Home > Verses > মহুয়া

মহুয়া

ভূমিকা (শুধায়োনা, কবে কোন্‌ গান) বোধন (মাঘের সূর্য উত্তরায়ণে) বসন্ত (ওগো বসন্ত, হে ভুবনজয়ী)
বরযাত্রা (পবন দিগন্তের দুয়ার নাড়ে) মাধবী (বসন্তের জয়রবে) বিজয়ী (বিবশ দিন, বিরস কাজ)
প্রত্যাশা (প্রাঙ্গণে মোর শিরীষশাখায় ফাগুন মাসে) অর্ঘ্য (সূর্যমুখীর বর্ণে বসন) দ্বৈত (আমি যেন গোধূলিগগন)
সন্ধান (আমার নয়ন তব নয়নের নিবিড় ছায়ায়) উপহার (মণিমালা হাতে নিয়ে) শুভযোগ (যে সন্ধ্যায় প্রসন্ন লগনে)
মায়া (চিত্তকোণে ছন্দে তব) নির্ঝরিণী (ঝর্‌না, তোমার স্ফটিকজলের) শুকতারা (সুন্দরী তুমি শুকতারা)
প্রকাশ (আচ্ছাদন হতে) বরণডালা (আজি এ নিরালা কুঞ্জে, আমার) মুক্তি (ভোরের পাখি নবীন আঁখিদুটি)
উদ্‌ঘাত (অজানা জীবন বাহিনু) অসমাপ্ত (বোলো তারে, বোলো) নিবেদন (অজানা খনির নূতন মণির)
অচেনা (রে অচেনা, মোর মুষ্টি ছাড়াবি কী ক'রে) অপরাজিত (ফিরাবে তুমি মুখ) নির্ভয় (আমরা দুজনা স্বর্গ-খেলনা)
পথের বাঁধন (পথ বেঁধে দিল বন্ধনহীন গ্রন্থি) দূত (ছিনু আমি বিষাদে মগনা) পরিচয় (তখন বর্ষণহীন অপরাহ্নমেঘে)
দায়মোচন (চিরকাল রবে মোর প্রেমের কাঙাল) সবলা (নারীকে আপন ভাগ্য জয় করিবার) প্রতীক্ষা (তোমার প্রত্যাশা লয়ে আছি প্রিয়তমে)
লগ্ন (প্রথম মিলনদিন, সে কি হবে নিবিড় আষাঢ়ে) সাগরিকা (সাগরজলে সিনান করি সজল এলোচুলে) বরণ (পুরাণে বলেছে)
পথবর্তী (দূর মন্দিরে সিন্ধুকিনারে) মুক্তরূপ (তোমারে আপন কোণে স্তব্ধ করি যবে) স্পর্ধা (শ্লথপ্রাণ দুর্বলের স্পর্ধা আমি কভু সহিব না)
রাখিপূর্ণিমা (কাহারে পরাব রাখি যৌবনের রাখিপূর্ণিমায়) আহ্বান (কোথা আছ! ডাকি আমি। শোনো, শোনো, আছে প্রয়োজন) বাপী (একদা বিজনে যুগল তরুর মূলে)
মহুয়া (বিরক্ত আমার মন কিংশুকের এত গর্ব দেখি) দীনা (তোমারে সম্পূর্ণ জানি হেন মিথ্যা কখনো কহি নি) সৃষ্টিরহস্য (সৃষ্টির রহস্য আমি তোমাতে করেছি অনুভব)
নাম্নী - শামলী (সে যেন গ্রামের নদী) নাম্নী - কাজলী (প্রচ্ছন্ন দাক্ষিণ্যভারে চিত্ত তার নত) নাম্নী - হেঁয়ালী (যারে সে বেসেছে ভালো তারে সে কাঁদায়)
নাম্নী - খেয়ালী (মধ্যাহ্নে বিজন বাতায়নে) নাম্নী - কাকলী (কলছন্দে পূর্ণ তার প্রাণ) নাম্নী - পিয়ালী (চাহনি তাহার, সব কোলাহল হ'লে সারা)
নাম্নী - দিয়ালী (জনতার মাঝে) নাম্নী - নাগরী (ব্যঙ্গসুনিপুণা) নাম্নী - সাগরী (বাহিরে সে দুরন্ত আবেগে)
নাম্নী - জয়তী (যেন তার চক্ষু-মাঝে) নাম্নী - ঝামরী (সে যেন খসিয়া-পড়া তারা) নাম্নী - মুরতি (যে শক্তির নিত্যলীলা নানা বর্ণে আঁকা)
নাম্নী - মালিনী (হাসিমুখ নিয়ে যায় ঘরে ঘরে) নাম্নী - করুণী (তরুলতা) নাম্নী - প্রতিমা (চতুর্দশী এল নেমে)
নাম্নী - নন্দিনী (প্রথম সৃষ্টির ছন্দখানি) নাম্নী - উষসী (ভোরের আগের যে প্রহরে) ছায়ালোক (যেথায় তুমি গুণী জ্ঞানী, যেথায় তুমি মানী)
প্রচ্ছন্না (বিদেশে ওই সৌধশিখর-'পরে) দর্পণ (দর্পণ লইয়া তারে কী প্রশ্ন শুধাও একমনে) ভাবিনী (ভাবিছ যে ভাবনা একা-একা)
একাকী (চন্দ্রমা আকাশতলে পরম একাকী) আশীর্বাদ (জ্বলিল অরুণরশ্মি আজি ওই তরুণ প্রভাতে) নববধূ (চলেছে উজান ঠেলি তরণী তোমার)
পরিণয় (শুভখণ আসে সহসা আলোক জ্বেলে) মিলন (সৃষ্টির প্রাঙ্গণে দেখি বসন্তে অরণ্যে ফুলে ফুলে) বন্দিনী (তুমি বনের পুব পবনের সাথী)
গুপ্তধন (আরো কিছুখন নাহয় বসিয়ো পাশে) প্রত্যাগত (দূরে গিয়েছিলে চলি; বসন্তের আনন্দভাণ্ডার) পুরাতন (যে গান গাহিয়াছিনু কবেকার দক্ষিণ বাতাসে)
ছায়া (আঁখি চাহে তব মুখ-পানে) বাসরঘর (তোমারে ছাড়িয়া যেতে হবে) বিচ্ছেদ (রাত্রি যবে সাঙ্গ হল, দূরে চলিবারে)
বিদায় (কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও) প্রণতি (কত ধৈর্য ধরি) নৈবেদ্য (তোমারে দিই নি সুখ, মুক্তির নৈবেদ্য গেনু রাখি)
অশ্রু (সুন্দর, তুমি চক্ষু ভরিয়া) অন্তর্ধান (তব অন্তর্ধানপটে হেরি তব রূপ চিরন্তন) বিরহ (শঙ্কিত আলোক নিয়ে দিগন্তে উদিল শীর্ণ শশী)
বিদায়সম্বল (যাবার দিকের পথিকের 'পরে) দিনান্তে (বাহিরে তুমি নিলে না মোরে, দিবস গেল বয়ে) অবশেষে (বাহির-পথে বিবাগী হিয়া)
শেষ মধু (বসন্তবায় সন্ন্যাসী হায়) উজ্জীবন (ভস্ম-অপমানশয্যা ছাড়ো পুষ্পধনু)