণা)
১১৭ (ভক্তি ভোরের পাখি) ১১৮ (সন্ধ্যায় দিনের পাত্র রিক্ত হলে ফেলে দেয় তারে) ১১৯ (দিনের কর্মে মোর প্রেম যেন)
১২০ (ভোরের ফুল গিয়েছে যারা) ১২১ (যাবার যা সে যাবেই,তারে) ১২২ (সাগরের কানে জোয়ার-বেলায়)
১২৩ (পুরানো মাঝে যা-কিছু ছিল) ১২৪ (মিলননিশীথে ধরণী ভাবিছে) ১২৫ (স্তব্ধ হয়ে কেন্দ্র আছে, না দেখা যায় তারে)
১২৬ (দিবসের দীপে শুধু থাকে তেল) ১২৭ (গিরি যে তুষার নিজে রাখে, তার) ১২৮ (কাছে থাকার আড়ালখানা)
১২৯ (ওই শুন বনে বনে কুঁড়ি বলে তপনেরে ডাকি) ১৩০ (ধরার মাটির তলে  বন্দী হয়ে যে-আনন্দ আছে) ১৩১ (খেলার খেয়ালবশে কাগজের তরী)
১৩২ (দিনের আলোক যবে রাত্রির অতলে) ১৩৩ (অস্তরবির আলো-শতদল) ১৩৪ (জীবন-খাতার অনেক পাতাই)
১৩৫ (দেবতা যে চায় পরিতে গলায়) ১৩৬ (সূর্যপানে চেয়ে ভাবে মল্লিকামুকুল) ১৩৭ (সোনার মুকুট ভাসাইয়া দাও)
১৩৮ (সন্ধ্যার প্রদীপ মোর রাত্রির তারারে) ১৩৯ (শিশিরের মালা গাঁথা শরতের তৃণাগ্র-সূচিতে) ১৪০ (দিবসে যাহারে করিয়াছিলাম হেলা)
১৪১ (ঝরে-পড়া ফুল আপনার মনে বলে) ১৪২ (বসন্তবায়ু,কুসুমকেশর) ১৪৩ (হে অচেনা,তব আঁখিতে আমার)
১৪৪ (দখিন হতে আনিলে,বায়ু) ১৪৫ (ওগো হংসের পাঁতি) ১৪৬ (শিশিরসিক্ত বনমর্মর)
১৪৭ (দিনান্তের ললাট লেপি') ১৪৮ (নীরব যিনি তাঁহার বাণী নামিলে মোর বাণীতে) ১৪৯ (কাঁটাতে আমার অপরাধ আছে)
১৫০ (চেয়ে দেখি হোথা তব জানালায়) ১৫১ (পৌরপথের বিরহী তরুর কানে) ১৫২ (ও যে চেরিফুল তব বনবিহারিণী)
১৫৩ (ধনীর প্রাসাদ বিকট ক্ষুধিত রাহু) ১৫৪ (গিরির দুরাশা উড়িবারে) ১৫৫ (দুর হতে যারে পেয়েছি পাশে)
১৫৬ (উতল সাগরের অধীর ক্রন্দন) ১৫৭ (চাঁদ কহে "শোন্‌ শুকতারা) ১৫৮ (হতভাগা মেঘ পায় প্রভাতের সোনা)
১৫৯ (ভেবেছিনু গনি গনি লব সব তারা) ১৬০ (তোমারে, প্রিয়ে, হৃদয় দিয়ে) ১৬১ (লিলি,তোমারে গেঁথেছি হারে,আপন বলে চিনি)
১৬২ (ফুলের লাগি তাকায়ে ছিলি শীতে) ১৬৩ (নিমেষকালের অতিথি যাহারা পথে আনাগোনা করে) ১৬৪ (বহ্নি যবে বাঁধা থাকে তরুর মর্মের মাঝখানে)
১৬৫ (কানন কুসুম-উপহার দেয় চাঁদে) ১৬৬ (লেখনী জানে না কোন্‌ অঙ্গুলি লিখিছে) ১৬৭ (মন্দ যাহা নিন্দা তার রাখ না বটে বাকি)
১৬৮ (আকাশ কভু পাতে না ফাঁদ) ১৬৯ (সমস্ত-আকাশ-ভরা আলোর মহিমা) ১৭০ (প্রভাত-আলোরে বিদ্রূপ করে ও কি)
১৭১ (একা এক শূন্যমাত্র, নাই অবলম্ব) ১৭২ (প্রভেদেরে মানো যদি ঐক্য পাবে তবে) ১৭৩ (মৃত্যুর ধর্মই এক, প্রাণধর্ম নানা)
১৭৪ (আঁধার একেরে দেখে একাকার ক'রে) ১৭৫ (ফুল দেখিবার যোগ্য চক্ষু যার রহে) ১৭৬ (ধুলায় মারিলে লাথি ঢোকে চোখে মুখে)
১৭৭ (ভালো করিবারে যার বিষম ব্যস্ততা) ১৭৮ (ভালো যে করিতে পারে ফেরে দ্বারে এসে) ১৭৯ (আগে খোঁড়া করে দিয়ে পরে লও পিঠে)
১৮০ (হয় কাজ আছে তব নয় কাজ নাই) ১৮১ (কাজ সে তো মানুষের, এই কথা ঠিক)