Home
verses
songs
novels
stories
plays
essays
others
Problem in Viewing Bengali ?
Home
>
Verses
>
স্ফুলিঙ্গ - সংযোজন
স্ফুলিঙ্গ - সংযোজন
১ (অবকাশপদ্মে বাণী)
২ (অবসন্ন দিন তার)
৩ (অবুঝ, বুঝি মরিস খুঁজি)
৪ (অযতনে তব নিমেষকালের দান)
৫ (অলকায় অন্ত নাই)
৬ (অসীম শূন্যে একা)
৭ (অস্তাচলের প্রান্ত থেকে)
৮ (আকাশ নিঠুর, বাতাস নীরস)
৯ (আকাশে বাতাসে ভাসে)
১০ (আকাশের বাণী বাজে)
১১ (আগে যেথায় ভিড় জমত)
১২ (আজি তোমাদের শুভপরিণয়-রাতে)
১৩ (আজি মানুষের সব সাধনার)
১৪ (আঁধার রাতি জ্বেলেছে বাতি)
১৫ (আঁধারে ডুবিয়া ছিল যে জগৎ)
১৬ (আঁধারের লীলা আকাশে আলোক-লেখায়)
১৭ (আয় চলে আয়, রে ধূমকেতু)
১৮ (আলো এল-যে দ্বারে তব)
১৯ (আলোর আশীর্বাদ জাগিল)
২০ (আসন দিলে অনাহূতে)
২১ (উৎসবের রাত্রিশেষে)
২২ (এ অসীম গগনের তীরে)
২৩ (এসেছে প্রথম যুগে)
২৪ (ওগো স্মৃতি কাপালিকা)
২৫ (কঠিন শিলা প্রতাপ তাঁর বহে)
২৬ (কণ্ঠে ভরি নাম নিল)
২৭ (কী সুর তুমি জাগালে উষা)
২৮ (কে জানে কার মুখের ছবি)
২৯ (কোথা আছ অন্যমনা ছেলে)
৩০ (গোড়াতেই ঢাক)
৩১ (গোঁড়ামি যখন সত্যেরে চাহে)
৩২ (ঘরের মায়া ঘরের বাইরে করুক রূপরচনা)
৩৩ (চরণে আপনার)
৩৪ (চলার গতি শেষের প্রতি)
৩৫ (চারি দিকে বিবাদ বিদ্বেষ)
৩৬ (চিত্ত মম বেদনা-দোলে)
৩৭ (ছবির জগতে যেথা কোনো ভাষা নেই)
৩৮ (ছবির আসরে এল)
৩৯ (জন্মের দিনে দিয়েছিল আজি)
৪০ (জীবনযাত্রা আগে চলে যায় ছুটে)
৪১ (জীবন সঞ্চয় করে)
৪২ (জ্বেলেছে পথের আলোক)
৪৩ (তরণী বেয়ে শেষে)
৪৪ (তরুণ প্রাণের যুগল মিলনে)
৪৫ (তলোয়ার থাকে)
৪৬ (তোমাদের যে মিলন হবে)
৪৭ (তোমার আমার মাঝে ঘন হল কাঁটার বেড়া এ)
৪৮ (দাদুরে যে মনে করে লিখেছ এ চিঠি)
৪৯ (দিনান্তে ধরণী যথা)
৫০ (দুই প্রাণ মিলাইয়া)
৫১ (দূরের মানুষ কাছের হলেই)
৫২ (ধরণীর আঁখিনীর)
৫৩ (ধরার আঙিনা হতে ওই শোনো)
৫৪ (নদী বহে যায় নূতন নূতন বাঁকে)
৫৫ (নয়ন-অতিথিরে)
৫৬ (নয়নে নিঠুর চাহনি)
৫৭ (নিঃস্বতাসংকোচে দিন)
৫৮ (নূতন সংসারখানি সৃষ্টি করো আপন শক্তিতে)
৫৯ (পতিত ক্ষেতের ধূসরিত ভূমে)
৬০ (পথে পথে অরণ্যে পর্বতে)
৬১ (পথে যেতে যেতে হল)
৬২ (পুণ্যধারার অভিষেক বারি)
৬৩ (প্রদীপ থাকে সারাটা দিন)
৬৪ (প্রদোষের দেশে)
৬৫ (প্রভাতের 'পরে দক্ষিণ করে)
৬৬ (প্রয়াগে যেখানে গঙ্গা যমুনা)
৬৭ (প্রিয়ার দৌত্যের পথে)
৬৮ (প্রেয়সী মোর পুপে)
৬৯ (ফিরে ফিরে আঁখিনীরে)
৭০ (বচন নাহি তো মুখে)
৭১ (বড়োই সহজ)
৭২ (বড়োর দলে নাইবা হলে গণ্য)
৭৩ (বনের পথে পথে বাজিছে বায়ে)
৭৪ (বর্ষণশান্ত)
৭৫ (বহিয়া হালকা বোঝা চলে যায় দিন তার)
৭৬ (বাউল বলে খাঁচার মধ্যে)
৭৭ (বাক্য তোমার সব লোকে বলে)
৭৮ (বাজে নিশীথের নীরব ছন্দে)
৭৯ (বাণী আমার পাগল হাওয়ার)
৮০ (বাহিরের আশীর্বাদ)
৮১ (বিদায়-বেলার রবির পানে)
৮২ (বিপুল প্রস্তরপিণ্ড ভূস্তরের কণ্ঠ রুদ্ধ করি)
৮৩ (বিরহী গগন ধরণীর কাছে)
৮৪ (বিস্মৃত যুগে গুহাবাসীদের মন)
৮৫ (ভয়ে ভয়ে এসেছিল)
৮৬ (ভুবন হবে নিত্য মধুর)
৮৭ (ভোরের কলকাকলীতে)
৮৮ (ভ্রমণকারী মন)
৮৯ (মনে রেখো দৈনিক)
৯০ (মরুতল কারে বলে? সত্য যেথা)
৯১ (মাটি আঁকড়িয়া থাকিবারে চাই)
৯২ (মাঠে আছে কাঁচা ধান)
৯৩ (মাধবী যায় যবে চলিয়া)
৯৪ (মালতী সারাবেলা ঝরিছে রহি রহি)
৯৫ (মিলন-প্রভাতে দূরের মানুষ)
৯৬ (মিলন-যাত্রায় তব পরিপূর্ণ প্রেমের পাথেয়)
৯৭ (মিলনের রথ চলে)
৯৮ (মূর্ত তোরা বসন্তকাল মানব-লোকে)
৯৯ (মেঘগুলি মোর)
১০০ (মৌমাছি সে মধু খোঁজে মাধবীর ঝোপে)
১০১ (যতক্ষণ থাকে মেঘ)
১০২ (যদিও ক্লান্ত মোর দিনান্ত)
১০৩ (যশের বোঝা তুলিয়া লয়ে কাঁধে)
১০৪ (যাহা খুশি তাই করে)
১০৫ (যুগল যাত্রী করিছ যাত্রা)
১০৬ (রুদ্র সমুদ্রের বক্ষ)
১০৭ (রেণু কোথায় লুকিয়ে থাকে)
১০৮ (রৌদ্রী তপস্যার তাপে জ্বলন্ত বৈশাখে)
১০৯ (লিখন দিয়ে স্মৃতিরে কি)
১১০ (লেখা আসে ভিড় ক'রে)
১১১ (শকতিহীনের দাপনি)
১১২ (শক্তির সংঘাত-মাঝে বিশ্বে যিনি শান্ত যিনি স্থির)
১১৩ (শান্তি নিজ-আবর্জনা দূর করিবারে)
১১৪ (শিশির আপন বিন্দুর মাঝখানে)
১১৫ (শিশির সে চিরন্তন)
১১৬ (শীতের দুয়ারে বসন্ত যবে)
১১৭ (শৈশবে ছাদের কোণে গোপনে ছুটিত মায়ারথ)
১১৮ (সকল পক্ষী মৎস্যভক্ষী)
১১৯ (সবিতার জ্যোতির্মন্ত্র)
১২০ (সাত বর্ণ মিলে যথা)
১২১ (সীমাশূন্য মহাকাশে)
১২২ (সুনিবিড় শ্যামলতা)
১২৩ (সুন্দরের অশ্রুজল দেখা দেয় যেই)
১২৪ (সূর্য কখন আলোর তিলক)
১২৫ (সেকালের জয়গৌরব খসি)
১২৬ (স্বর্গের চোখের জলে)
১২৭ (স্মৃতি সে যে নিশিদিন)
১২৮ (হিতৈষীদের স্বার্থবিহীন অত্যাচারে)
১২৯ (হেথায় আকাশ সাগর ধরণী)