Home > Verses > রোগশয্যায়

রোগশয্যায়

ভূমিকা (বিশ্বের আরোগ্যলক্ষ্মী জীবনের অন্তঃপুরে যাঁর) ১ (সুরলোকে নৃত্যের উৎসবে) ২ (অনিঃশেষ প্রাণ)
৩ (একা বসে আছি হেথায়) ৪ (অজস্র দিনের আলো) ৫ (এই মহাবিশ্বতলে)
৬ (ওগো আমার ভোরের চড়ুই পাখি) ৭ (গহন রজনী-মাঝে) ৮ (মনে হয় হেমন্তের দুর্ভাষার কুজ্ঝটিকা-পানে)
৯ (হে প্রাচীন তমস্বিনী) ১০ (আমার দিনের শেষ ছায়াটুকু) ১১ (জগতের মাঝখানে যুগে যুগে হইতেছে জমা)
১২ (সকাল বেলায় উঠেই দেখি চেয়ে) ১৩ (দীর্ঘ দুঃখরাত্রি যদি) ১৪ (নদীর একটা কোণে শুষ্ক মরা ডাল)
১৫ (অসুস্থ শরীরখানা) ১৬ (অবসন্ন আলোকের) ১৭ (কখন ঘুমিয়েছিনু)
১৮ (সংসারের নানা ক্ষেত্রে নানা কর্মে বিক্ষিপ্ত চেতনা) ১৯ (সজীব খেলনা যদি) ২০ (রোগদুঃখ রজনীর নীরন্ধ্র আঁধারে)
২১ (সকালে জাগিয়া উঠি) ২২ (মধ্যদিনে আধো ঘুমে আধো জাগরণে) ২৩ (আরোগ্যের পথে)
২৪ (প্রত্যুষে দেখিনু আজ নির্মল আলোকে) ২৫ (জীবনের দুঃখে শোকে তাপে) ২৬ (আমার কীর্তিরে আমি করি না বিশ্বাস)
২৭ (খুলে দাও দ্বার) ২৮ (যে চৈতন্যজ্যোতি) ২৯ (দুঃসহ দুঃখের বেড়াজালে)
৩০ (সৃষ্টির চলেছে খেলা) ৩১ (আজিকার অরণ্যসভারে) ৩২ (প্রভাতে প্রভাতে পাই আলোকের প্রসন্ন পরশে)
৩৩ (বহুকাল আগে তুমি দিয়েছিলে একগুচ্ছ ধূপ) ৩৪ (যখন বীণায় মোর আনমনা সুরে) ৩৫ (যেমন ঝড়ের পরে)
৩৬ (যাহা-কিছু চেয়েছিনু একান্ত আগ্রহে) ৩৭ (ধূসর গোধূলিলগ্নে সহসা দেখিনু একদিন) ৩৮ (ধর্মরাজ দিল যবে ধ্বংসের আদেশ)
৩৯ (তোমারে দেখি না যবে মনে হয় আর্ত কল্পনায়) সংযোজন - ১ (যারা বিহান-বেলায় গান এনেছিল) সংযোজন - ২ (পাখি, তোর সুর ভুলিস নে)