একটা আষাঢ়ে গল্প
Stories
দূর সমুদ্রের মধ্যে একটা দ্বীপ। সেখানে কেবল তাসের সাহেব, তাসের বিবি, টেক্কা এবং গোলামের বাস। দুরি তিরি হইতে নহলা-দহলা পর্যন্ত আরো অনেক-ঘর গৃহস্থ আছে কিন্তু তাহারা উচ্চজাতীয় নহে।
টেক্কা সাহেব গোলাম এই তিনটেই প্রধান বর্ণ, নহলা-দহলারা অন্ত্যজ-- তাহাদের সহিত এক পঙ্‌ক্তিতে বসিবার যোগ্য নহে।
আরো দেখুন
সম্পাদক
Stories
আমার স্ত্রী-বর্তমানে প্রভা সম্বন্ধে আমার কোনো চিন্তা ছিল না। তখন প্রভা অপেক্ষা প্রভার মাতাকে লইয়া কিছু অধিক ব্যস্ত ছিলাম।
তখন কেবল প্রভার খেলাটুকু হাসিটুকু দেখিয়া, তাহার আধো আধো কথা শুনিয়া এবং আদরটুকু লইয়াই তৃপ্ত থাকিতাম; যতক্ষণ ভালো লাগিত নাড়াচাড়া করিতাম, কান্না আরম্ভ করিলেই তাহার মার কোলে সমর্পণ করিয়া সত্বর অব্যাহতি লইতাম। তাহাকে যে বহু চিন্তা ও চেষ্টায় মানুষ করিয়া তুলিতে হইবে, এ-কথা আমার মনে আসে নাই।
আরো দেখুন
মানিক কহিল, পিঠ পেতে দিই দাঁড়াও
Verses
   মানিক কহিল, 'পিঠ পেতে দিই দাঁড়াও।
   আম দুটো ঝোলে, ওর দিকে হাত বাড়াও।
   উপরের ডালে         সবুজে ও লালে
       ভরে আছে, কষে নাড়াও।
   নিচে নেমে এসে     ছুরি দিয়ে শেষে
       ব'সে ব'সে খোসা ছাড়াও।
   যদি আসে মালি       চোখে দিয়ে বালি
       পারো যদি তারে  তাড়াও।
   বাকি কাজটার         মোর 'পরে ভার,
       পাবে না শাঁসের সাড়াও।
   আঁঠি যদি থাকে       দিয়ো মালিটাকে,
        মাড়াব না তার পাড়াও।
   পিসিমা রাগিলে     তাঁর চড়ে কিলে
          বাঁদরামি-ভূত তাড়াও।'
আরো দেখুন
করুণা
Stories
গ্রামের মধ্যে অনুপকুমারের ন্যায় ধনবান আর কেহই ছিল না। অতিথিশালানির্মাণ, দেবালয়প্রতিষ্ঠা, পুষ্করিণীখনন প্রভৃতি নানা সৎকর্মে তিনি ধনব্যয় করিতেন। তাঁহার সিন্ধুক-পূর্ণ টাকা ছিল, দেশবিখ্যাত যশ ছিল ও রূপবতী কন্যা ছিল। সমস্ত যৌবনকাল ধন উপার্জন করিয়া অনুপ বৃদ্ধ বয়সে বিশ্রাম করিতেছিলেন। এখন কেবল তাঁহার একমাত্র ভাবনা ছিল যে, কন্যার বিবাহ দিবেন কোথায়। সৎপাত্র পান নাই ও বৃদ্ধ বয়সে একমাত্র আশ্রয়স্থল কন্যাকে পরগৃহে পাঠাইতে ইচ্ছা নাই--তজ্জন্যও আজ কাল করিয়া আর তাঁহার দুহিতার বিবাহ হইতেছে না।
সঙ্গিনী-অভাবে করুণার কিছুমাত্র কষ্ট হইত না। সে এমন কাল্পনিক ছিল, কল্পনার স্বপ্নে সে সমস্ত দিন-রাত্রি এমন সুখে কাটাইয়া দিত যে, মুহূর্তমাত্রও তাহাকে কষ্ট অনুভব করিতে হয় নাই। তাহার একটি পাখি ছিল, সেই পাখিটি হাতে করিয়া অন্তঃপুরের পুষ্করিণীর পাড়ে কল্পনার রাজ্য নির্মাণ করিত। কাঠবিড়ালির পশ্চাতে পশ্চাতে ছুটাছুটি করিয়া, জলে ফুল ভাসাইয়া, মাটির শিব গড়িয়া, সকাল হইতে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাটাইয়া দিত। এক-একটি গাছকে আপনার সঙ্গিনী ভগ্নী কন্যা বা পুত্র কল্পনা করিয়া তাহাদের সত্য-সত্যই সেইরূপ যত্ন করিত, তাহাদিগকে খাবার আনিয়া দিত, মালা পরাইয়া দিত, নানাপ্রকার আদর করিত এবং তাদের পাতা শুকাইলে, ফুল ঝরিয়া পড়িলে, অতিশয় ব্যথিত হইত। সন্ধ্যাবেলা পিতার নিকট যা-কিছু গল্প শুনিত, বাগানে পাখিটিকে তাহাই শুনানো হইত। এইরূপে করুণা তাহার জীবনের প্রত্যুষকাল অতিশয় সুখে আরম্ভ করিয়াছিল। তাহার পিতা ও প্রতিবাসীরা মনে করিতেন যে, চিরকালই বুঝি ইহার এইরূপে কাটিয়া যাইবে।
আরো দেখুন
নিন্দুকের প্রতি নিবেদন
Verses
               হউক ধন্য তোমর যশ,
                    লেখনী ধন্য হোক,
               তোমার প্রতিভা উজ্জ্বল হয়ে
                    জাগাক সপ্তলোক।
               যদি পথে তব দাঁড়াইয়া থাকি
                    আমি ছেড়ে দিব ঠাঁই--
               কেন হীন ঘৃণা, ক্ষুদ্র এ দ্বেষ,
                    বিদ্রূপ কেন ভাই?
               আমার এ লেখা কারো ভালো লাগে
                    তাহা কি আমার দোষ?
               কেহ কবি বলে ( কেহ বা বলে না )--
                    কেন তাহে তব রোষ?
               কত প্রাণপণ,দগ্ধ হৃদয়,
                    বিনিদ্র বিভাবরী,
               জান কি বন্ধু উঠেছিল গীত
                    কত ব্যথা ভেদ করি?
               রাঙা ফুল হয়ে উঠিছে ফুটিয়া
                    হৃদয়শোণিতপাত,
               অশ্রু ঝলিছে শিশিরের মতো
                    পোহাইয়ে দুখরাত।
               উঠিতেছে কত কণ্টকলতা,
                    ফুলে পল্লবে ঢাকে--
               গভীর গোপন বেদনা-মাঝারে
                    শিকড় আঁকড়ি থাকে।
               জীবনে যে সাধ হয়েছে বিফল
                    সে সাধ ফুটিছে গানে--
               মরীচিকা রচি মিছে সে তৃপ্তি,
                    তৃষ্ণা কাঁদিছে প্রাণে।
               এনেছি তুলিয়া পথের প্রান্তে
                    মর্মকুসুম মম--
               আসিছে পান্থ, যেতেছে লইয়া
                    স্মরণচিহ্নসম।
               কোনো ফুল যাবে দু দিনে ঝরিয়া,
                    কোনো ফুল বেঁচে রবে--
               কোনো ছোটো ফুল আজিকার কথা
                    কালিকার কানে কবে।
               তুমি কেন, ভাই, বিমুখ এমন--
                    নয়নে কঠোর হাসি।
               দূর হতে যেন ফুঁষিছ সবেগে
                    উপেক্ষা রাশি রাশি--
               কঠিন বচন ঝরিছে অধরে
                    উপহাস হলাহলে,
               লেখনীর মুখে করিতে দগ্ধ
                    ঘৃণার অনল জ্বলে।
ভালোবেসে যাহা ফুটেছে পরানে,
                    সবার লাগিবে ভালো,
               যে জ্যোতি হরিছে আমার আঁধার
                    সবারে দিবে সে আলো--
               অন্তরমাঝে সবাই সমান,
                    বাহিরে প্রভেদ ভবে,
               একের বেদনা করুণাপ্রবাহে
                    সান্ত্বনা দিবে সবে।
               এই মনে করে ভালোবেসে আমি
                    দিয়েছিনু উপহার--
               ভালো নাহি লাগে ফেলে যাবে চলে,
                    কিসের ভাবনা তার!
               তোমার দেবার যদি কিছু থাকে
                    তুমিও দাও-না এনে।
               প্রেম দিলে সবে নিকটে আসিবে
                    তোমারে আপন জেনে।
               কিন্তু জানিয়ো আলোক কখনো
                    থাকে না তো ছায়া বিনা,
               ঘৃণার টানেও কেহ বা আসিবে,
                    তুমি করিয়ো না ঘৃণা!
               এতই কোমল মানবের মন
                    এমনি পরের বশ,
               নিষ্ঠুর বাণে সে প্রাণ ব্যথিতে
                    কিছুই নাহিক যশ।
               তীক্ষ্ণ হাসিতে বাহিরে শোণিত,
                    বচনে অশ্রু উঠে,
               নয়নকোণের চাহনি-ছুরিতে
                    মর্মতন্তু টুটে।
সান্ত্বনা দেওয়া নহে তো সহজ,
                    দিতে হয় সারা প্রাণ,
               মানবমনের অনল নিভাতে
                    আপনারে বলিদান।
               ঘৃণা জ্ব'লে মরে আপনার বিষে,
                    রহে না সে চিরদিন--
               অমর হইতে চাহ যদি, জেনো
                    প্রেম সে মরণহীন।
               তুমিও রবে না, আমিও রবনা,
                    দু দিনের দেখা ভবে--
               প্রাণ খুলে প্রেম দিতে পারো যদি
                    তাহা চিরদিন রবে।
               দুর্বল মোরা, কত ভুল করি,
                    অপূর্ণ সব কাজ।
               নেহারি আপন ক্ষুদ্র ক্ষমতা
                    আপনি যে পাই লাজ।
               তা বলে যা পারি তাও করিব না?
                    নিষ্ফল হব ভবে?
               প্রেমফুল ফোটে, ছোটো হল বলে
                    দিব না কি তাহা সবে?
               হয়তো এ ফুল সুন্দর নয়,
                    ধরেছি সবার আগে--
               চলিতে চলিতে আঁখির পলকে
                    ভুলে কারো ভালো লাগে।
               যদি ভুল হয় ক' দিনের ভুল!
                    দু' দিনে ভাঙিবে তবে।
               তোমার এমন শাণিত বচন
                    সেই কি অমর হবে?
আরো দেখুন
ললাটের লিখন
Stories
ছেলেবেলায় পৃথ্বীশের ডান দিকের কপালে চোট লেগেছিল ভুরুর মাঝখান থেকে উপর পর্যন্ত। সেই আঘাতে ডান চোখটাও সংকুচিত। পৃথ্বীশকে ভালো দেখতে কি না সেই প্রশ্নের উত্তরটা কাটা দাগের অবিচারে সম্পূর্ণ হতে পারল না। অদৃষ্টের এই লাঞ্ছনাকে এত দিন থেকে প্রকাশ্যে পৃথ্বীশ বহন করে আসছে তবুও দাগও যেমন মেলায় নি তেমনি ঘোচে নি তার সংকোচ। নতুন কারো সঙ্গে পরিচয় হবার উপলক্ষে প্রত্যেকবার ধিক্‌কারটা জেগে ওঠে মনে। কিন্তু বিধাতাকে গাল দেবার অধিকার তার নেই। তার রচনার ঐশ্বর্যকে বন্ধুরা স্বীকার করছে প্রচুর প্রশংসায়, শত্রুরা নিন্দাবাক্যের নিরন্তর কটুক্তিতে। লেখার চারি দিকে ভিড় জমছে। দু টাকা আড়াই টাকা দামের বইগুলো ছড়িয়ে পড়ছে ঘরে ঘরে। সম্পাদকরা তার কলমের প্রসাদ ছুটোছাঁটা যা-ই পায় কিছুই ছাড়ে না। পাঠিকারা বলে, পৃথ্বীশবাবু মেয়েদের মন ও চরিত্র যেমন আশ্চর্য বোঝেন ও বর্ণনা করেন এমন সাধ্য নেই আর কোনো লেখকের। পুরুষ-বন্ধুরা বলে, ওর লেখায় মেয়েদের এত-যে স্তুতিবাদ সে কেবল হতভাগার ভাঙা কপালের দোষে। মুখশ্রী যদি অক্ষুণ্ন হত তা হলে মেয়েদের সম্বন্ধে সত্য কথা বাধত না মুখে। মুখের চেহারা বিপক্ষতা করায় মুখের অত্যুক্তিকে সহায় করেছে মনোহরণের অধ্যবসায়।
শ্রীমতী বাঁশরি সরকার ব্যারিস্টারি চক্রের মেয়ে-- বাপ ব্যারিস্টার, ভাইরা ব্যারিস্টার। দু বার গেছে য়ুরোপে ছুটি উপলক্ষে। সাজে সজ্জায় ভাষায় ভঙ্গিতে আছে আধুনিক যুগের সুনিপুণ উদ্দামতা। রূপসী বলতে যা বোঝায় তা নয়, কিন্তু আকৃতিটা যেন ফ্রেঞ্চ পালিশ দিয়ে ঝকঝকে করা।
আরো দেখুন
The Further Bank
Verses
I LONG TO GO over there to the further bank of the river,
Where those boats are tied to the bamboo poles in a line;
Where men cross over in their boats in the morning with ploughs on their shoulders to till their far-away fields;
Where the cowherds make their lowing cattle swim across to the riverside pasture;
Whence they all come back home in the evening, leaving the jackals to howl in the island overgrown with weeds.
Mother, if you don't mind, I should like to become the boatman of the ferry when I am grown up.
They say there are strange pools hidden behind that high bank,
Where flocks of wild ducks come when the rains are over, and thick reeds grow round the margins where waterbirds lay their eggs;
Where snipes with their dancing tails stamp their tiny footprints upon the clean soft mud;
Where in the evening the tall grasses crested with white flowers invite the moonbeam to float upon their waves.
Mother, if you don't mind, I should like to become the boatman of the ferryboat when I am grown up.
I shall cross and cross back from bank to bank, and all the boys and girls of the village will wonder at me while they are bathing.
When the sun climbs the mid sky and morning wears on to noon,
I shall come running to you, saying, 'Mother, I am hungry!'
When the day is done and the shadows cower under the trees, I shall come back in the dusk.
I shall never go away from you into the town to work like father.
Mother, if you don't mind, I should like to become the boatman of the ferryboat when I am grown up.
আরো দেখুন
ঠাকুরদা
Stories
নয়নজোড়ের জমিদারেরা এককালে বাবু বলিয়া বিশেষ বিখ্যাত ছিলেন। তখনকার কালের বাবুয়ানার আদর্শ বড়ো সহজ ছিল না। এখন যেমন রাজা-রায়বাহাদুর খেতাব অর্জন করিতে অনেক খানা নাচ ঘোড়দৌড় এবং সেলাম-সুপারিশের শ্রাদ্ধ করিতে হয়, তখনো সাধারণের নিকট হইতে বাবু উপাধি লাভ করিতে বিস্তর দুঃসাধ্য তপশ্চরণ করিতে হইত।
আমাদের নয়নজোড়ের বাবুরা পাড় ছিঁড়িয়া ফেলিয়া ঢাকাই কাপড় পরিতেন, কারণ পাড়ের কর্কশতায় তাঁহাদের সুকোমল বাবুয়ানা ব্যথিত হইত। তাঁহারা লক্ষ টাকা দিয়া বিড়ালশাবকের বিবাহ দিতেন এবং কথিত আছে, একবার কোনো উৎসব উপলক্ষে রাত্রিকে দিন করিবার প্রতিজ্ঞা করিয়া অসংখ্য দীপ জ্বলাইয়া সূর্যকিরণের অনুকরণে তাঁহারা সাচ্চা রুপার জরি উপর হইতে বর্ষণ করিয়াছিলেন।
আরো দেখুন
দিদি
Stories
পল্লীবাসিনী কোনো-এক হতভাগিনীর অন্যায়কারী অত্যাচারী স্বামীর দুষ্কৃতিসকল সবিস্তারে বর্ণনপূর্বক প্রতিবেশিনী তারা অত্যন্ত সংক্ষেপে নিজের রায় প্রকাশ করিয়া কহিল, 'এমন স্বামীর মুখে আগুন।'
শুনিয়া জয়গোপালবাবুর স্ত্রী শশী অত্যন্ত পীড়া অনুভব করিলেন-- স্বামীজাতির মুখে চুরটের আগুন ছাড়া অন্য কোনো প্রকার আগুন কোনো অবস্থাতেই কামনা করা স্ত্রীজাতিকে শোভা পায় না।
আরো দেখুন
মেঘমুক্ত
Verses
ভোর থেকে আজ বাদল ছুটেছে,
            আয় গো আয়--
কাঁচা রোদখানি পড়েছে বনের
            ভিজে পাতায়।
ঝিকিঝিকি করি কাঁপিতেছে বট,        
ওগো ঘাটে আয়, নিয়ে আয় ঘট--
পথের দু ধারে শাখে শাখে আজি
            পাখিরা গায়।
                    ভোর থেকে আজ বাদল ছুটেছে,
                             আয় গো আয়।
তোমাদের সেই ছায়া-ঘেরা দিঘি,
            না আছে তল--
কূলে কূলে তার ছেপে ছেপে আজি
            উঠেছে জল।
এ ঘাট হইতে ও ঘাটে তাহার
কথা-বলাবলি নাহি চলে আর
একাকার হল তীরে আর নীরে
            তাল-তলায়।
                    আজ ভোর হতে নাই গো বাদল,
                             আয় গো আয়।
ঘাটে পঁইঠায় বসিবি বিরলে
            ডুবায়ে গলা,
হবে পুরাতন প্রাণের কথাটি
            নূতন বলা।
সে কথার সাথে রেখে রেখে মিল
থেকে থেকে ডেকে উঠিবে কোকিল,
কানাকানি করে ভেসে যাবে মেঘ
      আকাশ-গায়।
          আজ ভোর থেকে নাই গো বাদল,
                    আয় গো আয়।
তপন-আতপে আতপ্ত হয়ে
            উঠেছে বেলা;
খঞ্জন দুটি আলস্যভরে
            ছেড়েছে  খেলা।
কলস পাকড়ি আঁকড়িয়া বুকে
ভরা জলে তোরা ভেসে যাবি সুখে,
তিমিরনিবিড় ঘনঘোর ঘুমে
     স্বপনপ্রায়।
        আজ ভোর থেকে নাই গো বাদল,
                আয় গো আয়।
মেঘ ছুটে গেল নাই গো বাদল,
            আয় গো আয়।
আজিকে সকালে শিথিল কোমল
            বহিছে বায়।
পতঙ্গ যেন ছবিসম আঁকা
শৈবাল-প'রে মেলে আছে পাখা,
জলের কিনারে বসে আছে বক
     গাছের ছায়।
             আজ ভোর হতে নাই গো বাদল,
                      আয় গো আয়।
আরো দেখুন