তোমার মোহন রূপে
Songs
তোমার   মোহন রূপে কে রয় ভুলে।
জানি না কি মরণ নাচে, নাচে গো ওই চরণমূলে॥
     শরৎ-আলোর আঁচল টুটে   কিসের ঝলক নেচে উঠে,
                   ঝড় এনেছ এলোচুলে॥
              কাঁপন ধরে বাতাসেতে--
পাকা ধানের তরাস লাগে, শিউরে ওঠে ভরা ক্ষেতে।
     জানি গো আজ হাহারবে   তোমার পূজা সারা হবে
                   নিখিল অশ্রু-সাগর কূলে॥
আরো দেখুন
মুনশি
Stories
আচ্ছা দাদামশায়, তোমাদের সেই মুনশিজি এখন কোথায় আছেন।
এই প্রশ্নের জবাব দিতে পারব তার সময়টা বুঝি কাছে এসেছে, তবু হয়তো কিছুদিন সবুর করতে হবে।
আরো দেখুন
নিশীথে
Stories
'ডাক্তার! ডাক্তার!'
জ্বালাতন করিল! এই অর্ধেক রাত্রে--
আরো দেখুন
ঠাকুরদা
Stories
নয়নজোড়ের জমিদারেরা এককালে বাবু বলিয়া বিশেষ বিখ্যাত ছিলেন। তখনকার কালের বাবুয়ানার আদর্শ বড়ো সহজ ছিল না। এখন যেমন রাজা-রায়বাহাদুর খেতাব অর্জন করিতে অনেক খানা নাচ ঘোড়দৌড় এবং সেলাম-সুপারিশের শ্রাদ্ধ করিতে হয়, তখনো সাধারণের নিকট হইতে বাবু উপাধি লাভ করিতে বিস্তর দুঃসাধ্য তপশ্চরণ করিতে হইত।
আমাদের নয়নজোড়ের বাবুরা পাড় ছিঁড়িয়া ফেলিয়া ঢাকাই কাপড় পরিতেন, কারণ পাড়ের কর্কশতায় তাঁহাদের সুকোমল বাবুয়ানা ব্যথিত হইত। তাঁহারা লক্ষ টাকা দিয়া বিড়ালশাবকের বিবাহ দিতেন এবং কথিত আছে, একবার কোনো উৎসব উপলক্ষে রাত্রিকে দিন করিবার প্রতিজ্ঞা করিয়া অসংখ্য দীপ জ্বলাইয়া সূর্যকিরণের অনুকরণে তাঁহারা সাচ্চা রুপার জরি উপর হইতে বর্ষণ করিয়াছিলেন।
আরো দেখুন
13
Verses
THE SONG THAT I came to sing remains unsung to this day.
I have spent my days in stringing and in unstringing my instrument.
The time has not come true, the words have not been rightly set; only there is the agony of wishing in my heart. The blossom has not opened; only the wind is sighing by.
I have not seen his face, nor have I listened to his voice; only I have heard his gentle footsteps from the road before my house'.
The livelong day has passed in spreading his seat on the floor; but the lamp has not been lit and I cannot ask him into my house.
I live in the hope of meeting with him; but this meeting is not yet.
আরো দেখুন
ভয় নেই রে তোদের
Songs
ভয় নেই রে তোদের নেই রে ভয়,
যা চলে সব অভয়-মনে--আকাশে ওই উঠেছে শুকতারা।
দখিন হাওয়ায় পাল তুলে দে,   পাল তুলে দে--
সেই হাওয়াতে উড়ছে আমার মন।
ওই শুকতারাতে রেখে দিলেন দৃষ্টি আমার--
       ভয় কিছু নেই,    ভয় কিছু নেই॥
আরো দেখুন
তপস্বিনী
Stories
বৈশাখ প্রায় শেষ হইয়া আসিল। প্রথমরাত্রে গুমট গেছে, বাঁশগাছের পাতাটা পর্যন্ত নড়ে না, আকাশের তারাগুলো যেন মাথা-ধরার বেদনার মতো দব্‌ দব্‌ করিতেছে। রাত্রি তিনটের সময় ঝির্‌ঝির্‌ করিয়া একটুখানি বাতাস উঠিল। ষোড়শী শূন্য মেঝের উপর খোলা জানলার নীচে শুইয়া আছে, একটা কাপড়ে-মোড়া টিনের বাক্স তার মাথার বালিশ। বেশ বোঝা যায়, খুব উৎসাহের সঙ্গে সে কৃচ্ছসাধন করিতেছে।
প্রতিদিন ভোর চারটের সময় উঠিয়া স্নান সারিয়া ষোড়শী ঠাকুরঘরে গিয়া বসে। আহ্নিক করিতে বেলা হইয়া যায়। তার পরে বিদ্যারত্নমশায় আসেন; সেই ঘরে বসিয়াই তাঁর কাছে সে গীতা পড়ে। সংস্কৃত সে কিছু কিছু শিখিয়াছে। শঙ্করের বেদান্তভাষ্য এবং পাতঞ্জলদর্শন মূল গ্রন্থ হইতে পড়িবে, এই তার পণ। বয়স তার তেইশ হইবে।
আরো দেখুন
শ্রাবণ, তুমি বাতাসে
Songs
শ্রাবণ, তুমি বাতাসে কার আভাস পেলে--
পথে তারি সকল বারি দিলে ঢেলে।
কেয়া কাঁদে, "যা য় যা য় যায়।'
কদম ঝরে, "হা য় হা য় হায়।'
পুব-হাওয়া কয়, "ওর তো সময় নাই বাকি আর।'
শরৎ বলে, "যাক-না সময়, ভয় কিবা তার--
কাটবে বেলা আকাশ-মাঝে   বিনা কাজে   অসময়ের খেলা খেলে।'
কালো মেঘের আর কি আছে দিন,   ও যে হল সাথিহীন।
পুব-হাওয়া কয়, "কালোর এবার যাওয়াই ভালো।'
শরৎ বলে, "মিলিয়ে দেব কালোয় আলো--
সাজবে বাদল আকাশ-মাঝে   সোনার সাজে   কালিমা ওর মুছে ফেলে।'
আরো দেখুন
শেষের রাত্রি
Stories
'মাসি !'
'ঘুমোও,যতীন,রাত হল যে ।'
আরো দেখুন