I.82. pani vic min piyasi I LAUGH WHEN I hear that the fish in the water is thirsty: You do not see that the Real is in your home, and you wander from forest to forest listlessly! Here is the truth! Go where you will, to Benares or to Mathura; if you do not find your soul, the world is unreal to you.
জগতের মাঝখানে যুগে যুগে হইতেছে জমা সুতীব্র অক্ষমা। অগোচরে কোনোখানে একটি রেখার হলে ভুল দীর্ঘকালে অকস্মাৎ আপনারে করে সে নির্মূল। ভিত্তি যার ধ্রুব বলে হয়েছিল মনে তলে তার ভূমিকম্প টলে ওঠে প্রলয়নর্তনে। প্রাণী কত এসেছিল দলে দলে জীবনের রঙ্গভূমে অপর্যাপ্ত শক্তির সম্বলে-- সে শক্তিই ভ্রম তার, ক্রমেই অসহ্য হয়ে লুপ্ত করে দেয় মহাভার। কেহ নাহি জানে, এ বিশ্বের কোন্খানে প্রতি ক্ষণে জমা দারুণ অক্ষমা। দৃষ্টির অতীত ত্রুটি করিয়া ভেদন সম্বন্ধের দৃঢ় সূত্র করিছে ছেদন; ইঙ্গিতের স্ফুলিঙ্গের ভ্রম পশ্চাতে ফেরার পথ চিরতরে করিছে দুর্গম। দারুণ ভাঙন এ যে পূর্ণেরই আদেশে; কী অপূর্ব সৃষ্টি তার দেখা দিবে শেষে-- গুঁড়াবে অবাধ্য মাটি, বাধা হবে দূর, বহিয়া নূতন প্রাণ উঠিবে অঙ্কুর। হে অক্ষমা, সৃষ্টির বিধানে তুমি শক্তি যে পরমা; শান্তির পথের কাঁটা তব পদপাতে বিদলিত হয়ে যায় বারবার আঘাতে আঘাতে।
১ স্তব্ধরাতে একদিন নিদ্রাহীন আবেগের আন্দোলনে তুমি বলেছিলে নতশিরে অশ্রুনীরে ধীরে মোর করতল চুমি-- "তুমি দূরে যাও যদি, নিরবধি শূন্যতার সীমাশূন্য ভারে সমস্ত ভুবন মম মরুসম রুক্ষ হয়ে যাবে একেবারে। আকাশবিস্তীর্ণ ক্লান্তি সব শান্তি চিত্ত হতে করিবে হরণ-- নিরানন্দ নিরালোক স্তব্ধ শোক মরণের অধিক মরণ।' ২ শুনে, তোর মুখখানি বক্ষে আনি বলেছিনু তোরে কানে কানে-- "তুই যদি যাস দূরে তোরি সুরে বেদনা-বিদ্যুৎ গানে গানে ঝলিয়া উঠিবে নিত্য, মোর চিত্ত সচকিবে আলোকে আলোকে। বিরহ বিচিত্র খেলা সারা বেলা পাতিবে আমার বক্ষে চোখে। তুমি খুঁজে পাবে প্রিয়ে, দূরে গিয়ে মর্মের নিকটতম দ্বার-- আমার ভুবনে তবে পূর্ণ হবে তোমার চরম অধিকার।' ৩ দুজনের সেই বাণী কানাকানি, শুনেছিল সপ্তর্ষির তারা; রজনীগন্ধার বনে ক্ষণে ক্ষণে বহে গেল সে বাণীর ধারা। তার পরে চুপে চুপে মৃত্যু রূপে মধ্যে এল বিচ্ছেদ অপার। দেখাশুনা হল সারা, স্পর্শহারা সে অনন্তে বাক্য নাহি আর। তবু শূন্য শূন্য নয়, ব্যথাময় অগ্নিবাষ্পে পূর্ণ সে গগন। একা-একা সে অগ্নিতে দীপ্তগীতে সৃষ্টি করি স্বপ্নের ভুবন।