Home > Verses > শিশু

শিশু

ভূমিকা (জগৎ-পারাবারের তীরে) জন্মকথা (খোকা মাকে শুধায় ডেকে) খেলা (তোমার কটি-তটের ধটি)
খোকা (খোকার চোখে যে ঘুম আসে) ঘুমচোরা (কে নিল খোকার ঘুম হরিয়া) অপযশ (বাছা রে, তোর চক্ষে কেন জল)
বিচার (আমার খোকার কত যে দোষ) চাতুরী (আমার খোকা করে গো যদি মনে) নির্লিপ্ত (বাছা রে মোর বাছা)
কেন মধুর (রঙিন খেলেনা দিলে ও রাঙা হাতে) খোকার রাজ্য (খোকার মনের ঠিক মাঝখানটিতে) ভিতরে ও বাহিরে (খোকা থাকে জগৎ-মায়ের)
প্রশ্ন (মা গো, আমায় ছুটি দিতে বল্‌) সমব্যথী (যদি খোকা না হয়ে) বিচিত্র সাধ (আমি যখন পাঠশালাতে যাই)
মাস্টারবাবু (আমি আজ কানাই মাস্টার) বিজ্ঞ (খুকি তোমার কিচ্ছু বোঝে না মা) ব্যাকুল (অমন করে আছিস কেন মা গো)
ছোটোবড়ো (এখনো তো বড়ো হই নি আমি) সমালোচক (বাবা নাকি বই লেখে সব নিজে) বীরপুরুষ (মনে করো যেন বিদেশ ঘুরে)
রাজার বাড়ি (আমার রাজার বাড়ি কোথায় কেউ জানে না সে তো) মাঝি (আমার যেতে ইচ্ছে করে) নৌকোযাত্রা (মধু মাঝির ওই যে নৌকোখানা)
ছুটির দিনে (ওই দেখো মা, আকাশ ছেয়ে) বনবাস (বাবা যদি রামের মতো) জ্যোতিষ-শাস্ত্র (আমি শুধু বলেছিলেম)
বৈজ্ঞানিক (যেম্‌নি মা গো গুরু গুরু) মাতৃবৎসল (মেঘের মধ্যে মা গো, যারা থাকে) লুকোচুরি (আমি যদি দুষ্টুমি ক'রে)
দুঃখহারী (মনে করো, তুমি থাকবে ঘরে) বিদায় (তবে আমি যাই গো তবে যাই) বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর (দিনের আলো নিবে এল)
সাত ভাই চম্পা (সাতটি চাঁপা সাতটি গাছে) নবীন অতিথি (হে নবীন অতিথি) অস্তসখী (রজনী একাদশী)
হাসিরাশি (নাম রেখেছি বাবলারানী) পরিচয় (একটি মেয়ে আছে জানি) বিচ্ছেদ (বাগানে ওই দুটো গাছে)
উপহার (স্নেহ-উপহার এনে দিতে চাই) পাখির পালক (খেলাধুলো সব রহিল পড়িয়া) পূজার সাজ (আশ্বিনের মাঝামাঝি উঠিল বাজনা বাজি)
মা-লক্ষ্মী (কার পানে মা, চেয়ে আছ) কাগজের নৌকা (ছুটি হলে রোজ ভাসাই জলে) শীত (পাখি বলে ‘আমি চলিলাম’ )
শীতের বিদায় (বসন্ত বালক মুখ-ভরা হাসিটি) ফুলের ইতিহাস (বসন্তপ্রভাতে এক মালতীর ফুল) আকুল আহ্বান (সন্ধে হল, গৃহ অন্ধকার)
পুরোনো বট (লুটিয়ে পড়ে জটিল জটা) আশীর্বাদ (ইহাদের করো আশীর্বাদ)