Home > Verses > বীথিকা

বীথিকা

অতীতের ছায়া (মহা-অতীতের সাথে আজ আমি করেছি মিতালি) মাটি (বাঁখারির বেড়া দেওয়া ভূমি; হেথা করি ঘোরাফেরা) দুজন (সূর্যান্তদিগন্ত হতে বর্ণচ্ছটা উঠেছে উচ্ছ্বাসি)
রাত্রিরূপিণী (হে রাত্রিরূপিণী) ধ্যান (কাল চলে আসিয়াছি, কোনো কথা বলি নি তোমারে) কৈশোরিকা (হে কৈশোরের প্রিয়া)
সত্যরূপ (অন্ধকারে জানি না কে এল কোথা হতে) প্রত্যর্পণ (কবির রচনা তব মন্দিরে) আদিতম (কে আমার ভাষাহীন অন্তরে)
পাঠিকা (বহিছে হাওয়া উতল বেগে) ছায়াছবি (একটি দিন পড়িছে মনে মোর) নিমন্ত্রণ (মনে পড়ে, যেন এককালে লিখিতাম)
ছুটির লেখা (এ লেখা মোর শূন্যদ্বীপের সৈকততীর) নাট্যশেষ (দূর অতীতের পানে পশ্চাতে ফিরিয়া চাহিলাম) বিহ্বলতা (অপরিচিতের দেখা বিকশিত ফুলের উৎসবে)
শ্যামলা (হে শ্যামলা, চিত্তের গহনে আছ চুপ) পোড়োবাড়ি (সেদিন তোমার মোহ লেগে) মৌন (কেন চুপ করে আছি, কেন কথা নাই)
ভুল (সহসা তুমি করেছ ভুল গানে) ব্যর্থ মিলন (বুঝিলাম, এ মিলন ঝড়ের মিলন) অপরাধিনী (অপরাধ যদি ক'রে থাকো)
বিচ্ছেদ (তোমাদের দুজনের মাঝে আছে কল্পনার বাধা) বিদ্রোহী (পর্বতের অন্য প্রান্তে ঝর্ঝরিয়া ঝরে রাত্রিদিন) আসন্ন রাতি (এল আহ্বান, ওরে তুই ত্বরা কর্‌)
গীতচ্ছবি (তুমি যবে গান কর অলৌকিক গীতমূর্তি তব) ছবি (একলা বসে, হেরো, তোমার ছবি) প্রণতি (প্রণাম আমি পাঠানু গানে)
উদাসীন (তোমারে ডাকিনু যবে কুঞ্জবনে) দানমহিমা (নির্ঝরিণী অকারণ অবারণ সুখে) ঈষৎ দয়া (চক্ষে তোমার কিছু বা করুণা ভাসে)
ক্ষণিক (চৈত্রের রাতে যে মাধবীমঞ্জরী) রূপকার (ওরা কি কিছু বোঝে) মেঘমালা (আসে অবগুণ্ঠিতা প্রভাতের অরুণ দুকূলে)
প্রাণের ডাক (সুদূর আকাশে ওড়ে চিল) দেবদারু (দেবদারু, তুমি মহাবাণী) কবি (এতদিনে বুঝিলাম, এ হৃদয় মরু না)
ছন্দোমাধুরী (পাষাণে-বাঁধা কঠোর পথ) বিরোধ (এ সংসারে আছে বহু অপরাধ) রাতের দান (পথের শেষে নিবিয়া আসে আলো)
নব পরিচয় (জন্ম মোর বহি যবে) মরণমাতা (মরণমাতা, এই যে কচি প্রাণ) মাতা (কুয়াশার জাল)
কাঠবিড়ালি (কাঠবিড়ালির ছানাদুটি) সাঁওতাল মেয়ে (যায় আসে সাঁওতাল মেয়ে) মিলনযাত্রা (চন্দনধূপের গন্ধ ঠাকুরদালান হতে আসে)
অন্তরতম (আপন মনে যে কামনার চলেছি পিছু পিছু) বনস্পতি (কোথা হতে পেলে তুমি অতি পুরাতন) ভীষণ (বনস্পতি, তুমি যে ভীষণ)
সন্ন্যাসী (হে সন্ন্যাসী, হে গম্ভীর, মহেশ্বর) হরিণী (হে হরিণী) গোধূলি (প্রাসাদভবনে নীচের তলায়)
বাধা (পূর্ণ করি নারী তার জীবনের থালি) দুই সখী (দুজন সখীরে) পথিক (তুমি আছ বসি তোমার ঘরের দ্বারে)
অপ্রকাশ (মুক্ত হও হে সুন্দরী) দুর্ভাগিনী (তোমার সম্মুখে এসে, দুর্ভাগিনী, দাঁড়াই যখন) গরবিনী (কে গো তুমি গরবিনী, সাবধানে থাকো দূরে দূরে)
প্রলয় (আকাশের দূরত্ব যে, চোখে তারে দূর বলে জানি) কলুষিত (শ্যামল প্রাণের উৎস হতে) অভ্যুদয় (শত শত লোক চলে)
প্রতীক্ষা (আজি বরষনমুখরিত) নুটু (ফাল্গুনের পূর্ণিমার আমন্ত্রণ পল্লবে পল্লবে) বাদলসন্ধ্যা (জানি জানি, তুমি এসেছ এ পথে)
জয়ী (রূপহীন, বর্ণহীন, চিরস্তব্ধ, নাই শব্দ সুর) বাদলরাত্রি (কী বেদনা মোর জানো সে কি তুমি, জানো) পত্র (অবকাশ ঘোরতর অল্প)
অভ্যাগত (মনে হল যেন পেরিয়ে এলেম) মাটিতে-আলোতে (আরবার কোলে এল শরতের) মুক্তি (জয় করেছিনু মন তাহা বুঝে নাই)
দুঃখী (দুঃখী তুমি একা) মূল্য (আমি এ পথের ধারে) ঋতু-অবসান (একদা বসন্তে মোর বনশাখে যবে)
নমস্কার (প্রভু) আশ্বিনে (আকাশ আজিকে নির্মলতম নীল) নিঃস্ব (কী আশা নিয়ে এসেছ হেথা উৎসবের দল)
দেবতা (দেবতা মানবলোকে ধরা দিতে চায়) শেষ (বহি লয়ে অতীতের সকল বেদনা) জাগরণ (দেহে মনে সুপ্তি যবে করে ভর)
বাণী (পক্ষে বহিয়া অসীম কালের বার্তা) প্রত্যুত্তর (বেলকুঁড়ি-গাঁথা মালা) দিনান্ত (একাত্তরটি প্রদীপ-শিখা)
যুগল পাখি (স্বপ্নগগন পথের-চিহ্ন-হীন) একাকী (এল সন্ধ্যা তিমির বিস্তারি) জীবনবাণী (কোন্‌ বাণী মোর জাগল, যাহা)
যাত্রাশেষে (বিজন রাতে যদি রে তোর) আবেদন (পশ্চিমের দিক্‌সীমায় দিনশেষের আলো) অচিন মানুষ (তুমি অচিন মানুষ ছিলে গোপন আপন গহন-তলে)
জন্মদিনে (তোমার জন্মদিনে আমার) পুপুদিদির জন্মদিনে (যে ছিল মোর ছেলেমানুষ) রেশ (বাঁশরি আনে আকাশ-বাণী)