নাম তার সন্তোষ
Verses
নাম তার সন্তোষ,
   জঠরে অগ্নিদোষ,
হাওয়া খেতে গেল সে পচম্বা।
নাকছাবি দিয়ে নাকে
   বাঘনাপাড়ায় থাকে
     বউ তার বেঁটে জগদম্বা।
ডাক্তার গ্রেগ্‌সন
   দিল ইনজেক্‌শন--
দেহ হল সাত ফুট লম্বা।
এত বাড়াবাড়ি দেখে
     সন্তোষ কহে হেঁকে,
'অপমান সহিব কথম্‌ বা।
     শুন ডাক্তার ভায়া,
       উঁচু করো মোর পায়া,
     স্ত্রীর কাছে কেন রব কম বা।
     খড়ম জোড়ায় ঘষে
       ওষুধ লাগাও কষে'--
     শুনে ডাক্তার হতভম্বা।
আরো দেখুন
জানি নাই গো
Songs
     জানি নাই গো সাধন তোমার বলে কারে।
আমি        ধুলায় বসে খেলেছি এই
                        তোমার দ্বারে ॥
অবোধ আমি ছিলেম বলে     যেমন খুশি এলেম চলে,
     ভয় করি নি তোমায় আমি অন্ধকারে ॥
তোমার     জ্ঞানী আমায় বলে কঠিন তিরস্কারে,
     "পথ দিয়ে তুই আসিস নি যে, ফিরে যা রে।'
ফেরার পন্থা বন্ধ করে     আপনি বাঁধো বাহুর ডোরে,
     ওরা আমায় মিথ্যা ডাকে বারে বারে ॥
আরো দেখুন
4
Verses
কল্যাণীয় শ্রীমান অসিতকুমার হালদার
    
     আমার মূর্তি পূর্ণ করি
         মুক্তি পেল' তোমার শক্তি,
     রেখায় রেখায় নিত্য শিখায়
         দীপ্তি পেল তোমার ভক্তি।
     চক্ষে তোমার প্রাণের মন্ত্র,
         তাই তো তোমার ধ্যানের দৃষ্টি
     তোমার রসে আমার রূপে
         রচিল এই নূতন সৃষ্টি।
আরো দেখুন
খাতা
Stories
লিখিতে শিখিয়া অবধি উমা বিষম উপদ্রব আরম্ভ করিয়াছে। বাড়ির প্রত্যেক ঘরের দেয়ালে কয়লা দিয়া বাঁকা লাইন কাটিয়া বড়ো বড়ো কাঁচা অক্ষরে কেবলই লিখিতেছে--জল পড়ে, পাতা নড়ে।
তাহার বউঠাকুরানীর বালিশের নিচে 'হরিদাসের গুপ্তকথা' ছিল, সেটা সন্ধান করিয়া বাহির করিয়া তাহার পাতায় পাতায় পেনসিল দিয়া লিখিয়াছে--কালো জল, লাল ফুল।
আরো দেখুন
The Patriot
Stories
I AM SURE that Chitragupta, who keeps strict record at the gate of Death, must have noted down in big letters accusations against me, which had escaped my attention altogether. On the other hand many of my sins, that have passed unnoticed by others, loom large in my own memory. The story of my transgression, that I am going to relate, belongs to the latter kind, and I hope that a frank confession of it, before it is finally entered in the Book of Doom, may lessen its culpability.
It all happened yesterday afternoon, on a day of festival for the Jains in our neighbourhood. I was going out with my wife, Kalika, to tea at the house of my friend Nayanmohan.
আরো দেখুন
একরাত্রি
Stories
সুরবালার সঙ্গে একত্রে পাঠশালায় গিয়াছি, বউ-বউ খেলিয়াছি। তাহাদের বাড়িতে গেলে সুরবালার মা আমাকে বড় যত্ন করিতেন এবং আমাদের দুইজনকে একত্র করিয়া  আপনা-আপনি বলাবলি করিতেন,'আহা দুটিতে বেশ মানায়।'
ছোট ছিলাম কিন্তু কথাটার অর্থ একরকম বুঝতে পারিতাম। সুরবালার প্রতি যে সর্বসাধারণের অপেক্ষা আমার কিছু বিশেষ দাবি ছিল, সে ধারণা আমার মনে বদ্ধমূল হইয়া গিয়াছিল। সেই অধিকারমদে মত্ত হইয়া তাহার প্রতি যে আমি শাসন এবং উপদ্রব না করিতাম তাহা নহে। সেও সহিষ্ণুভাবে আমার সকলরকম  ফরমাশ খাটিত এবং শাস্তি বহন করিত। পাড়ায় তাহার রূপের প্রশংসা ছিল, কিন্তু বর্বর বালকের চক্ষে সে সৌন্দর্যের কোনো গৌরব ছিল না-- আমি কেবল জানিতাম, সুরবালা আমারই প্রভুত্ব স্বীকার করিবার জন্য পিতৃগৃহে জন্মগ্রহণ করিয়াছিল, এইজন্য সে আমার বিশেষরূপ অবহেলার পাত্র।
আরো দেখুন
The Victory
Stories
SHE WAS THE Princess Ajita. And the court poet of King Narayan had never seen her. On the day he recited a new poem to the king he would raise his voice just to that pitch which could be heard by unseen hearers in the screened balcony high above the hall. He sent up his song towards the star-land out of his reach, where, circled with light, the planet who ruled his destiny shone unknown and out of ken.
He would espy some shadow moving behind the veil. A tinkling sound would come to his ear from afar, and would set him dreaming of the ankles whose tiny golden bells sang at each step. Ah, the rosy red tender feet that walked the dust of the earth like God's mercy on the fallen! The poet had placed them on the altar of his heart, where he wove his songs to the tune of those golden bells. Doubt never arose in his mind as to whose shadow it was that moved behind the screen, and whose anklets they were that sang to the time of his beating heart.
আরো দেখুন
উৎসর্গ
Stories
শেষ পারানির খেয়ায় তুমি
    দিনশেষের নেয়ে
আরো দেখুন
সিদ্ধি
Stories
স্বর্গের অধিকারে মানুষ বাধা পাবে না, এই তার পণ। তাই, কঠিন সন্ধানে অমর হবার মন্ত্র সে শিখে নিয়েছে। এখন একলা বনের মধ্যে সেই মন্ত্র সে সাধনা করে।
বনের ধারে ছিল এক কাঠকুড়নি মেয়ে। সে মাঝে মাঝে আঁচলে ক'রে তার জন্যে ফল নিয়ে আসে, আর পাতার পাত্রে আনে ঝরনার জল।
আরো দেখুন
অচেনাকে ভয় কী আমার ওরে
Verses
অচেনাকে ভয় কী আমার ওরে।
      অচেনাকেই চিনে চিনে
              উঠবে জীবন ভরে।
      জানি জানি আমার চেনা
      কোনো কালেই ফুরাবে না,
      চিহ্নহারা পথে আমায়
               টানবে অচিন-ডোরে।
      ছিল আমার মা অচেনা,
              নিল আমায় কোলে।
      সকল প্রেমই অচেনা গো,
              তাই তো হৃদয় দোলে।
      অচেনা এই ভুবন-মাঝে
      কত সুরেই হৃদয় বাজে,
      অচেনা এই জীবন আমার--
              বেড়াই তারি ঘোরে।
আরো দেখুন
প্রথম শোক
Stories
বনের ছায়াতে যে পথটি ছিল সে আজ ঘাসে ঢাকা।
সেই নির্জনে হঠাৎ পিছন থেকে কে বলে উঠল, 'আমাকে চিনতে পার না?'
আরো দেখুন