Home
verses
songs
novels
stories
plays
essays
others
Problem in Viewing Bengali ?
Home
>
Songs
>
নাট্যগীতি
নাট্যগীতি
জ্বল জ্বল চিতা, দ্বিগুণ দ্বিগুণ
হৃদয়ে রাখো গো, দেবী, চরণ তোমার
নীরব রজনী দেখো মগ্ন জোছনায়
ক্ষমা করো মোরে, সখি
সখী, আর কত দিন, সুখহীন শান্তিহীন
কত দিন একসাথে ছিনু ঘুমঘোরে
নাচ, শ্যামা, তালে তালে
বিপাশার তীরে ভ্রমিবারে যাই
খেলা কর্-- খেলা কর্
আঁধার শাখা উজল করি
সখী, ভাবনা কাহারে বলে
কাছে তার যাই যদি
যে ভালোবাসুক সে ভালোবাসুক
কে তুমি গো খুলিয়াছ স্বর্গের দুয়ার
কিছুই ত হল না
কী করিব বলো সখা
না সখা মনের ব্যথা
বুঝেছি বুঝেছি সখা
তুই রে বসন্ত সমীরণ
বসন্ত-প্রভাতে এক মালতীর ফুল
তরুতলে ছিন্নবৃন্ত মালতীর ফুল
যোগী হে, কে তুমি হৃদি-আসনে
ভিক্ষে দে গো, ভিক্ষে দে
আয় রে আয় রে সাঁঝের
প্রিয়ে তোমার ঢেঁকি হলে
কথা কোস নে লো রাই
ওই জানালার কাছে বসে আছে
সাধ করে কেন, সখা, ঘটাবে গেরো
ধীরে ধীরে প্রাণ আমার
তুমি আছ কোন পাড়া
দেখো ওই কে এসেছে
ভালো যদি বাস সখী
ও কেন ভালোবাসা জানাতে আসে
ভালোবাসিলে যদি সে
হা, কে বলে দেবে
কেন রে চাস ফিরে ফিরে
প্রমোদে ঢালিয়া দিনু মন
সখা, সাধিতে সাধাতে কত সুখ
এত ফুল কে ফোটালে কাননে
আমাদের সখীরে কে নিয়ে যাবে রে
কোথা ছিলি সজনী লো
ও কী কোথা বল, সখী
মধুর মিলন
মা, একবার দাঁড়া গো হেরি
মা আমার, কেন তোরে ম্লান নেহারি
ওই আঁখিরে
আজ আসবে শ্যাম গোকুলে ফিরে
রাজ-অধিকার, তব ভালে জয়মালা
ঝর ঝর রক্ত ঝরে
উলঙ্গিনী নাচে রণরঙ্গে
থাকতে আর তো পারলি নে মা
খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে
একদা প্রাতে কুঞ্জতলে
কেন নিবে গেল বাতি
তুমি পড়িতেছ হেসে
আজি উন্মাদ মধুনিশি, ওগো
সে আসি কহিল, প্রিয়ে
এ কি সত্য সকলই সত্য
এবার চলিনু তবে
বন্ধু, কিসের তরে অশ্রু ঝরে
ভাঙ্গা দেউলের দেবতা
যদি জোটে রোজ
অভয় দাও তো বলি আমার wish কি
কত কাল রবে বল ভারত রে
কী জানি কী ভেবেছ মনে
পাছে চেয়ে বসে আমার মন
বড়ো থাকি কাছাকাছি
যারে মরণদশায় ধরে
দেখব কে তোর কাছে আসে
তুমি আমায় করবে মস্ত লোক
চির-পুরানো চাঁদ
স্বর্গে তোমায় নিয়ে যাবে উড়িয়ে
ভুলে ভুলে আজ ভুলময়
সকলি ভুলেছে ভোলা মন
পোড়া মনে শুধু পোড়া মুখখানি জাগে রে
বিরহে মরিব বলে
কার হাতে যে ধরা দেব প্রাণ
ওগো হৃদয়বনের শিকারী
ওগো দয়াময়ী চোর
চলেছে ছুটিয়া পলাতকা হিয়া
আমি কেবল ফুল জোগাব
মনোমন্দিরসুন্দরী
তোমার কটি-তটের ধটি
রাজরাজেন্দ্র জয় জয়তু জয় হে
আমরা বসবো তোমার সনে
বঁধুয়া, অসময়ে কেন হে প্রকাশ
কবরীতে ফুল শুকালো
মলিন মুখে ফুটুক হাসি
ওর মানের এ বাঁধ টুটবে না কি
আজ আমার আনন্দ দেখে কে
আর কি আমি ছাড়ব তোরে
যেখানে রূপের প্রভা নয়ন-লোভা
এই একলা মোদের হাজার মানুষ
বাজে রে, বাজে রে ওই
মোরা চলব না
পথে যেতে তোমার সাথে
আমার নিকড়িয়া-রসের রসিক
যখন দেখা দাও নি রাধা
বঁধুর লাগি কেশে আমি পরব এমন ফুল
মধুঋতু নিত্য হয়ে রইল তোমার
ও তো আর ফিরবে না রে
বাজে রে বাজে ডমরু বাজে
আমার মনের বাঁধন ঘুচে যাবে যদি
এতদিন পরে মোরে
নূতন পথের পথিক হয়ে আসে
কাজ ভোলাবার কে গো তোরা
শেষ ফলনের ফসল এবার
বাঁধন কেন ভূষণ-বেশে
দয়া করো, দয়া করো প্রভু
জয় জয় জয় হে জয় জ্যোতির্ময়
বাজো রে বাঁশরী, বাজো
তোমায় সাজাব যতনে
নমো নমো সচীচিতরঞ্জন
নহ মাতা, নহ কন্যা, নহ বধু
প্রহরশেষের আলোয় রাঙা
বলেছিল "ধরা দেব না"
গুরুপদে মন করো অর্পণ
শোন্ রে শোন, অবোধ মন
জয় জয় তাসবংশ-অবতংস
তোলন-নামন পিছন-সামন
আমরা চিত্র অতি বিচিত্র
চিঁড়েতন হর্তন ইস্কাবন
চলো নিয়মমতে
হা-আ-আ-আই
হাঁচ্ছঃ !-ভয় কী দেখাচ্ছ
ইচ্ছে! - ইচ্ছে
আমরা দূর আকাশের নেশায় মাতাল
বাহির হলেম আমি আপন
শুনি ওই রুনুঝুনু
এই তো ভরা হল ফুলে ফুলে
সুরের জালে কে জড়ালে আমার মন
কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার
অসুন্দরের পরম বেদনায়