আজ জ্যোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে বসন্তের এই মাতাল সমীরণে। যাব না গো যাব না যে, থাকব পড়ে ঘরের মাঝে, এই নিরালায় রব আপন কোণে। যাব না এই মাতাল সমীরণে। আমার এ ঘর বহু যতন ক'রে ধুতে হবে মুছতে হবে মোরে। আমারে যে জাগতে হবে, কী জানি সে আসবে কবে যদি আমায় পড়ে তাহার মনে। যাব না এই মাতাল সমীরণে।
সন্ধ্যাসূর্যের প্রতি আমার এ গান তুমি যাও সাথে করে নূতন সাগরতীরে দিবসের পানে। সায়াহ্নের কূল হতে যদি ঘুমঘোরে এ গান উষার কূলে পশে কারো কানে, সারা রাত্রি নিশীথের সাগর বাহিয়া স্বপনের পরপারে যদি ভেসে যায়, প্রভাত-পাখিরা যবি উঠিবে গাহিয়া আমার এ গান তারা যদি খুঁজে পায়। গোধূলির তীরে বসে কেঁদেছে যে জন, ফেলেছে আকাশে চেয়ে অশ্রুজল কত, তার অশ্রু পড়িবে কি হইয়া নূতন নবপ্রভাতের মাঝে শিশিরের মতো। সায়াহ্নের কুঁড়িগুলি আপনা টুটিয়া প্রভাতে কি ফুল হয়ে উঠে না ফুটিয়া।
ঘোষালের বক্তৃতা করা কর্তব্যই, বেঞ্চি চৌকি আদি আছে সব দ্রব্যই। মাতৃভূমির লাগি পাড়া ঘুরে মরেছে, একশো টিকিট বিলি নিজ হাতে করেছে। চোখ বুজে ভাবে, বুঝি এল সব সভ্যই। চোখ চেয়ে দেখে, বাকি শুধু নিরেনব্বই।