নতুন পুতুল
Stories
এই গুণী কেবল পুতুল তৈরি করত; সে পুতুল রাজবাড়ির মেয়েদের খেলার জন্যে।
বছরে বছরে রাজবাড়ির আঙিনায় পুতুলের মেলা বসে। সেই মেলায় সকল কারিগরই এই গুণীকে প্রধান মান দিয়ে এসেছে।
আরো দেখুন
বিজ্ঞানী
Stories
দাদামশায়, নীলমণিবাবুকে তোমার এত কেন ভালো লাগে আমি তো বুঝতে পারি নে।
এই প্রশ্নটা পৃথিবীর সবচেয়ে শক্ত প্রশ্ন, এর ঠিক উত্তর ক'জন লোকে দিতে পারে।
আরো দেখুন
62
Verses
THE WEAK CAN be terrible
because they try furiously to appear strong.
আরো দেখুন
প্রতিবেশিনী
Stories
আমার প্রতিবেশিনী বালবিধবা। যেন শরতের শিশিরাশ্রুপ্লুত শেফালির মতো বৃন্তচ্যুত; কোনো বাসরগৃহের ফুলশয্যার জন্য সে নহে, সে কেবল দেবপূজার জন্যই উৎসর্গ-করা।
তাহাকে আমি মনে মনে পূজা করিতাম। তাহার প্রতি আমার মনের ভাবটা যে কী ছিল পূজা ছাড়া তাহা অন্য কোনো সহজ ভাষায় প্রকাশ করিতে ইচ্ছা করি না -- পরের কাছে তো নয়ই, নিজের কাছেও না।
আরো দেখুন
রাজপথের কথা
Stories
আমি রাজপথ। অহল্যা যেমন মুনির শাপে পাষাণ হইয়া পড়িয়া ছিল, আমিও যেন তেমনি কাহার শাপে চিরনিদ্রিত সুদীর্ঘ অজগর সর্পের ন্যায় অরণ্যপর্বতের মধ্য দিয়া, বৃক্ষশ্রেণীর ছায়া দিয়া, সুবিস্তীর্ণ প্রান্তরের বক্ষের উপর দিয়া দেশদেশান্তর বেষ্টন করিয়া বহুদিন ধরিয়া জড়শয়নে শয়ান রহিয়াছি। অসীম ধৈর্যের সহিত ধুলায় লুটাইয়া শাপান্তকালের জন্য প্রতীক্ষা করিয়া আছি। আমি চিরদিন স্থির অবিচল, চিরদিন একই ভাবে শুইয়া আছি, কিন্তু তবুও আমার এক মুহূর্তের জন্যও বিশ্রাম নাই। এতটুকু বিশ্রাম নাই যে, আমার এই কঠিন শুষ্ক শয্যার উপরে একটিমাত্র কচি স্নিগ্ধ শ্যামল ঘাস উঠাইতে পারি; এতটুকু সময় নাই যে, আমার শিয়রের কাছে অতি ক্ষুদ্র একটি নীলবর্ণের বনফুল ফুটাইতে পারি। কথা কহিতে পারি না, অথচ অন্ধভাবে সকলই অনুভব করিতেছি। রাত্রিদিন পদশব্দ; কেবলই পদশব্দ। আমার এই গভীর জড়-নিদ্রার মধ্যে লক্ষ লক্ষ চরণের শব্দ অহর্নিশ দুঃস্বপ্নের ন্যায় আবর্তিত হইতেছে। আমি চরণের স্পর্শে হৃদয় পাঠ করিতে পারি। আমি বুঝিতে পারি, কে গৃহে যাইতেছে, কে বিদেশে যাইতেছে, কে কাজে যাইতেছে, কে বিশ্রামে যাইতেছে, কে উৎসবে যাইতেছে, কে শ্মশানে যাইতেছে। যাহার সুখের সংসার আছে, স্নেহের ছায়া আছে, সে প্রতি পদক্ষেপে সুখের ছবি আঁকিয়া আঁকিয়া চলে; সে প্রতি পদক্ষেপে মাটিতে আশার বীজ রোপিয়া রোপিয়া যায়, মনে হয় যেখানে যেখানে তাহার পা পড়িয়াছে, সেখানে যেন মুহূর্তের মধ্যে এক-একটি করিয়া লতা অঙ্কুরিত পুষ্পিত হইয়া উঠিবে। যাহার গৃহ নাই আশ্রয় নাই, তাহার পদক্ষেপের মধ্যে আশা নাই অর্থ নাই, তাহার পদক্ষেপের দক্ষিণ নাই, বাম নাই, তাহার চরণ যেন বলিতে থাকে, আমি চলিই বা কেন থামিই বা কেন, তাহার পদক্ষেপে আমার শুষ্ক ধূলি যেন আরো শুকাইয়া যায়।
পৃথিবীর কোনো কাহিনী আমি সম্পূর্ণ শুনিতে পাই না। আজ শত শত বৎসর ধরিয়া আমি কত লক্ষ লোকের কত হাসি কত গান কত কথা শুনিয়া আসিতেছি; কিন্তু কেবল খানিকটা মাত্র শুনিতে পাই। বাকিটুকু শুনিবার জন্য যখন আমি কান পাতিয়া থাকি, তখন দেখি সে লোক আর নাই। এমন কত বৎসরের কত ভাঙা কথা ভাঙা গান আমার ধূলির সহিত ধূলি হইয়া গেছে, আমার ধূলির সহিত উড়িয়া বেড়ায়, তাহা কি কেহ জানিতে পায়। ঐ শুন, একজন গাহিল, 'তারে বলি বলি আর বলা হল না।' -- আহা, একটু দাঁড়াও, গানটা শেষ করিয়া যাও, সব কথাটা শুনি। কই আর দাঁড়াইল। গাহিতে গাহিতে কোথায় চলিয়া গেল, শেষটা শোনা গেল না। ঐ একটিমাত্র পদ অর্ধেক রাত্রি ধরিয়া আমার কানে ধ্বনিত হইতে থাকিবে। মনে মনে ভাবিব, ও কে গেল। কোথায় যাইতেছে না জানি। যে কথাটা বলা হইল না, তাহাই কি আবার বলিতে যাইতেছে। এবার যখন পথে আবার দেখা হইবে, সে যখন মুখ তুলিয়া ইহার মুখের দিকে চাহিবে, তখন বলি বলি করিয়া আবার যদি বলা না হয়। তখন নত শির করিয়া মুখ ফিরাইয়া অতি ধীরে ধীরে ফিরিয়া আসিবার সময় আবার যদি গায় 'তারে বলি বলি আর বলা হল না'।
আরো দেখুন
সময়হারা
Verses
                          খবর এল, সময় আমার গেছে,
                     আমার-গড়া পুতুল যারা বেচে
               বর্তমানে এমনতরো পসারী নেই;
         সাবেক কালের দালানঘরের পিছন কোণেই
                                  ক্রমে ক্রমে
                          উঠছে জমে জমে
                     আমার হাতের খেলনাগুলো,
                                        টানছে ধুলো।
                                  হাল আমলের ছাড়পত্রহীন
         অকিঞ্চনটা লুকিয়ে কাটায় জোড়াতাড়ার দিন।
               ভাঙা দেয়াল ঢেকে একটা ছেঁড়া পর্দা টাঙাই;
         ইচ্ছে করে, পৌষমাসের হাওয়ার তোড়টা ভাঙাই;
               ঘুমোই যখন ফড়্‌ফড়িয়ে বেড়ায় সেটা উড়ে,
                                নিতান্ত ভুতুড়ে।
               আধপেটা খাই শালুক-পোড়া; একলা কঠিন ভুঁয়ে
                     চেটাই পেতে শুয়ে
                          ঘুম হারিয়ে ক্ষণে ক্ষণে
                     আউড়ে চলি শুধু আপন-মনে--
               "উড়কি ধানের মুড়কি দেব, বিন্নে ধানের খই,
                     সরু ধানের চিঁড়ে দেব, কাগমারে দই।"
         আমার চেয়ে কম-ঘুমন্ত নিশাচরের দল
               খোঁজ নিয়ে যায় ঘরে এসে, হায় সে কী নিষ্ফল।
         কখনো বা হিসেব ভুলে আগে মাতাল চোর,
               শূন্য ঘরের পানে চেয়ে বলে, "সাঙাত মোর,
                     আছে ঘরে ভদ্র ভাষায় বলে যাকে দাওয়াই?"
         নেই কিছু তো, দু-এক ছিলিম তামাক সেজে খাওয়াই।
                     একটু যখন আসে ঘুমের ঘোর
         সুড়সুড়ি দেয় আরসুলারা পায়ের তলায় মোর।
                     দুপুরবেলায় বেকার থাকি অন্যমনা;
         গিরগিটি আর কাঠবিড়ালির আনাগোনা
                     সেই দালানের বাহির ঝোপে;
                          থামের মাথায় খোপে খোপে
               পায়রাগুলোর সারাটা দিন বকম্‌-বকম্‌।
         আঙিনাটার ভাঙা পাঁচিল, ফাটলে তার রকম-রকম
                                লতাগুল্ম পড়ছে ঝুলে,
                          হলদে সাদা বেগনি ফুলে
                                আকাশ-পানে দিচ্ছে উঁকি।
                          ছাতিমগাছের মরা শাখা পড়ছে ঝুঁকি
                                শঙ্খমণির খালে,
               মাছরাঙারা দুপুরবেলায় তন্দ্রানিঝুম কালে
         তাকিয়ে থাকে গভীর জলের রহস্যভেদরত
                                বিজ্ঞানীদের মতো।
                     পানাপুকুর, ভাঙনধরা ঘাট,
               অফলা এক চালতাগাছের চলে ছায়ার নাট।
               চক্ষু বুজে ছবি দেখি--কাৎলা ভেসেছে,
         বড়ো সাহেবের বিবিগুলি নাইতে এসেছে।
                     ঝাউগুঁড়িটার 'পরে
               কাঠঠোকরা ঠক্‌ঠকিয়ে কেবল প্রশ্ন করে।
         আগে কানে পৌঁছত না ঝিঁঝিঁপোকার ডাক,
               এখন যখন পোড়ো বাড়ি দাঁড়িয়ে হতবাক্‌
                     ঝিল্লিরবের তানপুরা-তান স্তব্ধতা-সংগীতে
                          লেগেই আছে একঘেয়ে সুর দিতে।
         আঁধার হতে না হতে সব শেয়াল ওঠে ডেকে
               কল্‌মিদিঘির ডাঙা পাড়ির থেকে।
         পেঁচার ডাকে বাঁশের বাগান হঠাৎ ভয়ে জাগে,
                     তন্দ্রা ভেঙে বুকে চমক লাগে।
         বাদুড়-ঝোলা তেঁতুলগাছে মনে যে হয় সত্যি,
                     দাড়িওয়ালা আছে ব্রহ্মদত্যি।
         রাতের বেলায় ডোমপাড়াতে কিসের কাজে
                     তাক্‌ধুমাধুম বাদ্যি বাজে।
         তখন ভাবি, একলা ব'সে দাওয়ার কোণে
                     মনে-মনে,
         ঝড়েতে কাত জারুলগাছের ডালে ডালে
                     পির্‌ভু নাচে হাওয়ার তালে।
         শহর জুড়ে নামটা ছিল, যেদিন গেল ভাসি
                          হলুম বনগাঁবাসী।
         সময় আমার গেছে ব'লেই সময় থাকে পড়ে,
               পুতুল গড়ার শূন্য বেলা কাটাই খেয়াল গ'ড়ে।
         সজনেগাছে হঠাৎ দেখি কমলাপুলির টিয়ে--
               গোধূলিতে সুয্যিমামার বিয়ে;
         মামি থাকেন, সোনার বরন ঘোমটাতে মুখ ঢাকা,
               আলতা পায়ে আঁকা।
         এইখানেতে ঘুঘুডাঙার খাঁটি খবর মেলে
               কুলতলাতে গেলে।
             সময় আমার গেছে ব'লেই জানার সুযোগ হল
         "কলুদ ফুল' যে কাকে বলে, ওই যে থোলো থোলো
                     আগাছা জঙ্গলে
            সবুজ অন্ধকারে যেন রোদের টুক্‌রো জ্বলে।
               বেড়া আমার সব গিয়েছে টুটে;
         পরের গোরু যেখান থেকে যখন খুশি ছুটে
                     হাতার মধ্যে আসে;
         আর কিছু তো পায় না, খিদে মেটায় শুকনো ঘাসে।
               আগে ছিল সাট্‌ন্‌ বীজে বিলিতি মৌসুমি,
                     এখন মরুভূমি।
         সাত পাড়াতে সাত কুলেতে নেইকো কোথাও কেউ
               মনিব যেটার, সেই কুকুরটা কেবলি ঘেউ-ঘেউ
         লাগায় আমার দ্বারে; আমি বোঝাই তারে কত,
               আমার ঘরে তাড়িয়ে দেবার মতো
                     ঘুম ছাড়া আর মিলবে না তো কিছু--
         শুনে সে লেজ নাড়ে, সঙ্গে বেড়ায় পিছু পিছু।
                     অনাদরের ক্ষতচিহ্ন নিয়ে পিঠের 'পরে
               জানিয়ে দিলে, লক্ষ্ণীছাড়ার জীর্ণ ভিটের 'পরে
         অধিকারের দলিল তাহার দেহেই বর্তমান।
               দুর্ভাগ্যের নতুন হাওয়া-বদল করার স্থান
         এমনতরো মিলবে কোথায়।  সময় গেছে তারই,
               সন্দেহ তার নেইকো একেবারেই।
         সময় আমার গিয়েছে, তাই গাঁয়ের ছাগল চরাই;
               রবিশস্যে ভরা ছিল, শূন্য এখন মরাই।
         খুদকুঁড়ো যা বাকি ছিল ইঁদুরগুলো ঢুকে
               দিল কখন ফুঁকে।
         হাওয়ার ঠেলায় শব্দ করে আগলভাঙা দ্বার,
               সারাদিনে জনামাত্র নেইকো খরিদ্দার।
                     কালের অলস চরণপাতে
         ঘাস উঠেছে ঘরে আসার বাঁকা গলিটাতে।
               ওরই ধারে বটের তলায় নিয়ে চিঁড়ের থালা
         চড়ুইপাখির জন্যে আমার খোলা অতিথশালা।
         সন্ধে নামে পাতাঝরা শিমূলগাছের আগায়,
                     আধ-ঘুমে আধ-জাগায়
               মন চলে যায় চিহ্নবিহীন পস্‌টারিটির পথে
                          স্বপ্নমনোরথে;
         কালপুরুষের সিংহদ্বারের ওপার থেকে
               শুনি কে কয় আমায় ডেকে--
                     "ওরে পুতুলওলা
               তোর যে ঘরে যুগান্তরের দুয়ার আছে খোলা,
         সেথায় আগাম-বায়না-নেওয়া খেলনা যত আছে
               লুকিয়ে ছিল গ্রহণ-লাগা ক্ষণিক কালের পাছে;
                     আজ চেয়ে দেখ্‌, দেখতে পাবি,
                                মোদের দাবি
                          ছাপ-দেওয়া তার ভালে।
               পুরানো সে নতুন আলোয় জাগল নতুন কালে।
         সময় আছে কিংবা গেছে দেখার দৃষ্টি সেই
                                সবার চক্ষে নেই--
                     এই কথাটা মনে রেখে ওরে পুতুলওলা,
               আপন-সৃষ্টি-মাঝখানেতে থাকিস আপন-ভোলা।
         ওই যে বলিস, বিছানা তোর ভুঁয়ে চেটাই পাতা,
                                ছেঁড়া মলিন কাঁথা--
               ওই যে বলিস, জোটে কেবল সিদ্ধ কচুর পথ্যি--
         এটা নেহাত স্বপ্ন কি নয়, এ কি নিছক সত্যি।
               পাস নি খবর, বাহান্ন জন কাহার
                     পাল্‌কি আনে--শব্দ কি পাস তাহার।
         বাঘনাপাড়া পেরিয়ে এল ধেয়ে,
               সখীর সঙ্গে আসছে রাজার মেয়ে।
         খেলা যে তার বন্ধ আছে তোমার খেলনা বিনে,
                          এবার নেবে কিনে।
               কী জানি বা ভাগ্যি তোমার ভালো,
                     বাসরঘরে নতুন প্রদীপ জ্বালো;
               নবযুগের রাজকন্যা আধেক রাজ্যসুদ্ধ
         যদি মেলে, তা নিয়ে কেউ বাধায় যদি যুদ্ধ,
               ব্যাপারখানা উচ্চতলায় ইতিহাসের ধাপে
                     উঠে পড়বে মহাকাব্যের মাপে।
         বয়স নিয়ে পণ্ডিত কেউ তর্ক যদি করে
                     বলবে তাকে, একটা যুগের পরে
               চিরকালের বয়স আসে সকল-পাঁজি-ছাড়া
                                যমকে লাগায় তাড়া।"
         এতক্ষণ যা বকা গেল এটা প্রলাপমাত্র--
                     নবীন বিচারপতি ওগো, আমি ক্ষমার পাত্র;
         পেরিয়ে মেয়াদ বাঁচে তবু যে-সব সময়হারা
                     স্বপ্নে ছাড়া সান্ত্বনা আর কোথায় পাবে তারা।
আরো দেখুন
26
Verses
THE MAN had no useful work, only vagaries of various kinds.
        Therefore it surprised him to find himself in Paradise after a life spent perfecting trifles.
        Now the guide had taken him by mistake to the wrong Paradise-one meant only for good, busy souls.
In this Paradise, our man saunters along the road only to obstruct the rush of business.
        He stands aside from the path and is warned that he tramples on sown seed. Pushed, he starts up: hustled, he moves on.
        A very busy girl comes to fetch water from the well. Her feet run on the pavement like rapid fingers over harp-strings. Hastily she des a negligent knot with her hair, and loose locks on her forehead pry into the dark of her eyes.
        The man says to her, 'Would you lend me your pitcher?'
        'My pitcher?' she asks, 'to draw water?'
        'No, to paint patterns on.'
        I have no time to waste,' the girl retorts in contempt.
Now a busy soul has no chance against one who is supremely idle.
        Every day she meets him at the well, and every day he repeats the same request, till at last she yields.
        Our man paints the pitcher with curious colours in a mysterious maze of lines.
The girl takes it up, turns it round and asks, 'What does it mean?'
        'It has no meaning,' he answers.
        The girl carries the pitcher home. She holds it up in different lights and tries to con its mystery.
        At night she leaves her bed, lights a lamp, and gazes at it from all points of view.
        This is the first time she has met with something without meaning.
On the next day the man is again near the well.
        The girl asks, 'What do you want?'
        'To do more work for you.'
        'What work?' she enquires.
        'Allow me to weave coloured strands into a ribbon to bindyour hair.'
        'Is there any need?' she asks.
        'None whatever,' he allows,
        The ribbon is made, and thenceforward she spends a great deal of time over her hair.
        The even stretch of well-employed time in that Paradise begins to show irregular rents.
        The elders are troubled; they meet in council.
        The guide confesses his blunder, saying that he has brought the wrong man to the wrong place.
        The wrong man is called. His turban, flaming with colour, shows plainly how great that blunder has been.
        The chief of the elders says, 'You must go back to the earth.'
        The man heaves a sigh of relief: I am ready.'
        The girl with the ribbon round her hair chimes in: I also!'
        For the first time the chief of the elders is faced with a situation which has no sense in it.
আরো দেখুন
সিদ্ধি
Stories
স্বর্গের অধিকারে মানুষ বাধা পাবে না, এই তার পণ। তাই, কঠিন সন্ধানে অমর হবার মন্ত্র সে শিখে নিয়েছে। এখন একলা বনের মধ্যে সেই মন্ত্র সে সাধনা করে।
বনের ধারে ছিল এক কাঠকুড়নি মেয়ে। সে মাঝে মাঝে আঁচলে ক'রে তার জন্যে ফল নিয়ে আসে, আর পাতার পাত্রে আনে ঝরনার জল।
আরো দেখুন