কর্তার ভূত
Stories
বুড়ো কর্তার মরণকালে দেশসুদ্ধ সবাই বলে উঠল, 'তুমি গেলে আমাদের কী দশা হবে।'
শুনে তারও মনে দুঃখ হল। ভাবলে, 'আমি গেলে এদের ঠাণ্ডা রাখবে কে।'
আরো দেখুন
প্রথম চিঠি
Stories
বধূর সঙ্গে তার প্রথম মিলন, আর তার পরেই সে এই প্রথম এসেছে প্রবাসে।
চলে যখন আসে তখন বধূর লুকিয়ে কান্নাটি ঘরের আয়নার মধ্যে দিয়ে চকিতে ওর চোখে পড়ল।
আরো দেখুন
রাসমণির ছেলে
Stories
কালীপদর মা ছিলেন রাসমণি-- কিন্তু তাঁহাকে দায়ে পড়িয়া বাপের পদ গ্রহণ করিতে হইয়াছিল। কারণ, বাপ মা উভয়েই মা হইয়া উঠিলে ছেলের পক্ষে সুবিধা হয় না। তাঁহার স্বামী ভবানীচরণ ছেলেকে একেবারেই শাসন করিতে পারেন না।
তিনি কেন এত বেশি আদর দেন তাহা জিজ্ঞাসা করিলে তিনি যে উত্তর দিয়া থাকেন তাহা বুঝিতে হইলে পূর্ব ইতিহাস জানা চাই।
আরো দেখুন
ভুল স্বর্গ
Stories
লোকটি নেহাত বেকার ছিল।
তার কোনো কাজ ছিল না, কেবল শখ ছিল নানা রকমের।
আরো দেখুন
তারে কেমনে ধরিবে সখী
Songs
তারে কেমনে ধরিবে, সখী, যদি ধরা দিলে।
তারে কেমনে কাঁদাবে, যদি আপনি কাঁদিলে।
যদি মন পেতে চাও, মন রাখো গোপনে।
কে তারে বাঁধিবে, তুমি আপনায় বাঁধিলে।
কাছে আসিলে তো কেহ কাছে রহে না।
কথা কহিলে তো কেহ কথা কহে না।
হাতে পেলে ভূমিতলে ফেলে চলে যায়।
হাসিয়ে ফিরায় মুখ কাঁদিয়ে সাধিলে।
আরো দেখুন
বিরহ
Verses
     আমি     নিশি নিশি কত রচিব শয়ন
                   আকুলনয়ন রে!
     কত      নিতি নিতি বনে করিব যতনে
                   কুসুমচয়ন রে!
     কত      শারদ যামিনী হইবে বিফল,
                   বসন্ত যাবে চলিয়া!
     কত      উদিবে তপন আশার স্বপন,
                   প্রভাতে যাইবে ছলিয়া!
     এই      যৌবন কত রাখিব বাঁধিয়া,
                   মরিব কাঁদিয়া রে!
     সেই     চরণ পাইলে মরণ মাগিব
                   সাধিয়া সাধিয়া রে।
     আমি     কার পথ চাহি এ জনম বাহি,
                   কার দরশন যাচি রে!
     যেন     আসিবে বলিয়া কে গেছে চলিয়া,
                   তাই আমি বসে আছি রে।
     তাই     মালাটি  গাঁথিয়া পরেছি মাথায়
                   নীলবাসে তনু ঢাকিয়া,
     তাই     বিজন আলয়ে প্রদীপ জ্বালায়ে
                   একেলা রয়েছি জাগিয়া।
     ওগো    তাই কত নিশি চাঁদ ওঠে হাসি,
                   তাই কেঁদে যায় প্রভাতে।
     ওগো    তাই ফুলবনে মধু সমীরণে
                   ফুটে ফুল কত শোভাতে!
     ওই      বাঁশিস্বর তার আসে বার বার,
                   সেই  শুধু কেন আসে না!
     এই      হৃদয়-আসন শূন্য যে থাকে,
                   কেঁদে মরে শুধু বাসনা।
     মিছে    পরশিয়া কায় বায়ু বহে যায়,
                   বহে যমুনার লহরী,
     কেন     কুহু কুহু পিক কুহরিয়া ওঠে--
                   যামিনী যে ওঠে শিহরি।
     ওগো    যদি নিশিশেষে আসে হেসে হেসে
                   মোর হাসি আর রবে কি!
     এই      জাগরণে ক্ষীণ বদন মলিন
                   আমারে হেরিয়া কবে কী!
     আমি     সারা রজনীর গাঁথা ফুলমালা
                   প্রভাতে চরণে ঝরিব,
     ওগো    আছে সুশীতল যমুনার জল--
                   দেখে তারে আমি মরিব।
আরো দেখুন
সুয়োরানীর সাধ
Stories
সুয়োরানীর বুঝি মরণকাল এল।
তার প্রাণ হাঁপিয়ে উঠছে, তার কিছুই ভালো লাগছে না। বদ্দি বড়ি নিয়ে এল। মধু দিয়ে মেড়ে বললে, 'খাও।' সে ঠেলে ফেলে দিলে।
আরো দেখুন
ফাগুনের শুরু হতেই
Songs
          ফাগুনের শুরু হতেই শুকনো পাতা ঝরল যত
তারা আজ   কেঁদে শুধায়,   'সেই ডালে ফুল ফুটল কি গো,
              ওগো কও   ফুটল কত।'
     তারা কয়,   'হঠাৎ হাওয়ায় এল ভাসি
                        মধুরের সুদূর হাসি   হায়।
     খ্যাপা হাওয়ায় আকুল হয়ে ঝরে গেলেম শত শত।'
তারা কয়,   'আজ কি তবে এসেছে সে   নবীন বেশে।
     আজ কি তবে এত ক্ষণে   জাগল বনে   যে গান ছিল মনে মনে।
              সেই বারতা কানে নিয়ে
                        যা ই   যাই চলে এই বারের মতো।'
আরো দেখুন