বাঁশি
Stories
বাঁশির বাণী চিরদিনের বাণী--শিবের জটা থেকে গঙ্গার ধারা, প্রতি দিনের মাটির বুক বেয়ে চলেছে; অমরাবতীর শিশু নেমে এল মর্ত্যের ধূলি দিয়ে স্বর্গ-স্বর্গ খেলতে।
পথের ধারে দাঁড়িয়ে বাঁশি শুনি আর মন যে কেমন করে বুঝতে পারি নে। সেই ব্যথাকে চেনা সুখদুঃখের সঙ্গে মেলাতে যাই, মেলে না। দেখি, চেনা হাসির চেয়ে সে উজ্জ্বল, চেনা চোখের জলের চেয়ে সে গভীর।
আরো দেখুন
অস্পষ্ট
Stories
জানলার ফাঁকে ফাঁকে দেখা যায় সামনের বাড়ির জীবনযাত্রা। রেখা আর ছেদ, দেখা আর না-দেখা দিয়ে সেই ছবি আঁকা।
একদিন পড়ার বই পড়ে রইল, বনমালীর চোখ গেল সেই দিকে।
আরো দেখুন
ম্যানেজারবাবু
Stories
আজ তোমাকে যে গল্পটা বলব মনে করেছি সেটা তোমার ভালো লাগবে না।
তুমি বললেও ভালো লাগবে না কেন।
আরো দেখুন
শিমূল রাঙা রঙে চোখেরে দিল ভ'রে
Verses
শিমূল রাঙা রঙে    চোখেরে দিল ভ'রে।
নাকটা হেসে বলে,  'হায় রে যাই ম'রে।'
নাকের মতে, গুণ      কেবলি আছে ঘ্রাণে,
রূপ যে রঙ খোঁজে      নাকটা তা কি জানে।
আরো দেখুন
সমুদ্রে
Verses
সকালবেলায় ঘাটে যেদিন
           ভাসিয়ে দিলেম নৌকাখানি
কোথায় আমার যেতে হবে
           সে কথা কি কিছুই জানি।
শুধু শিকল দিলেম খুলে,
শুধু নিশান দিলেম তুলে--
টানি নি দাঁড়, ধরি নি হাল--
           ভেসে গেলেম স্রোতের মুখে।
তীরে তরুর ডালে ডালে
ডাকল পাখি প্রভাত-কালে,
তীরে তরুর ছায়ায় রাখাল
           বাজায় বাঁশি মনের সুখে।
তখন আমি ভাবি নাইকো
           সূর্য যাবে অস্তাচলে,
নদীর স্রোতে ভেসে ভেসে
           পড়ব এসে সাগর-জলে--
ঘাটে ঘাটে তীরে তীরে
যে তরী ধায়  ধীরে ধীরে
বাইতে হবে নিয়ে তারে
           নীল পাথারে একলা-প্রাণে।
তারাগুলি আকাশ ছেয়ে
মুখে আমার রইল চেয়ে,
সিন্ধু-শকুন উড়ে গেল
           কূলে আপন কুলায়-পানে।
দুলুক তরী ঢেউয়ের 'পরে
           ওরে আমার জাগ্রত প্রাণ।
গাও রে আজি নিশীথ-রাতে
           অকূল-পাড়ির আনন্দগান।
যাক-না মুছে তটের রেখা,
নাই-বা কিছু গেল দেখা,
অতল বারি দিক-না সাড়া
           বাঁধন-হারা হাওয়ার ডাকে।
দোসর-ছাড়া একার দেশে
একেবারে এক নিমেষে
লও রে বুকে দু হাত মেলি
           অন্তবিহীন অজানাকে।
আরো দেখুন
ল্যাবরেটরি
Stories
নন্দকিশোর ছিলেন লণ্ডন য়ুনিভার্সিটি থেকে পাস করা এঞ্জিনীয়ার। যাকে সাধুভাষায় বলা যেতে পারে দেদীপ্যমান ছাত্র অর্থাৎ ব্রিলিয়ান্ট, তিনি ছিলেন তাই। স্কুল থেকে আরম্ভ করে শেষ পর্যন্ত পরীক্ষার তোরণে তোরণে ছিলেন পয়লা শ্রেণীর সওয়ারী।
ওঁর বুদ্ধি ছিল ফলাও, ওঁর প্রয়োজন ছিল দরাজ, কিন্তু ওঁর অর্থসম্বল ছিল আঁটমাপের।
আরো দেখুন