| অতীতের ছায়া
(মহা-অতীতের সাথে আজ আমি করেছি মিতালি)
| মাটি
(বাঁখারির বেড়া দেওয়া ভূমি; হেথা করি ঘোরাফেরা)
| দুজন
(সূর্যান্তদিগন্ত হতে বর্ণচ্ছটা উঠেছে উচ্ছ্বাসি)
|
| রাত্রিরূপিণী
(হে রাত্রিরূপিণী)
| ধ্যান
(কাল চলে আসিয়াছি, কোনো কথা বলি নি তোমারে)
| কৈশোরিকা
(হে কৈশোরের প্রিয়া)
|
| সত্যরূপ
(অন্ধকারে জানি না কে এল কোথা হতে)
| প্রত্যর্পণ
(কবির রচনা তব মন্দিরে)
| আদিতম
(কে আমার ভাষাহীন অন্তরে)
|
| পাঠিকা
(বহিছে হাওয়া উতল বেগে)
| ছায়াছবি
(একটি দিন পড়িছে মনে মোর)
| নিমন্ত্রণ
(মনে পড়ে, যেন এককালে লিখিতাম)
|
| ছুটির লেখা
(এ লেখা মোর শূন্যদ্বীপের সৈকততীর)
| নাট্যশেষ
(দূর অতীতের পানে পশ্চাতে ফিরিয়া চাহিলাম)
| বিহ্বলতা
(অপরিচিতের দেখা বিকশিত ফুলের উৎসবে)
|
| শ্যামলা
(হে শ্যামলা, চিত্তের গহনে আছ চুপ)
| পোড়োবাড়ি
(সেদিন তোমার মোহ লেগে)
| মৌন
(কেন চুপ করে আছি, কেন কথা নাই)
|
| ভুল
(সহসা তুমি করেছ ভুল গানে)
| ব্যর্থ মিলন
(বুঝিলাম, এ মিলন ঝড়ের মিলন)
| অপরাধিনী
(অপরাধ যদি ক'রে থাকো)
|
| বিচ্ছেদ
(তোমাদের দুজনের মাঝে আছে কল্পনার বাধা)
| বিদ্রোহী
(পর্বতের অন্য প্রান্তে ঝর্ঝরিয়া ঝরে রাত্রিদিন)
| আসন্ন রাতি
(এল আহ্বান, ওরে তুই ত্বরা কর্)
|
| গীতচ্ছবি
(তুমি যবে গান কর অলৌকিক গীতমূর্তি তব)
| ছবি
(একলা বসে, হেরো, তোমার ছবি)
| প্রণতি
(প্রণাম আমি পাঠানু গানে)
|
| উদাসীন
(তোমারে ডাকিনু যবে কুঞ্জবনে)
| দানমহিমা
(নির্ঝরিণী অকারণ অবারণ সুখে)
| ঈষৎ দয়া
(চক্ষে তোমার কিছু বা করুণা ভাসে)
|
| ক্ষণিক
(চৈত্রের রাতে যে মাধবীমঞ্জরী)
| রূপকার
(ওরা কি কিছু বোঝে)
| মেঘমালা
(আসে অবগুণ্ঠিতা প্রভাতের অরুণ দুকূলে)
|
| প্রাণের ডাক
(সুদূর আকাশে ওড়ে চিল)
| দেবদারু
(দেবদারু, তুমি মহাবাণী)
| কবি
(এতদিনে বুঝিলাম, এ হৃদয় মরু না)
|
| ছন্দোমাধুরী
(পাষাণে-বাঁধা কঠোর পথ)
| বিরোধ
(এ সংসারে আছে বহু অপরাধ)
| রাতের দান
(পথের শেষে নিবিয়া আসে আলো)
|
| নব পরিচয়
(জন্ম মোর বহি যবে)
| মরণমাতা
(মরণমাতা, এই যে কচি প্রাণ)
| মাতা
(কুয়াশার জাল)
|
| কাঠবিড়ালি
(কাঠবিড়ালির ছানাদুটি)
| সাঁওতাল মেয়ে
(যায় আসে সাঁওতাল মেয়ে)
| মিলনযাত্রা
(চন্দনধূপের গন্ধ ঠাকুরদালান হতে আসে)
|
| অন্তরতম
(আপন মনে যে কামনার চলেছি পিছু পিছু)
| বনস্পতি
(কোথা হতে পেলে তুমি অতি পুরাতন)
| ভীষণ
(বনস্পতি, তুমি যে ভীষণ)
|
| সন্ন্যাসী
(হে সন্ন্যাসী, হে গম্ভীর, মহেশ্বর)
| হরিণী
(হে হরিণী)
| গোধূলি
(প্রাসাদভবনে নীচের তলায়)
|
| বাধা
(পূর্ণ করি নারী তার জীবনের থালি)
| দুই সখী
(দুজন সখীরে)
| পথিক
(তুমি আছ বসি তোমার ঘরের দ্বারে)
|
| অপ্রকাশ
(মুক্ত হও হে সুন্দরী)
| দুর্ভাগিনী
(তোমার সম্মুখে এসে, দুর্ভাগিনী, দাঁড়াই যখন)
| গরবিনী
(কে গো তুমি গরবিনী, সাবধানে থাকো দূরে দূরে)
|
| প্রলয়
(আকাশের দূরত্ব যে, চোখে তারে দূর বলে জানি)
| কলুষিত
(শ্যামল প্রাণের উৎস হতে)
| অভ্যুদয়
(শত শত লোক চলে)
|
| প্রতীক্ষা
(আজি বরষনমুখরিত)
| নুটু
(ফাল্গুনের পূর্ণিমার আমন্ত্রণ পল্লবে পল্লবে)
| বাদলসন্ধ্যা
(জানি জানি, তুমি এসেছ এ পথে)
|
| জয়ী
(রূপহীন, বর্ণহীন, চিরস্তব্ধ, নাই শব্দ সুর)
| বাদলরাত্রি
(কী বেদনা মোর জানো সে কি তুমি, জানো)
| পত্র
(অবকাশ ঘোরতর অল্প)
|
| অভ্যাগত
(মনে হল যেন পেরিয়ে এলেম)
| মাটিতে-আলোতে
(আরবার কোলে এল শরতের)
| মুক্তি
(জয় করেছিনু মন তাহা বুঝে নাই)
|
| দুঃখী
(দুঃখী তুমি একা)
| মূল্য
(আমি এ পথের ধারে)
| ঋতু-অবসান
(একদা বসন্তে মোর বনশাখে যবে)
|
| নমস্কার
(প্রভু)
| আশ্বিনে
(আকাশ আজিকে নির্মলতম নীল)
| নিঃস্ব
(কী আশা নিয়ে এসেছ হেথা উৎসবের দল)
|
| দেবতা
(দেবতা মানবলোকে ধরা দিতে চায়)
| শেষ
(বহি লয়ে অতীতের সকল বেদনা)
| জাগরণ
(দেহে মনে সুপ্তি যবে করে ভর)
|
| বাণী
(পক্ষে বহিয়া অসীম কালের বার্তা)
| প্রত্যুত্তর
(বেলকুঁড়ি-গাঁথা মালা)
| দিনান্ত
(একাত্তরটি প্রদীপ-শিখা)
|
| যুগল পাখি
(স্বপ্নগগন পথের-চিহ্ন-হীন)
| একাকী
(এল সন্ধ্যা তিমির বিস্তারি)
| জীবনবাণী
(কোন্ বাণী মোর জাগল, যাহা)
|
| যাত্রাশেষে
(বিজন রাতে যদি রে তোর)
| আবেদন
(পশ্চিমের দিক্সীমায় দিনশেষের আলো)
| অচিন মানুষ
(তুমি অচিন মানুষ ছিলে গোপন আপন গহন-তলে)
|
| জন্মদিনে
(তোমার জন্মদিনে আমার)
| পুপুদিদির জন্মদিনে
(যে ছিল মোর ছেলেমানুষ)
| রেশ
(বাঁশরি আনে আকাশ-বাণী)
|