Home > Verses > স্ফুলিঙ্গ

স্ফুলিঙ্গ

১ (অজানা ভাষা দিয়ে) ২ (অতিথি ছিলাম যে বনে সেথায়) ৩ (অত্যাচারীর বিজয়তোরণ)
৪ (অনিত্যের যত আবর্জনা) ৫ (অনেক তিয়াষে করেছি ভ্রমণ) ৬ (অনেক মালা গেঁথেছি মোর)
৭ (অন্ধকারের পার হতে আনি) ৮ (অন্নহারা গৃহহারা চায় ঊর্ধ্বপানে) ৯ (অন্নের লাগি মাঠে)
১০ (অপরাজিতা ফুটিল) ১১ (অপাকা কঠিন ফলের মতন) ১২ (অবসান হল রাতি)
১৩ (অবোধ হিয়া বুঝে না বোঝে) ১৪ (অমলধারা ঝরনা যেমন) ১৫ (অস্তরবিরে দিল মেঘমালা)
১৬ (আকাশে ছড়ায়ে বাণী) ১৭ (আকাশে যুগল তারা) ১৮ (আকাশে সোনার মেঘ)
১৯ (আকাশের আলো মাটির তলায়) ২০ (আকাশের চুম্বনবৃষ্টিরে) ২১ (আগুন জ্বলিত যবে)
২২ (আজ গড়ি খেলাঘর) ২৩ (আঁধার নিশার) ২৪ (আপন শোভার মূল্য)
২৫ (আপনার রুদ্ধদ্বার-মাঝে) ২৬ (আপনারে দীপ করি জ্বালো) ২৭ (আপনারে নিবেদন)
২৮ (আপনি ফুল লুকায়ে বনছায়ে) ২৯ (আমি অতি পুরাতন) ৩০ (আমি বেসেছিলেম ভালো)
৩১ (আয় রে বসন্ত, হেথা) ৩২ (আলো আসে দিনে দিনে) ৩৩ (আলো তার পদচিহ্ন)
৩৪ (আশার আলোকে) ৩৫ (আসা-যাওয়ার পথ চলেছে) ৩৬ (ঈশ্বরের হাস্যমুখ দেখিবারে পাই)
৩৭ (ঊর্মি, তুমি চঞ্চলা) ৩৮ (এই যেন ভক্তের মন) ৩৯ (এই সে পরম মূল্য)
৪০ (এক যে আছে বুড়ি) ৪১ (এখনো অঙ্কুর যাহা) ৪২ (এমন মানুষ আছে)
৪৩ (এসেছিনু নিয়ে শুধু আশা) ৪৪ (এসো মোর কাছে) ৪৫ (ওগো তারা,জাগাইয়ো ভোরে)
৪৬ (ওড়ার আনন্দে পাখি) ৪৭ (কঠিন পাথর কাটি) ৪৮ (কথা চাই কথা চাই হাঁকে)
৪৯ (কমল ফুটে অগম জলে) ৫০ (কল্লোলমুখর দিন) ৫১ (কহিল তারা, জ্বালিব আলোখানি)
৫২ (কাছে থাকি যবে) ৫৩ (কাছের রাতি দেখিতে পাই) ৫৪ (কাঁটার সংখ্যা)
৫৫ (কালো মেঘ আকাশের তারাদের ঢেকে) ৫৬ (কী পাই, কী জমা করি) ৫৭ (কী যে কোথা হেথা-হোথা যায় ছড়াছড়ি)
৫৮ (কীর্তি যত গড়ে তুলি) ৫৯ (কুসুমের শোভা) ৬০ (কোথায় আকাশ)
৬১ (কোন্‌ খ'সে-পড়া তারা) ৬২ (ক্লান্ত মোর লেখনীর) ৬৩ (ক্ষণকালের গীতি)
৬৪ (ক্ষণিক ধ্বনির স্বত-উচ্ছাসে) ৬৫ (ক্ষুদ্র-আপন - মাঝে) ৬৬ (ক্ষুভিত সাগরে নিভৃত তরীর গেহ)
৬৭ (গত দিবসের ব্যর্থ প্রাণের) ৬৮ (গাছ দেয় ফল) ৬৯ (গাছগুলি মুছে-ফেলা)
৭০ (গাছের কথা মনে রাখি) ৭১ (গাছের পাতায় লেখন লেখে) ৭২ (গানখানি মোর দিনু উপহার)
৭৩ (গিরিবক্ষ হতে আজি) ৭৪ (গোঁড়ামি সত্যেরে চায়) ৭৫ (ঘড়িতে দম দাও নি তুমি মূলে)
৭৬ (ঘন কাঠিন্য রচিয়া শিলাস্তূপে) ৭৭ (চলার পথের যত বাধা) ৭৮ (চলিতে চলিতে চরণে উছলে)
৭৯ (চলে যাবে সত্তারূপ) ৮০ (চাও যদি সত্যরূপে) ৮১ (চাঁদিনী রাত্রি, তুমি তো যাত্রী)
৮২ (চাঁদেরে করিতে বন্দী) ৮৩ (চাষের সময়ে) ৮৪ (চাহিছ বারে বারে)
৮৫ (চাহিছে কীট মৌমাছির) ৮৬ (চৈত্রের সেতারে বাজে) ৮৭ (চোখ হতে চোখে)
৮৮ (জন্মদিন আসে বারে বারে) ৮৯ (জানার বাঁশি হাতে নিয়ে) ৯০ (জাপান, তোমার সিন্ধু অধীর)
৯১ (জীবনদেবতা তব) ৯২ (জীবনযাত্রার পথে) ৯৩ (জীবনরহস্য যায়)
৯৪ (জীবনে তব প্রভাত এল) ৯৫ (জীবনের দীপে তব) ৯৬ (জ্বালো নবজীবনের)
৯৭ (ঝরনা উথলে ধরার হৃদয় হতে) ৯৮ (ডালিতে দেখেছি তব) ৯৯ (ডুবারি যে সে কেবল)
১০০ (তপনের পানে চেয়ে) ১০১ (তব চিত্তগগনের) ১০২ (তরঙ্গের বাণী সিন্ধু)
১০৩ (তারাগুলি সারারাতি) ১০৪ (তুমি বসন্তের পাখি বনের ছায়ারে) ১০৫ (তুমি বাঁধছ নূতন বাসা)
১০৬ (তুমি যে তুমিই, ওগো) ১০৭ (তোমার মঙ্গলকার্য) ১০৮ (তোমার সঙ্গে আমার মিলন)
১০৯ (তোমারে হেরিয়া চোখে) ১১০ (দিগন্তে ওই বৃষ্টিহারা) ১১১ (দিগন্তে পথিক মেঘ)
১১২ (দিগ্‌বলয়ে) ১১৩ (দিনের আলো নামে যখন) ১১৪ (দিনের প্রহরগুলি হয়ে গেল পার)
১১৫ (দিবসরজনী তন্দ্রাবিহীন) ১১৬ (দুই পারে দুই কূলের আকুল প্রাণ) ১১৭ (দুঃখ এড়াবার আশা)
১১৮ (দুঃখশিখার প্রদীপ জ্বেলে) ১১৯ (দুখের দশা শ্রাবণরাতি) ১২০ (দূর সাগরের পারের পবন)
১২১ (দোয়াতখানা উলটি ফেলি) ১২২ (ধরণীর খেলা খুঁজে) ১২৩ (নববর্ষ এল আজি)
১২৪ (না চেয়ে না পেলে তার যত দায়) ১২৫ (নিমীলনয়ন ভোর-বেলাকার) ১২৬ (নিরুদ্যম অবকাশ শূন্য শুধু)
১২৭ (নূতন জন্মদিনে) ১২৮ (নূতন যুগের প্রত্যুষে কোন্‌) ১২৯ (নূতন সে পলে পলে)
১৩০ (পদ্মের পাতা পেতে আছে অঞ্জলি) ১৩১ (পরিচিত সীমানার) ১৩২ (পশ্চিমে রবির দিন)
১৩৩ (পাখি যবে গাহে গান) ১৩৪ (পায়ে চলার বেগে) ১৩৫ (পাষাণে পাষাণে তব শিখরে শিখরে)
১৩৬ (পুরানো কালের কলম লইয়া হাতে) ১৩৭ (পুষ্পের মুকুল) ১৩৮ (পেয়েছি যে-সব ধন)
১৩৯ (প্রথম আলোর আভাস লাগিল গগনে) ১৪০ (প্রভাতরবির ছবি আঁকে ধরা) ১৪১ (প্রভাতের ফুল ফুটিয়া উঠুক)
১৪২ (প্রেমের আদিম জ্যোতি আকাশে সঞ্চরে) ১৪৩ (প্রেমের আনন্দ থাকে) ১৪৪ (ফাগুন এল দ্বারে)
১৪৫ (ফাগুন কাননে অবতীর্ণ) ১৪৬ (ফুল কোথা থাকে গোপনে) ১৪৭ (ফুল ছিঁড়ে লয়)
১৪৮ (ফুলের অক্ষরে প্রেম) ১৪৯ (ফুলের কলিকা প্রভাতরবির) ১৫০ (বইল বাতাস)
১৫১ (বউ কথা কও বউ কথা কও) ১৫২ (বড়ো কাজ নিজে বহে) ১৫৩ (বড়োই সহজ)
১৫৪ (বরষার রাতে জলের আঘাতে) ১৫৫ (বরষে বরষে শিউলিতলায়) ১৫৬ (বর্ষণগৌরব তার)
১৫৭ (বসন্ত, আনো মলয়সমীর) ১৫৮ (বসন্ত, দাও আনি) ১৫৯ (বসন্ত পাঠায় দূত)
১৬০ (বসন্ত যে লেখা লেখে) ১৬১ (বসন্তের আসরে ঝড়) ১৬২ (বসন্তের হাওয়া যবে অরণ্য মাতায়)
১৬৩ (বস্তুতে রয় রূপের বাঁধন) ১৬৪ (বহু দিন ধ'রে বহু ক্রোশ দূরে) ১৬৫ (বাতাস শুধায়, বলো তো, কমল)
১৬৬ (বাতাসে তাহার প্রথম পাপড়ি) ১৬৭ (বাতাসে নিবিলে দীপ) ১৬৮ (বায়ু চাহে মুক্তি দিতে)
১৬৯ (বাহির হতে বহিয়া আনি) ১৭০ (বাহিরে বস্তুর বোঝা) ১৭১ (বাহিরে যাহারে খুঁজেছিনু দ্বারে দ্বারে)
১৭২ (বিকেলবেলার দিনান্তে মোর) ১৭৩ (বিচলিত কেন মাধবীশাখা) ১৭৪ (বিদায়রথের ধ্বনি)
১৭৫ (বিধাতা দিলেন মান) ১৭৬ (বিমল আলোকে আকাশ সাজিবে) ১৭৭ (বিশ্বের হৃদয়-মাঝে)
১৭৮ (বুদ্ধির আকাশ যবে সত্যে সমুজ্জ্বল) ১৭৯ (বেছে লব সব-সেরা) ১৮০ (বেদনা দিবে যত)
১৮১ (বেদনার অশ্রু-ঊর্মিগুলি) ১৮২ (ভজনমন্দিরে তব) ১৮৩ (ভেসে-যাওয়া ফুল)
১৮৪ (ভোলানাথের খেলার তরে) ১৮৫ (মনের আকাশে তার) ১৮৬ (মর্তজীবনের)
১৮৭ (মাটিতে দুর্ভাগার) ১৮৮ (মাটিতে মিশিল মাটি) ১৮৯ (মান অপমান উপেক্ষা করি দাঁড়াও)
১৯০ (মানুষেরে করিবারে স্তব) ১৯১ (মিছে ডাকো--মন বলে, আজ না) ১৯২ (মিলন-সুলগনে)
১৯৩ (মুকুলের বক্ষোমাঝে) ১৯৪ (মুক্ত যে ভাবনা মোর) ১৯৫ (মুহূর্ত মিলায়ে যায়)
১৯৬ (মৃতেরে যতই করি স্ফীত) ১৯৭ (মৃত্তিকা খোরাকি দিয়ে) ১৯৮ (মৃত্যু দিয়ে যে প্রাণের)
১৯৯ (যখন গগনতলে) ২০০ (যখন ছিলেম পথেরই মাঝখানে) ২০১ (যত বড়ো হোক ইন্দ্রধনু সে)
২০২ (যা পায় সকলই জমা করে) ২০৩ (যা রাখি আমার তরে) ২০৪ (যাওয়া-আসার একই যে পথ)
২০৫ (যুগে যুগে জলে রৌদ্রে বায়ুতে) ২০৬ (যে আঁধারে ভাইকে দেখিতে নাহি পায়) ২০৭ (যে করে ধর্মের নামে)
২০৮ (যে ছবিতে ফোটে নাই) ২০৯ (যে ঝুম্‌কোফুল ফোটে পথের ধারে) ২১০ (যে তারা আমার তারা)
২১১ (যে ফুল এখনো কুঁড়ি) ২১২ (যে বন্ধুরে আজও দেখি নাই) ২১৩ (যে ব্যথা ভুলিয়া গেছি)
২১৪ (যে ব্যথা ভুলেছে আপনার ইতিহাস) ২১৫ (যে যায় তাহারে আর) ২১৬ (যে রত্ন সবার সেরা)
২১৭ (রজনী প্রভাত হল) ২১৮ (রাখি যাহা তার বোঝা) ২১৯ (রাতের বাদল মাতে)
২২০ (রূপে ও অরূপে গাঁথা) ২২১ (লুকায়ে আছেন যিনি) ২২২ (লুপ্ত পথের পুষ্পিত তৃণগুলি)
২২৩ (লেখে স্বর্গে মর্তে মিলে) ২২৪ (শরতে শিশিরবাতাস লেগে) ২২৫ (শিকড় ভাবে, সেয়ানা আমি)
২২৬ (শূন্য ঝুলি নিয়ে হায়) ২২৭ (শূন্য পাতার অন্তরালে) ২২৮ (শেষ বসন্তরাত্রে)
২২৯ (শ্যামলঘন বকুলবন) ২৩০ (শ্রাবণের কালো ছায়া) ২৩১ (সখার কাছেতে প্রেম)
২৩২ (সংসারেতে দারুণ ব্যথা) ২৩৩ (সত্যেরে যে জানে, তারে) ২৩৪ (সন্ধ্যাদীপ মনে দেয় আনি)
২৩৫ (সন্ধ্যারবি মেঘে দেয়) ২৩৬ (সফলতা লভি যবে) ২৩৭ (সব-কিছু জড়ো ক'রে)
২৩৮ (সব চেয়ে ভক্তি যার) ২৩৯ (সময় আসন্ন হলে) ২৪০ (সারা রাত তারা)
২৪১ (সিদ্ধিপারে গেলেন যাত্রী) ২৪২ (সুখেতে আসক্তি যার) ২৪৩ (সুন্দরের কোন্‌ মন্ত্রে)
২৪৪ (সে লড়াই ঈশ্বরের বিরুদ্ধে লড়াই) ২৪৫ (সেই আমাদের দেশের পদ্ম) ২৪৬ (সেতারের তারে)
২৪৭ (সোনায় রাঙায় মাখামাখি) ২৪৮ (স্তব্ধ যাহা পথপার্শ্বে, অচৈতন্য, যা রহে না জেগে) ২৪৯ (স্তব্ধতা উচ্ছ্বসি উঠে গিরিশৃঙ্গরূপে)
২৫০ (স্নিগ্ধ মেঘ তীব্র তপ্ত) ২৫১ (স্মৃতিকাপালিনী পূজারতা, একমনা) ২৫২ (হাসিমুখে শুকতারা)
২৫৩ (হিমাদ্রির ধ্যানে যাহা) ২৫৪ (হে উষা, নিঃশব্দে এসো) ২৫৫ (হে তরু, এ ধরাতলে)
২৫৬ (হে পাখি, চলেছ ছাড়ি) ২৫৭ (হে প্রিয়, দুঃখের বেশে) ২৫৮ (হে বনস্পতি, যে বাণী ফুটিছে)
২৫৯ (হে সুন্দর, খোলো তব নন্দনের দ্বার) ২৬০ (হেলাভরে ধুলার 'পরে)