10
Verses
YOU TOOK MY hand and drew me to your side, made me sit on the high seat before all men, till I became timid, unable to stir and walk my own way; doubting and debating at every step lest I should tread upon any thorn of their disfavour.
I am freed at last!
The blow has come, the drum of insult sounded, my seat is laid low in the dust.
My paths are open before me.
My wings are full of the desire of the sky.
I go to join the shooting stars of midnight, to plunge into the profound shadow.
I am like the storm-driven cloud of summer that, having cast off its crown of gold, hangs as a sword the thunderbolt upon a chain of lightning.
In desperate joy I run upon the dusty path of the despised; I draw near to your final welcome.
The child finds its mother when it leaves her womb.
When I am parted from you, thrown out from your household, I am free to see your face.
আরো দেখুন
কী ধ্বনি বাজে
Songs
        কী ধ্বনি বাজে
গহনচেতনামাঝে!
        কী আনন্দে উচ্ছ্বসিল
মম তনুবীণা গহনচেতনামাঝে।
মনপ্রাণহরা সুধা-ঝরা
        পরশে ভাবনা উদাসীনা॥
আরো দেখুন
2
Verses
কেবল তব মুখের পানে
     চাহিয়া,
বাহির হনু তিমির-রাতে
  তরণীখানি বাহিয়া।
  অরুণ আজি উঠেছে--
  আশোক আজি ফুটেছে--
না যদি উঠে,না যদি ফুটে,
তবুও আমি চলিব ছুটে
  তোমার মুখে চাহিয়া।
নয়নপাতে ডেকেছ মোরে
      নীরবে।
হৃদয় মোর নিমেষ-মাঝে
    উঠেছে ভরি গরবে।
    শঙ্খ তব বাজিল--
    সোনার তরী সাজিল--
না যদি বাজে, না যদি সাজে,
গরব যদি টুটে গো লাজে
    চলিব তবু নীরবে।
কথাটি আমি শুধাব নাকো
      তোমারে।
দাঁড়াব নাকো ক্ষণেক-তরে
  দ্বিধার ভরে দুয়ারে।
  বাতাসে পাল ফুলিছে--
  পতাকা আজি দুলিছে--
না যদি ফুলে, না যদি দুলে,
তরণী যদি না লাগে কূলে
  শুধাব নাকো তোমারে।
আরো দেখুন
এ হরিসুন্দর
Songs
         এ হরিসুন্দর, এ         হরিসুন্দর,      মস্তক নমি         তব চরণ-’পরে।।
         সেবকজনের সেবায় সেবায়,    প্রেমিকজনের প্রেমমহিমায়,
         দুঃখীজনের বেদনে                 বেদনে,      সুখীর আনন্দে                 সুন্দর হে,
                                             মস্তক                     নমি তব চরণ-’পরে।।
         কাননে কাননে শ্যামল শ্যামল    পর্বতে পর্বতে উন্নত                         উন্নত,
         নদীতে নদীতে                             চঞ্চল চঞ্চল,     সাগরে সাগরে গম্ভীর                             হে,
                                          মস্তক                                 নমি                                 তব চরণ-’পরে।
         চন্দ্র সূর্য                                     জ্বালে নির্মল দীপ–    তব জগমন্দির উজল করে,
                                         মস্তক নমি তব চরণ-’পরে।।
আরো দেখুন
আরো-সত্য
Stories
দাদামশায়, সেদিন তুমি যে আরও-সত্যির কথা বলছিলে, সে কি কেবল পরীস্থানেই দেখা যায়।
আমি বললুম, তা নয় গো, এ পৃথিবীতেও তার অভাব নেই। তাকিয়ে দেখলেই হয়। তবে কিনা সেই দেখার চাউনি থাকা চাই।
আরো দেখুন
একটি দিন
Stories
মনে পড়ছে সেই দুপুরবেলাটি। ক্ষণে ক্ষণে বৃষ্টিধারা ক্লান্ত হয়ে আসে, আবার দমকা হাওয়া তাকে মাতিয়ে তোলে।
ঘরে অন্ধকার, কাজে মন যায় না। যন্ত্রটা হাতে নিয়ে বর্ষার গানে মল্লারের সুর লাগালেম।
আরো দেখুন
প্রায়শ্চিত্ত
Stories
মণীন্দ্র ছেলেটির বয়স হবে চোদ্দ। তার বুদ্ধি খুব তীক্ষ্ণ কিন্তু পড়াশুনায় বিশেষ মনোযোগ নেই। তবু সে স্বভাবতই মেধাবী বলে বৎসরে বৎসরে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। কিন্তু অধ্যাপকেরা তার কাছে যতটা প্রত্যাশা করেন সে-অনুরূপ ফল হয় না। মণীন্দ্রের পিতা দিব্যেন্দু ছিলেন এই বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ। কর্তব্যে ছেলের শৈথিল্য দেখে তাঁর মন উদ্‌বিগ্ন ছিল।
অক্ষয় মণীন্দ্রের সঙ্গে এক ক্লাসে পড়ে। সে বড়ো দরিদ্র। ছাত্রবৃত্তির 'পরেই তার নির্ভর। মা বিধবা। বহু কষ্টে অক্ষয়কে মানুষ করেছেন। তার পিতা প্রিয়নাথ যখন জীবিত ছিলেন তখন যথেষ্ট উপার্জন করতেন। লোকের কাছে তাঁর সম্মানও ছিল খুব বেশি। কিন্তু ব্যয় করতেও তিনি মুক্ত হস্ত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পরে দেখা গেল যত তাঁর ঋণ, সম্পত্তি তার অর্ধেকও নয়। অক্ষয়ের মা সাবিত্রী তাঁর যত কিছু অলংকার, গাড়ি ঘোড়া বাড়ি গৃহসজ্জা প্রভৃতি সমস্ত বিক্রয় করে ক্রমে ক্রমে স্বামীর ঋণ শোধ করেছেন।
আরো দেখুন
হৈমন্তী
Stories
কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন,মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গেছে, কিন্তু আর কিছুদিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গেছে বটে, কিন্তু পণের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিৎ উপরে আছে, সেইজন্যই তাড়া।
আমি ছিলাম বর। সুতরাং, বিবাহসম্বন্ধে আমার মত যাচাই করা অনাবশ্যক ছিল। আমার কাজ আমি করিয়াছি, এফ.এ. পাস করিয়া বৃত্তি পাইয়াছি। তাই প্রজাপতির দুই পক্ষ, কন্যাপক্ষ ও বরপক্ষ ঘন ঘন বিচলিত হইয়া উঠিল।
আরো দেখুন
শেষের রাত্রি
Stories
'মাসি !'
'ঘুমোও,যতীন,রাত হল যে ।'
আরো দেখুন
একটি ক্ষুদ্র পুরাতন গল্প
Stories
গল্প বলিতে হইবে। কিন্তু আর তো পারি না। এখন এই পরিশ্রান্ত অক্ষম ব্যক্তিটিকে ছুটি দিতে হইবে।
এ পদ আমাকে কে দিল বলা কঠিন। ক্রমে ক্রমে একে একে তোমরা পাঁচজন আসিয়া আমার চারিদিকে কখন জড়ো হইলে, এবং কেন যে তোমরা আমাকে এত অনুগ্রহ করিলে এবং আমার কাছে এত প্রত্যাশা করিলে, তাহা বলা আমার পক্ষে দুঃসাধ্য। অবশ্যই সে তোমাদের নিজগুণে; শুভাদৃষ্টক্রমে আমার প্রতি সহসা তোমাদের অনুগ্রহ উদয় হইয়াছিল। এবং যাহাতে সে অনুগ্রহ রক্ষা হয় সাধ্যমতো সে চেষ্টার ত্রুটি হয় নাই।
আরো দেখুন