১১    


কালের প্রবল আবর্তে প্রতিহত

ফেনপুঞ্জের মতো,

আলোকে আঁধারে রঞ্জিত এই মায়া,

অদেহ ধরিল কায়া।

সত্তা আমার,জানি না, সে কোথা হতে

হল উত্থিত নিত্যধাবিত স্রোতে।

সহসা অভাবনীয়

অদৃশ্য এক আরম্ভ-মাঝে কেন্দ্র রচিল স্বীয়।

বিশ্বসত্তা মাঝখানে দিল উঁকি,

এ কৌতুকের পশ্চাতে আছে জানি না কে কৌতুকী।

ক্ষণিকারে নিয়ে অসীমের এই খেলা,

নববিকাশের সাথে গেঁথে দেয় শেষ-বিনাশের হেলা,

আলোকে কালের মৃদঙ্গ উঠে বেজে,

গোপনে ক্ষণিকা দেখা দিতে আসে মুখ-ঢাকা বধূ সেজে,

গলায় পরিয়া হার

বুদ্‌বুদ্‌ মণিকার।

সৃষ্টির মাঝে আসন করে সে লাভ,

অনন্ত তারে অন্তসীমায় জানায় অবির্ভাব।

 

 

  মংপু, ২ মে, ১৯৪০