9
Verses
THE CLOUDS thicken till the morning light seems like a bedraggled fringe to the rainy night.
        A little girl stands at her window, still as a rainbow at the gate of a broken-down storm.
        She is my neighbour, and has come upon the earth like some god's rebellious laughter. Her mother in anger calls her incorrigible; her father smiles and calls her mad.
        She is like a runaway waterfall leaping over boulders, like the topmost bamboo twig rustling in the restless wind.
She stands at her window looking out into the sky.
        Her sister, comes to say, 'Mother calls you.' She shakes her head.
        Her little brother with his toy boat comes and tries to pull her off to play; she snatches her hand from his. The boy persists and she gives him a slap on the back.
The first great voice was the voice of wind and water in the beginning of earth's creation.
        That ancient cry of nature-her dumb call to unborn life-has reached this child's heart and leads it out alone beyond the fence of our times: so there she stands, possessed by eternity!
আরো দেখুন
বাণী
Verses
পক্ষে বহিয়া অসীম কালের বার্তা
      যুগে যুগে চলে অনাদি জ্যোতির যাত্রা
                       কালের রাত্রি ভেদি
                  অব্যক্তের কুজ্ঝটিজাল ছেদি
      পথে পথে রচি আলিম্পনের লেখা।
      পাখার কাঁপনে গগনে গগনে
                  উজ্জ্বলি উঠে দিক্‌প্রাঙ্গণে
                         অগ্নিচক্ররেখা।
      অস্তিত্বের গহনতত্ত্ব ছিল মূক বাণীহীন--
                         অবশেষে একদিন
                  যুগান্তরের প্রদোষ-আঁধারে
                         শূন্যপাথারে
            মানবাত্মার প্রকাশ উঠিল ফুটি।
                  মহাদুঃখের মহানন্দের
                  সংঘাত লাগি চিরদ্বন্দ্বের
      চিৎপদ্মের আবরণ গেল টুটি।
                         শতদলে দিল দেখা
            অসীমের পানে মেলিয়া নয়ন
                  দাঁড়ায়ে রয়েছে একা
                      প্রথম পরম বাণী
                              বীণা হাতে বীণাপাণি।
আরো দেখুন
নিশীথে
Stories
'ডাক্তার! ডাক্তার!'
জ্বালাতন করিল! এই অর্ধেক রাত্রে--
আরো দেখুন
The Victory
Stories
SHE WAS THE Princess Ajita. And the court poet of King Narayan had never seen her. On the day he recited a new poem to the king he would raise his voice just to that pitch which could be heard by unseen hearers in the screened balcony high above the hall. He sent up his song towards the star-land out of his reach, where, circled with light, the planet who ruled his destiny shone unknown and out of ken.
He would espy some shadow moving behind the veil. A tinkling sound would come to his ear from afar, and would set him dreaming of the ankles whose tiny golden bells sang at each step. Ah, the rosy red tender feet that walked the dust of the earth like God's mercy on the fallen! The poet had placed them on the altar of his heart, where he wove his songs to the tune of those golden bells. Doubt never arose in his mind as to whose shadow it was that moved behind the screen, and whose anklets they were that sang to the time of his beating heart.
আরো দেখুন
কো তুঁহু বোলবি মোয়
Songs
কো তুঁহু বোলবি মোয়!
হৃদয়মাহ মঝু জাগসি অনুখন,
আঁখউপর তুঁহু রচলহি আসন,
অরুণ নয়ন তব মরমসঙে মম
নিমিখ ন অন্তর হোয়।
কো তুঁহু বোলবি মোয়!
হৃদয়কমল তব চরণে টলমল,
নয়নযুগল মম উছলে ছলছল,
প্রেমপূর্ণ তনু পুলকে ঢলঢল
চাহে মিলাইতে তোয়।
কো তুঁহু বোলবি মোয়!
বাঁশরিধ্বনি তুহ অমিয় গরল রে,
হৃদয় বিদারয়ি হৃদয় হরল রে,
আকুল কাকলি ভুবন ভরল রে,
উতল প্রাণ উতরোয়।
কো তুঁহু বোলবি মোয়!
হেরি হাসি তব মধুঋতু ধাওল,
শুনয়ি বাঁশি তব পিককুল গাওল,
বিকল ভ্রমরসম ত্রিভুবন আওল,
চরণকমলযুগ ছোঁয়।
কো তুহু বোলবি মোয়!
গোপবধূজন বিকশিতযৌবন,
পুলকিত যমুনা, মুকুলিত উপবন,
নীলনীর'পর ধীর সমীরণ,
পলকে প্রাণমন খোয়
কো তুঁহু বোলবি মোয়!
তৃষিত আঁখি, তব মুখ'পর বিহরই,
মধুর পরশ তব রাধা শিহরই,
প্রেমরতন ভরি হৃদয় প্রাণ লই
পদতলে অপনা থোয়।
কো তুঁহু বোলবি মোয়!
কো তুঁহু কো তুঁহু সব জন পুছয়ি,
অনুদিন সঘন নয়নজল মুছয়ি,
যাচে ভানু, সব সংশয় ঘুচয়ি,
জনম চরণ 'পর গোয়।
কো তুঁহু বোলবি মোয়!
আরো দেখুন
যোগাযোগ
Novels
আজ ৭ই আষাঢ়। অবিনাশ ঘোষালের জন্মদিন। বয়স তার হল বত্রিশ। ভোর থেকে আসছে অভিনন্দনের টেলিগ্রাম, আর ফুলের তোড়া।
গল্পটার এইখানে আরম্ভ। কিন্তু আরম্ভের পূর্বেও আরম্ভ আছে। সন্ধ্যাবেলায় দীপ জ্বালার আগে সকালবেলায় সলতে পাকানো।
মিছে কর কেন নিন্দে,
ওগো বিন্দে শ্রীগোবিন্দে--"
"কার বাঁশি ওই বাজে বৃন্দাবনে।
সই লো সই,
ঘরে আমি রইব কেমনে!
"শ্যামের বাঁশি কাড়তে হবে,
নইলে আমায় এ বৃন্দাবন ছাড়তে হবে।"
আজু মোর ঘরে আইল পিয়রওলা
রোমে রোমে হরখীলা।
এক-যে ছিল কুকুর-চাটা শেয়ালকাঁটার বন,
কেটে করলে সিংহাসন।
দুঃখেষ্বনুদ্বিগ্নমনা সুখেষু বিগতস্পৃহঃ
বীতরাগভয়ক্রোধঃ--
গোরার রূপে লাগল রসের বান--
ভাসিয়ে নিয়ে যায় নদীয়ার পুরনারীর প্রাণ
জগতঃ পিতরৌ বন্দে পার্বতীপরমেশ্বরৌ
"বাপে ছাড়ে, মায়ে ছাড়ে, ছাড়ে সখা সহী,
মীরা প্রভু লগন লগী যো ন হোয়ে হোয়ী।'
গৃহিণী সচিবঃ সখী মিথঃ
প্রিয়শিষ্যা ললিতে কলাবিধৌ--
যৎ করোষি যদশ্নাসি যজ্জুহোষি দদাসি যৎ,
যৎ তপস্যসি, কৌন্তেয়, তৎ কুরুষ মদর্পণম্‌।
হমারে তুমারে সম্প্রীতি লগী হৈ
গুন মনমোহন প্যারে--
বাজে ঝননন মেরে পায়েরিয়া
কৈস করো যাউঁ ঘরোয়ারে।
তস্মাৎ প্রণম্য প্রণিধায় কায়ং
প্রসাদয়ে ত্বাম্‌ অহমীশমীড্যং
পিতেপ পুত্রস্য সখেব সখ্যুঃ
প্রিয়ঃ প্রিয়ায়ার্হসি দেব সোঢ়ুম্‌।
পিতেব পুত্রস্য সখেব সখ্যুঃ
প্রিয়ঃ প্রিয়ায়ার্হসি দেব সোঢ়ুম্‌।
পিয়া ঘর আয়ে, সোহী পীতম পিয় প্যার রে।
মীরাকে প্রভু গিরিধর নাগর,
চরণকমল বলিহার রে।
পথপর রয়নি অঁধেরী,
কুঞ্জপর দীপ উজিয়ারা।
আরো দেখুন
পরিশিষ্ট
Stories
(ছোটো গল্প)
সাহিত্যে বড়ো গল্প ব'লে যে-সব প্রগল্‌ভ বাণীবাহন দেখা যায় তারা প্রাক্‌ভূতাত্ত্বিক যুগের প্রাণীদের মতো-- তাদের প্রাণের পরিমাণ যত দেহের পরিমাণ তার চার গুণ, তাদের লেজটা কলেবরের অত্যুক্তি।
আরো দেখুন
কবির অহংকার
Verses
গান গাহি বলে কেন অহংকার করা।
শুধু গাহি বলে কেন কাঁদি না শরমে।
খাঁচার পাখির মতো গান গেয়ে মরা,
এই কি মা আদি অন্ত মানবজনমে।
সুখ নাই, সুখ নাই, শুধু মর্মব্যথা--
মরীচিকা-পানে শুধু মরি পিপাসায়।
কে দেখালে প্রলোভন, শূন্য অমরতা,
প্রাণে ম'রে গানে কি রে বেঁচে থাকা যায়।
কে আছ মলিন হেথা, কে আছ দুর্বল,
মোরে তোমাদের মাঝে করো গো আহ্বান;
বারেক একত্রে বসে ফেলি অশ্রুজল--
দূর করি হীন গর্ব, শূন্য অভিমান।
তার পরে একসাথে এস কাজ করি,
কেবলি বিলাপগান দূরে পরিহরি॥
আরো দেখুন
69
Verses
       তোমার কাছে শান্তি চাব না।
       থাক্‌-না আমার দুঃখ ভাবনা।
অশান্তির এই দোলার 'পরে
বসো বসো লীলার ভরে
            দোলা দিব এ মোর কামনা।
      নেবে নিবুক প্রদীপ বাতাসে,
      ঝড়ের কেতন উড়ুক আকাশে--
বুকের কাছে ক্ষণে ক্ষণে
তোমার চরণ-পরশনে
            অন্ধকারে আমার সাধনা।
  
আরো দেখুন
মুক্তকুন্তলা
Stories
আমার খুদে বন্ধুরা এসে হাজির তাদের নালিশ নিয়ে। বললে, দাদামশায় তুমি কি আমাদের ছেলেমানুষ মনে কর।
তা, ভাই, ঐ ভুলটাই তো করেছিলুম। আজকাল নিজেরই বয়েসটার ভুল হিসেব করতে শুরু করেছি।
আরো দেখুন
স্বর্ণমৃগ
Stories
আদ্যানাথ এবং বৈদ্যনাথ চক্রবর্তী দুই শরিক। উভয়ের মধ্যে বৈদ্যনাথের অবস্থাই কিছু খারাপ। বৈদ্যনাথের বাপ মহেশচন্দ্রের বিষয়বুদ্ধি আদৌ ছিল না, তিনি দাদা শিবনাথের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করিয়া থাকিতেন। শিবনাথ ভাইকে প্রচুর স্নেহবাক্য দিয়া তৎপরিবর্তে তাঁহার বিষয়সম্পত্তি সমস্ত আত্মসাৎ করিয়া লন। কেবল খানকতক কোম্পানির কাগজ অবশিষ্ট থাকে। জীবনসমুদ্রে সেই কাগজ-কখানি বৈদ্যনাথের একমাত্র অবলম্বন।
শিবনাথ বহু অনুসন্ধানে তাঁহার পুত্র আদ্যানাথের সহিত এক ধনীর একমাত্র কন্যার বিবাহ দিয়া বিষয়বৃদ্ধির আর-একটি সুযোগ করিয়া রাখিয়াছিলেন। মহেশচন্দ্র একটি সপ্তকন্যাভারগ্রস্ত দরিদ্র ব্রাহ্মণের প্রতি দয়া করিয়া এক পয়সা পণ না লইয়া তাহার জ্যেষ্ঠা কন্যাটির সহিত পুত্রের বিবাহ দেন। সাতটি কন্যাকেই যে ঘরে লন নাই তাহার কারণ, তাঁহার একটিমাত্র পুত্র এবং ব্রাহ্মণও সেরূপ অনুরোধ করে নাই। তবে, তাহাদের বিবাহের উদ্দেশে সাধ্যাতিরিক্ত অর্থসাহায্য করিয়াছিলেন।
আরো দেখুন