আরো চাই যে, আরো চাই গো-- আরো যে চাই। ভাণ্ডারী যে সুধা আমায় বিতরে নাই ॥ সকালবেলার আলোয় ভরা এই-যে আকাশ বসুন্ধরা এরে আমার জীবন-মাঝে কুড়ানো চাই-- সকল ধন যে বাইরে আমার, ভিতরে নাই ॥ প্রাণের বীণায় আরো আঘাত, আরো যে চাই। গুণীর পরশ পেয়ে সে যে শিহরে নাই। দিনরজনীর বাঁশি পূরে যে গান বাজে অসীম সুরে তারে আমার প্রাণের তারে বাজানো চাই। আপন গান যে দূরে তাহার, নিয়ড়ে নাই ॥
বর্ষণমন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি তোমারি এ দ্বারে, পথিকেরে লহো ডাকি তব মন্দিরের এক ধারে॥ বনপথ হতে, সুন্দরী, এনেছি মল্লিকামঞ্জলী-- তুমি লবে নিজ বেণীবন্ধে মনে রেখেছি এ দুরাশারে॥ কোনো কথা নাহি ব'লে ধীরে ধীরে ফিরে যাব চলে। ঝিল্লিঝঙ্কৃত নিশীথে পথে যেতে বাঁশরিতে শেষ গান পাঠাব তোমা-পানে শেষ উপহারে॥