দালিয়া
Stories
পরাজিত শা সুজা ঔরঞ্জীবের ভয়ে পলায়ন করিয়া আরাকান-রাজের আতিথ্য গ্রহণ করেন। সঙ্গে তিন সুন্দরী কন্যা ছিল। আরাকান-রাজের ইচ্ছা হয়, রাজপুত্রদের সহিত তাহাদের বিবাহ দেন। সেই প্রস্তাবে শা সুজা নিতান্ত অসন্তোষ প্রকাশ করাতে একদিন রাজার আদেশে তাঁহাকে ছলক্রমে নৌকাযোগে নদীমধ্যে লইয়া নৌকা ডুবাইয়া দিবার চেষ্টা করা হয়। সেই বিপদের সময় কনিষ্ঠা বালিকা আমিনাকে পিতা স্বয়ং নদীমধ্যে নিক্ষেপ করেন। জ্যেষ্ঠা কন্যা আত্মহত্যা করিয়া মরে। এবং সুজার একটি বিশ্বাসী কর্মচারী রহমত আলি জুলিখাকে লইয়া সাঁতার দিয়া পালায়, এবং সুজা যুদ্ধ করিতে করিতে মরেন।
আমিনা খরস্রোতে প্রবাহিত হইয়া দৈবক্রমে অনতিবিলম্বে এক ধীবরের জালে উদ্‌ধৃত হয় এবং তাহারই গৃহে পালিত হইয়া বড়ো হইয়া উঠে।
আরো দেখুন
101
Verses
SINCE THE FIRST day-break of human age misted with myths,
they walk wonder-eyed on strange shores, the seekers,
and the fighters march at the drum-beats of storm gods
towards an ever-distant time,
along an endless stretch of battle-fields.
The earth trembles at the ceaseless treads of deadly pursuits,
the midnight sleep is troubled,
the easeful life is embittered
and death is made precious.
Those who rushed out at the urge of the road
ever move on beyond the boundaries of death,
and those who clung to their homes
are doomed to lie perpetually encased in the shell of a rigid
life in a soulless world.
Who is there who must be lured by an insipid peace,
by a stagnant stinking security,
and dully choose to build his shelter in a realm of ghosts?
In the beginning man found himself
at the cross-road of existence.
The provision of his journey was given him of his blood,
in his dream, in his path itself.
When he sat down to fix his plan and raised his tower high among clouds its base crumbled away;
he built his dyke only to let it be swept away by floods.
Time and again he fell asleep in his hall of tired carousal
in the gasping light of smoke-bedimmed lamps,
till a sudden assault of a nightmare choked him,
rattled his ribs together
and he woke up in a groaning agony of death.
A sudden awakening has often startled him forth
from the ring-fence of decrepit centuries
towards undefined horizons,
and an impulse forced him away from the fetter of his swollen success,
reminding him that pillars of triumph across Time's chariot-path
bury the builder under their nameless ruins.
He hastens to join the army of the wreckers of patterns
coming from all ages,
crossing hills,
breaking stone walls,
bursting iron gates
while the sky throbs with the drum-beats of Eternity.
আরো দেখুন
316
Verses
LET ME live truly, my Lord, so that death to me become true.
আরো দেখুন
খেলা
Verses
ছেলেতে মেয়েতে করে খেলা
ঘাসের 'পরে সাঁঝের বেলা।
ঘোর ঘোর গাছের তলে তলে,
     ফাঁকায় পড়েছে মলিন আলো,
কোথাও যেন সোনার ছায়া ছায়া
     কোথাও যেন আঁধার কালো কালো।
আকাশের ধারে ধারে ঘিরে,
     বসেছে রাঙা মেঘের মেলা-
শ্যামল ঘাসের 'পরে, সাঁঝে
আলো-আঁধারের মাঝে মাঝে,
     ছেলেতে মেয়েতে করে খেলা।
ওরা যে কেন হেসে সারা,
          কেন যে করে অমনধারা,
              কেন যে লুটোপুটি,
              কেন যে ছুটোছুটি,
              কেন যে আহ্লাদে কুটিকুটি।
              কেহ বা ঘাসে গড়ায়,
              কেহ বা নেচে বেড়ায়,
              সাঁঝের সোনা-আকাশে
              হাসির সোনা ছড়ায়।
              আঁখি দুটি নৃত্য করে,
              নাচে চুল পিঠের 'পরে,
          হাসিগুলি চোখে মুখে লুকোচুরি খেলা করে।
যেন          মেঘের কাছে ছুটি পেয়ে
              বিদ্যুতেরা এল ধেয়ে,
          আনন্দে হল রে আপন-হারা।
ওদের        হাসি দেখে খেলা দেখে
              আকাশের এক ধারে থেকে
          মৃদু মৃদু হাসছে একটি তারা।
          ঝাউগাছে পাতাটি নড়ে না,
          কামিনীর পাপড়িটি পড়ে না।
              আঁধার কাকের দল
              সাঙ্গ করি কোলাহল
              কালো কালো গাছের ছায়,
              কে কোথায় মিশায়ে যায়--
          আকাশেতে পাখিটি ওড়ে না।
              সাড়াশব্দ কোথায় গেল,
              নিঝুম হয়ে এল এল
          গাছপালা বন গ্রামের আশেপাশে।
শুধু খেলার কোলাহল,
       শিশুকন্ঠের কলকল,
হাসির ধ্বনি উঠেছে আকাশে।
       কত আর খেলবি ও রে,
       নেচে নেচে হাতে ধ'রে
যে যায় ঘরে চলে আয় ঝাট্‌,
আঁধার হয়ে এল পথঘাট।
       সন্ধ্যাদীপ জ্বলল ঘরে,
       চেয়ে আছে তোদের তরে-
তোদের না হেরিলে মার কোলে
ঘরের প্রাণ কাঁদে সন্ধে হলে।
আরো দেখুন
67
Verses
I.9. na jane sahab kaisa hai
I DO NOT KNOW what manner of God is mine.
The Mullah cries aloud to Him: and why? Is your Lord deaf? The subtle anklets that ring on the feet of an insect when it moves are heard of Him.
Tell your beads, paint your forehead with the mark of your God, and wear matted locks long and showy: but a deadly weapon is in your heart, and how shall you have God?
আরো দেখুন
অসময়
Verses
বৃথা চেষ্টা রাখি দাও। স্তব্ধ নীরবতা
আপনি গড়িবে তুলি আপনার কথা।
আজি সে রয়েছে ধ্যানে--এ হৃদয় মম
তপোভঙ্গভয়ভীত তপোবনসম।
এমন সময়ে হেথা বৃথা তুমি প্রিয়া
বসন্তকুসুমমালা এসেছ পরিয়া,
এনেছ অঞ্চল ভরি যৌবনের স্মৃতি--
নিভৃত নিকুঞ্জে আজি নাই কোনো গীতি।
শুধু এ মর্মরহীন বনপথ-'পরি
তোমারি মঞ্জীর দুটি উঠিছে গুঞ্জরি।
প্রিয়তমে, এ কাননে এলে অসময়ে,
কালিকার গান আজি আছে মৌন হয়ে।
তোমারে হেরিয়া তারা হতেছে ব্যাকুল,
অকালে ফুটিতে চাহে সকল মুকুল।
আরো দেখুন
বাণী
Stories
ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি হয়ে আকাশের মেঘ নামে, মাটির কাছে ধরা দেবে ব'লে। তেমনি কোথা থেকে মেয়েরা আসে পৃথিবীতে বাঁধা পড়তে।
তাদের জন্য অল্প জায়গার জগৎ, অল্প মানুষের। ঐটুকুর মধ্যে আপনার সবটাকে ধরানো চাই-- আপনার সব কথা, সব ব্যথা, সব ভাবনা। তাই তাদের মাথায় কাপড়, হাতে কাঁকন, আঙিনায় বেড়া। মেয়েরা হল সীমাস্বর্গের ইন্দ্রাণী।
আরো দেখুন
Fulfilment
Verses
THE OVERFLOWING bounty of thy grace comes down from the heaven to seek my soul only, wherein it can contain itself.
The light that is rained from the sun and stars is fulfilled when it reaches my life.
The colour is like sleep that clings, to the flower which waits for the touch of my mind to be awakened.
The low that tunes the strings of existence breaks out in music when my heart is won.
আরো দেখুন
আমায় বাঁধবে যদি
Songs
        আমায়  বাঁধবে যদি কাজের ডোরে
        কেন    পাগল কর এমন ক'রে ?।
বাতাস আনে কেন জানি কোন্‌ গগনের গোপন বাণী,
             পরানখানি দেয় যে ভ'রে ॥
সোনার আলো কেমনে হে,   রক্তে নাচে সকল দেহে।
কারে পাঠাও ক্ষণে ক্ষণে       আমার খোলা বাতায়নে,
             সকল হৃদয় লয় যে হ'রে ॥
আরো দেখুন
ঠাকুরদা
Stories
নয়নজোড়ের জমিদারেরা এককালে বাবু বলিয়া বিশেষ বিখ্যাত ছিলেন। তখনকার কালের বাবুয়ানার আদর্শ বড়ো সহজ ছিল না। এখন যেমন রাজা-রায়বাহাদুর খেতাব অর্জন করিতে অনেক খানা নাচ ঘোড়দৌড় এবং সেলাম-সুপারিশের শ্রাদ্ধ করিতে হয়, তখনো সাধারণের নিকট হইতে বাবু উপাধি লাভ করিতে বিস্তর দুঃসাধ্য তপশ্চরণ করিতে হইত।
আমাদের নয়নজোড়ের বাবুরা পাড় ছিঁড়িয়া ফেলিয়া ঢাকাই কাপড় পরিতেন, কারণ পাড়ের কর্কশতায় তাঁহাদের সুকোমল বাবুয়ানা ব্যথিত হইত। তাঁহারা লক্ষ টাকা দিয়া বিড়ালশাবকের বিবাহ দিতেন এবং কথিত আছে, একবার কোনো উৎসব উপলক্ষে রাত্রিকে দিন করিবার প্রতিজ্ঞা করিয়া অসংখ্য দীপ জ্বলাইয়া সূর্যকিরণের অনুকরণে তাঁহারা সাচ্চা রুপার জরি উপর হইতে বর্ষণ করিয়াছিলেন।
আরো দেখুন
দৃষ্টিদান
Stories
শুনিয়াছি, আজকাল অনেক বাঙালির মেয়েকে নিজের চেষ্টায় স্বামী সংগ্রহ করিতে হয়। আমিও তাই করিয়াছি, কিন্তু দেবতার সহায়তায়। আমি ছেলেবেলা হইতে অনেক ব্রত এবং অনেক শিবপূজা করিয়াছিলাম।
আমার আটবৎসর বয়স উত্তীর্ণ না হইতেই বিবাহ হইয়া গিয়াছিল। কিন্তু পূর্বজন্মের পাপবশত আমি আমার এমন স্বামী পাইয়াও সম্পূর্ণ পাইলাম না। মা ত্রিনয়নী আমার দুইচক্ষু লইলেন। জীবনের শেষমুহূর্ত পর্যন্ত স্বামীকে দেখিয়া লইবার সুখ দিলেন না।
আরো দেখুন