118
Verses
IN THE ENDLESS paths of the world;
among numberless activities,
her nature is scattered
with all that is unattained in her and incomplete.
By the sick-bed around one eager aim
she appears as a new vision
complete in her being,
where all the goodness of all things
becomes centred in her,
in her touch, in her sleepless anxious eyes.
আরো দেখুন
পরীর পরিচয়
Stories
রাজপুত্রের বয়স কুড়ি পার হয়ে যায়, দেশবিদেশ থেকে বিবাহের সম্বন্ধ আসে।
ঘটক বললে, 'বাহ্লীকরাজের মেয়ে রূপসী বটে, যেন সাদা গোলাপের পুষ্পবৃষ্টি।'
আরো দেখুন
ইঁদুরের ভোজ
Stories
ছেলেরা বললে, ভারি অন্যায়, আমরা নতুন পণ্ডিতের কাছে কিছুতেই পড়ব না।
নতুন পণ্ডিতমশায় যিনি আসছেন তাঁর নাম কালীকুমার তর্কালঙ্কার।
আরো দেখুন
ঢাকিরা ঢাক বাজায় খালে বিলে
Verses
                          পাকুড়তলির মাঠে
                   বামুনমারা দিঘির ঘাটে
               আদিবিশ্ব-ঠাকুরমায়ের আস্‌মানি এক চেলা
                          ঠিক দুক্ষুর বেলা
                       বেগ্‌নি-সোনা দিক্‌-আঙিনার কোণে
                   ব'সে ব'সে ভুঁইজোড়া এক চাটাই বোনে
                          হলদে রঙের শুকনো ঘাসে।
               সেখান থেকে ঝাপসা স্মৃতির কানে আসে
                   ঘুম-লাগা রোদ্‌দুরে
                       ঝিম্‌ঝিমিনি সুরে--
                   "ঢাকিরা ঢাক বাজায় খালে বিলে,
               সুন্দরীকে বিয়ে দিলেম ডাকাতদলের মেলে।"
                   সুদূর কালের দারুণ ছড়াটিকে
               স্পষ্ট করে দেখি নে আজ, ছবিটা তার ফিকে।
                   মনের মধ্যে বেঁধে না তার ছুরি,
               সময় তাহার ব্যথার মূল্য সব করেছে চুরি।
                   বিয়ের পথে ডাকাত এসে হরণ করলে মেয়ে,
               এই বারতা ধুলোয়-পড়া শুকনো পাতার চেয়ে
                   উত্তাপহীন, ঝেঁটিয়ে-ফেলা আবর্জনার মতো।
                       দুঃসহ দিন দুঃখেতে বিক্ষত
                   এই-কটা তার শব্দমাত্র দৈবে রইল বাকি,
                       আগুন-নেভা ছাইয়ের মতন ফাঁকি।
                          সেই মরা দিন কোন্‌ খবরের টানে
                              পড়ল এসে সজীব বর্তমানে।
               তপ্ত হাওয়ার বাজপাখি আজ বারে বারে
                              ছোঁ মেরে যায় ছড়াটারে,
               এলোমেলো ভাবনাগুলোর ফাঁকে ফাঁকে
                   টুক্‌রো করে ওড়ায় ধ্বনিটাকে।
               জাগা মনের কোন্‌ কুয়াশা স্বপ্নেতে যায় ব্যেপে,
                   ধোঁয়াটে এক কম্বলেতে ঘুমকে ধরে চেপে,
                       রক্তে নাচে ছড়ার ছন্দে মিলে--
                   "ঢাকিরা ঢাক বাজায় খালে বিলে।'
               জমিদারের বুড়ো হাতি হেলে দুলে চলেছে বাঁশতলায়,
                          ঢঙ্‌ঢঙিয়ে ঘন্টা দোলে গলায়।
               বিকেলবেলার চিকন আলোর আভাস লেগে
                   ঘোলা রঙের আলস ভেঙে উঠি জেগে।
                       হঠাৎ দেখি, বুকে বাজে টন্‌টনানি
                   পাঁজরগুলোর তলায় তলায় ব্যথা হানি।
                       চটকা ভাঙে যেন খোঁচা খেয়ে--
                   কই আমাদের পাড়ার কালো মেয়ে--
               ঝুড়ি ভ'রে মুড়ি আনত, আনত পাকা জাম,
                          সামান্য তার দাম,
                       ঘরের গাছের আম আনত কাঁচামিঠা,
                   আনির স্থলে দিতেম তাকে চার-আনিটা।
                       ওই যে অন্ধ কলুবুড়ির কান্না শুনি--
                    কদিন হল জানি নে কোন্‌ গোঁয়ার খুনি
                          সমত্থ তার নাতনিটিকে
                   কেড়ে নিয়ে ভেগেছে কোন্‌ দিকে।
               আজ সকালে শোনা গেল চৌকিদারের মুখে,
                   যৌবন তার দ'লে গেছে, জীবন গেছে চুকে।
                       বুক-ফাটানো এমন খবর জড়ায়
                          সেই সেকালের সামান্য এক ছড়ায়।
                   শাস্ত্রমানা আস্তিকতা ধুলোতে যায় উড়ে--
               "উপায় নাই রে, নাই প্রতিকার' বাজে আকাশ জুড়ে।
                   অনেক কালের শব্দ আসে ছড়ার ছন্দে মিলে--
                       "ঢাকিরা ঢাক বাজায় খালে বিলে।'
               জমিদারের বুড়ো হাতি হেলে দুলে চলেছে বাঁশতলায়,
                          ঢঙ্‌ঢঙিয়ে ঘন্টা দোলে গলায়।
আরো দেখুন
মধ্যবর্তিনী
Stories
নিবারণের সংসার নিতান্তই সচরাচর রকমের, তাহাতে কাব্যরসের কোনো নামগন্ধ ছিল না। জীবনে উক্ত রসের যে কোনো আবশ্যক আছে, এমন কথা তাহার মনে কখনো উদয় হয় নাই। যেমন পরিচিত পুরাতন চটি-জোড়াটার মধ্যে পা দুটো দিব্য নিশ্চিন্তভাবে প্রবেশ করে, এই পুরাতন পৃথিবীটার মধ্যে নিবারণ সেইরূপ আপনার চিরাভ্যস্ত স্থানটি অধিকার করিয়া থাকে, সে সম্বন্ধে ভ্রমেও কোনোরূপ চিন্তা তর্ক বা তত্ত্বালোচনা করে না।
নিবারণ প্রাতঃকালে উঠিয়া গলির ধারে গৃহদ্বারে খোলাগায়ে বসিয়া অত্যন্ত নিরুদ্বিগ্নভাবে হুঁকাটি লইয়া তামাক খাইতে থাকে। পথ দিয়া লোকজন যাতায়াত করে, গাড়ি ঘোড়া চলে, বৈষ্ণব-ভিখারি গান গাহে, পুরাতন বোতল সংগ্রহকারী হাঁকিয়া চলিয়া যায়; এই সমস্ত চঞ্চল দৃশ্য মনকে লঘুভাবে ব্যাপৃত রাখে এবং যেদিন কাঁচা আম অথবা তপসি-মাছওয়ালা আসে, সেদিন অনেক দরদাম করিয়া কিঞ্চিৎ বিশেষরূপে রন্ধনের আয়োজন হয়। তাহার পর যথাসময়ে তেল মাখিয়া স্নান করিয়া আহারান্তে দড়িতে ঝুলানো চাপকানটি পরিয়া এক ছিলিম তামাক পানের সহিত নিঃশেষপূর্বক আর একটি পান মুখে পুরিয়া, আপিসে যাত্রা করে। আপিস হইতে ফিরিয়া আসিয়া সন্ধ্যেবেলাটা প্রতিবেশী রামলোচন ঘোষের বাড়িতে প্রশান্ত গম্ভীর ভাবে সন্ধ্যাযাপন করিয়া আহারান্তে রাত্রে শয়নগৃহে স্ত্রী হরসুন্দরীর সহিত সাক্ষাৎ হয়।
আরো দেখুন
আপদ
Stories
সন্ধ্যার দিকে ঝড় ক্রমশ প্রবল হইতে লাগিল। বৃষ্টির ঝাপট, বজ্রের শব্দ এবং বিদ্যুতের ঝিকমিকিতে আকাশে যেন সুরাসুরের যুদ্ধ বাধিয়া গেল। কালো কালো মেঘগুলো মহাপ্রলয়ের জয়পতাকার মতো দিগ্‌বিদিকে উড়িতে আরম্ভ করিল, গঙ্গার এপারে ওপারে বিদ্রোহী ঢেউগুলো কলশব্দে নৃত্য জুড়িয়া দিল, এবং বাগানের বড়ো বড়ো গাছগুলো সমস্ত শাখা ঝট্‌পট্‌ করিয়া হাহুতাশ সহকারে দক্ষিণে বামে লুটোপুটি করিতে লাগিল।
তখন চন্দননগরের বাগানবাড়িতে একটি দীপালোকিত রুদ্ধকক্ষে খাটের সম্মুখবর্তী নীচের বিছানায় বসিয়া স্ত্রী-পুরুষে কথাবার্তা চলিতেছিল।
আরো দেখুন
এস এস বসন্ত ধরাতলে
Songs
এস এস বসন্ত ধরাতলে।
আনো কুহুতান, প্রেমগান,
আনো গন্ধমদভরে অলস সমীরণ;
আনো নবযৌবন-হিল্লোল, নব প্রাণ,
প্রফুল্ল নবীন বাসনা ধরাতলে।
এস থরথর-কম্পিত, মর্মর-মুখরিত,
নব-পল্লব-পুলকিত
ফুল-আকুল-মালতী-বল্লি বিতানে,
সুখছায়ে মধুবায়ে, এস এস।
এস অরুণ-চরণ-কমল-বরন তরুণ উষার কোলে।
এস জ্যোৎস্না-বিবশ নিশীথে,
কল-কল্লোল তটিনী-তীরে,
সুখসুপ্ত সরসী-নীরে, এস এস।
এস যৌবন-কাতর হৃদয়ে,
এস মিলন-সুখালস নয়নে,
এস মধুর শরম মাঝারে,
দাও বাহুতে বাহু বাঁধি,
নবীন কুসুম পাশে রচি দাও নবীন মিলন-বাঁধন।
আরো দেখুন
একরাত্রি
Stories
সুরবালার সঙ্গে একত্রে পাঠশালায় গিয়াছি, বউ-বউ খেলিয়াছি। তাহাদের বাড়িতে গেলে সুরবালার মা আমাকে বড় যত্ন করিতেন এবং আমাদের দুইজনকে একত্র করিয়া  আপনা-আপনি বলাবলি করিতেন,'আহা দুটিতে বেশ মানায়।'
ছোট ছিলাম কিন্তু কথাটার অর্থ একরকম বুঝতে পারিতাম। সুরবালার প্রতি যে সর্বসাধারণের অপেক্ষা আমার কিছু বিশেষ দাবি ছিল, সে ধারণা আমার মনে বদ্ধমূল হইয়া গিয়াছিল। সেই অধিকারমদে মত্ত হইয়া তাহার প্রতি যে আমি শাসন এবং উপদ্রব না করিতাম তাহা নহে। সেও সহিষ্ণুভাবে আমার সকলরকম  ফরমাশ খাটিত এবং শাস্তি বহন করিত। পাড়ায় তাহার রূপের প্রশংসা ছিল, কিন্তু বর্বর বালকের চক্ষে সে সৌন্দর্যের কোনো গৌরব ছিল না-- আমি কেবল জানিতাম, সুরবালা আমারই প্রভুত্ব স্বীকার করিবার জন্য পিতৃগৃহে জন্মগ্রহণ করিয়াছিল, এইজন্য সে আমার বিশেষরূপ অবহেলার পাত্র।
আরো দেখুন
19
Verses
WHEN WE two first met my heart rang out in music, 'She who is eternally afar is beside you for ever.'
        That music is silent, because I have grown to believe that my love is only near, and have forgotten that she is also far, far away.
        Music fills the infinite between two souls. This has been muffled by the mist of our daily habits.
        On shy summer nights, when the breeze brings a vast murmur out of the silence, I sit up in my bed and mourn the great loss of her who is beside me. I ask myself, 'When shall I have another chance to whisper to her words with the rhythm of eternity in them?'
Wake up, my song, from thy languor, rend this screen of the familiar, and fly to my beloved there, in the endless surprise of our first meeting!
আরো দেখুন
মেঘদূত
Stories
মিলনের প্রথম দিনে বাঁশি কী বলেছিল।
সে বলেছিল, 'সেই মানুষ আমার কাছে এল যে মানুষ আমার দূরের।'
আরো দেখুন
শাস্তি
Stories
দুখিরাম রুই এবং ছিদাম রুই দুই ভাই সকালে যখন দা হাতে লইয়া জন খাটিতে বাহির হইল তখন তাহাদের দুই স্ত্রীর মধ্যে বকাবকি চেঁচামেচি চলিতেছে। কিন্তু প্রকৃতির অন্যান্য নানাবিধ নিত্য কলরবের ন্যায় এই কলহ-কোলাহলও পাড়াসুদ্ধ লোকের অভ্যাস হইয়া গেছে। তীব্র কণ্ঠস্বর শুনিবামাত্র লোকে পরস্পরকে বলে--'ওই রে বাধিয়া গিয়াছে,' অর্থাৎ যেমনটি আশা করা যায় ঠিক তেমনিটি ঘটিয়াছে, আজও স্বভাবের নিয়মের কোনোরূপ ব্যত্যয় হয় নাই। প্রভাতে পূর্বদিকে সূর্য উঠিলে যেমন কেহ তাহার কারণ জিজ্ঞাসা করে না, তেমনি এই কুরিদের বাড়িতে দুই জায়ের মধ্যে যখন একটা হৈ-হৈ পড়িয়া যায় তখন তাহার কারণ জিজ্ঞাসা করে না, তেমনি এই কুরিদের বাড়িতে দুই জায়ের মধ্যে যখন একটা হৈ-হৈ পড়িয়া যায় তখন তাহার কারণ নির্ণয়ের জন্য কাহারও কোনোরূপ কৌতূহলের উদ্রেক হয় না।
অবশ্য এই কোন্দল আন্দোলন প্রতিবেশীদের অপেক্ষা দুই স্বামীকে বেশি স্পর্শ করিত সন্দেহ নাই, কিন্তু সেটা তাহারা কোনোরূপ অসুবিধার মধ্যে গণ্য করিত না। তাহারা দুই ভাই যেন দীর্ঘ সংসারপথ একটা এক্কাগাড়িতে করিয়া চলিয়াছে, দুই দিকের দুই স্প্রিংবিহীন চাকার অবিশ্রাম ছড়ছড় খড়খড় শব্দটাকে জীবনরথযাত্রার একটা বিধিবিহিত নিয়মের মধ্যেই ধরিয়া লইয়াছে।
আরো দেখুন
একটি দিন
Stories
মনে পড়ছে সেই দুপুরবেলাটি। ক্ষণে ক্ষণে বৃষ্টিধারা ক্লান্ত হয়ে আসে, আবার দমকা হাওয়া তাকে মাতিয়ে তোলে।
ঘরে অন্ধকার, কাজে মন যায় না। যন্ত্রটা হাতে নিয়ে বর্ষার গানে মল্লারের সুর লাগালেম।
আরো দেখুন