| ভূমিকা
(শুধায়োনা, কবে কোন্ গান)
| বোধন
(মাঘের সূর্য উত্তরায়ণে)
| বসন্ত
(ওগো বসন্ত, হে ভুবনজয়ী)
|
| বরযাত্রা
(পবন দিগন্তের দুয়ার নাড়ে)
| মাধবী
(বসন্তের জয়রবে)
| বিজয়ী
(বিবশ দিন, বিরস কাজ)
|
| প্রত্যাশা
(প্রাঙ্গণে মোর শিরীষশাখায় ফাগুন মাসে)
| অর্ঘ্য
(সূর্যমুখীর বর্ণে বসন)
| দ্বৈত
(আমি যেন গোধূলিগগন)
|
| সন্ধান
(আমার নয়ন তব নয়নের নিবিড় ছায়ায়)
| উপহার
(মণিমালা হাতে নিয়ে)
| শুভযোগ
(যে সন্ধ্যায় প্রসন্ন লগনে)
|
| মায়া
(চিত্তকোণে ছন্দে তব)
| নির্ঝরিণী
(ঝর্না, তোমার স্ফটিকজলের)
| শুকতারা
(সুন্দরী তুমি শুকতারা)
|
| প্রকাশ
(আচ্ছাদন হতে)
| বরণডালা
(আজি এ নিরালা কুঞ্জে, আমার)
| মুক্তি
(ভোরের পাখি নবীন আঁখিদুটি)
|
| উদ্ঘাত
(অজানা জীবন বাহিনু)
| অসমাপ্ত
(বোলো তারে, বোলো)
| নিবেদন
(অজানা খনির নূতন মণির)
|
| অচেনা
(রে অচেনা, মোর মুষ্টি ছাড়াবি কী ক'রে)
| অপরাজিত
(ফিরাবে তুমি মুখ)
| নির্ভয়
(আমরা দুজনা স্বর্গ-খেলনা)
|
| পথের বাঁধন
(পথ বেঁধে দিল বন্ধনহীন গ্রন্থি)
| দূত
(ছিনু আমি বিষাদে মগনা)
| পরিচয়
(তখন বর্ষণহীন অপরাহ্নমেঘে)
|
| দায়মোচন
(চিরকাল রবে মোর প্রেমের কাঙাল)
| সবলা
(নারীকে আপন ভাগ্য জয় করিবার)
| প্রতীক্ষা
(তোমার প্রত্যাশা লয়ে আছি প্রিয়তমে)
|
| লগ্ন
(প্রথম মিলনদিন, সে কি হবে নিবিড় আষাঢ়ে)
| সাগরিকা
(সাগরজলে সিনান করি সজল এলোচুলে)
| বরণ
(পুরাণে বলেছে)
|
| পথবর্তী
(দূর মন্দিরে সিন্ধুকিনারে)
| মুক্তরূপ
(তোমারে আপন কোণে স্তব্ধ করি যবে)
| স্পর্ধা
(শ্লথপ্রাণ দুর্বলের স্পর্ধা আমি কভু সহিব না)
|
| রাখিপূর্ণিমা
(কাহারে পরাব রাখি যৌবনের রাখিপূর্ণিমায়)
| আহ্বান
(কোথা আছ! ডাকি আমি। শোনো, শোনো, আছে প্রয়োজন)
| বাপী
(একদা বিজনে যুগল তরুর মূলে)
|
| মহুয়া
(বিরক্ত আমার মন কিংশুকের এত গর্ব দেখি)
| দীনা
(তোমারে সম্পূর্ণ জানি হেন মিথ্যা কখনো কহি নি)
| সৃষ্টিরহস্য
(সৃষ্টির রহস্য আমি তোমাতে করেছি অনুভব)
|
| নাম্নী - শামলী
(সে যেন গ্রামের নদী)
| নাম্নী - কাজলী
(প্রচ্ছন্ন দাক্ষিণ্যভারে চিত্ত তার নত)
| নাম্নী - হেঁয়ালী
(যারে সে বেসেছে ভালো তারে সে কাঁদায়)
|
| নাম্নী - খেয়ালী
(মধ্যাহ্নে বিজন বাতায়নে)
| নাম্নী - কাকলী
(কলছন্দে পূর্ণ তার প্রাণ)
| নাম্নী - পিয়ালী
(চাহনি তাহার, সব কোলাহল হ'লে সারা)
|
| নাম্নী - দিয়ালী
(জনতার মাঝে)
| নাম্নী - নাগরী
(ব্যঙ্গসুনিপুণা)
| নাম্নী - সাগরী
(বাহিরে সে দুরন্ত আবেগে)
|
| নাম্নী - জয়তী
(যেন তার চক্ষু-মাঝে)
| নাম্নী - ঝামরী
(সে যেন খসিয়া-পড়া তারা)
| নাম্নী - মুরতি
(যে শক্তির নিত্যলীলা নানা বর্ণে আঁকা)
|
| নাম্নী - মালিনী
(হাসিমুখ নিয়ে যায় ঘরে ঘরে)
| নাম্নী - করুণী
(তরুলতা)
| নাম্নী - প্রতিমা
(চতুর্দশী এল নেমে)
|
| নাম্নী - নন্দিনী
(প্রথম সৃষ্টির ছন্দখানি)
| নাম্নী - উষসী
(ভোরের আগের যে প্রহরে)
| ছায়ালোক
(যেথায় তুমি গুণী জ্ঞানী, যেথায় তুমি মানী)
|
| প্রচ্ছন্না
(বিদেশে ওই সৌধশিখর-'পরে)
| দর্পণ
(দর্পণ লইয়া তারে কী প্রশ্ন শুধাও একমনে)
| ভাবিনী
(ভাবিছ যে ভাবনা একা-একা)
|
| একাকী
(চন্দ্রমা আকাশতলে পরম একাকী)
| আশীর্বাদ
(জ্বলিল অরুণরশ্মি আজি ওই তরুণ প্রভাতে)
| নববধূ
(চলেছে উজান ঠেলি তরণী তোমার)
|
| পরিণয়
(শুভখণ আসে সহসা আলোক জ্বেলে)
| মিলন
(সৃষ্টির প্রাঙ্গণে দেখি বসন্তে অরণ্যে ফুলে ফুলে)
| বন্দিনী
(তুমি বনের পুব পবনের সাথী)
|
| গুপ্তধন
(আরো কিছুখন নাহয় বসিয়ো পাশে)
| প্রত্যাগত
(দূরে গিয়েছিলে চলি; বসন্তের আনন্দভাণ্ডার)
| পুরাতন
(যে গান গাহিয়াছিনু কবেকার দক্ষিণ বাতাসে)
|
| ছায়া
(আঁখি চাহে তব মুখ-পানে)
| বাসরঘর
(তোমারে ছাড়িয়া যেতে হবে)
| বিচ্ছেদ
(রাত্রি যবে সাঙ্গ হল, দূরে চলিবারে)
|
| বিদায়
(কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও)
| প্রণতি
(কত ধৈর্য ধরি)
| নৈবেদ্য
(তোমারে দিই নি সুখ, মুক্তির নৈবেদ্য গেনু রাখি)
|
| অশ্রু
(সুন্দর, তুমি চক্ষু ভরিয়া)
| অন্তর্ধান
(তব অন্তর্ধানপটে হেরি তব রূপ চিরন্তন)
| বিরহ
(শঙ্কিত আলোক নিয়ে দিগন্তে উদিল শীর্ণ শশী)
|
| বিদায়সম্বল
(যাবার দিকের পথিকের 'পরে)
| দিনান্তে
(বাহিরে তুমি নিলে না মোরে, দিবস গেল বয়ে)
| অবশেষে
(বাহির-পথে বিবাগী হিয়া)
|
| শেষ মধু
(বসন্তবায় সন্ন্যাসী হায়)
| উজ্জীবন
(ভস্ম-অপমানশয্যা ছাড়ো পুষ্পধনু)
| |