The Victory
Stories
SHE WAS THE Princess Ajita. And the court poet of King Narayan had never seen her. On the day he recited a new poem to the king he would raise his voice just to that pitch which could be heard by unseen hearers in the screened balcony high above the hall. He sent up his song towards the star-land out of his reach, where, circled with light, the planet who ruled his destiny shone unknown and out of ken.
He would espy some shadow moving behind the veil. A tinkling sound would come to his ear from afar, and would set him dreaming of the ankles whose tiny golden bells sang at each step. Ah, the rosy red tender feet that walked the dust of the earth like God's mercy on the fallen! The poet had placed them on the altar of his heart, where he wove his songs to the tune of those golden bells. Doubt never arose in his mind as to whose shadow it was that moved behind the screen, and whose anklets they were that sang to the time of his beating heart.
আরো দেখুন
100
Verses
THE SANTAL woman hurries up and down the gravelled path under the
shimool tree; a coarse grey sari closely twines her slender limbs, dark and compact; its red border sweeping across the air with the flaming red magic of the palash flower.
Some absent-minded divine designer, while fashioning a black bird
with the stuff of the July cloud and the lightning flash, must have improvised unawares this woman's form; her impulsive wings hidden within, her nimble steps uniting in them a woman's walk and a bird's flight.
With a few lacquer bangles on her exquisitely modelled arms and a
basket full of loose earth on her head, she flits across the gravel-red path under the shimool tree.
The lingering winter has finished its errand. The casual breath
of the south is beginning to tease the austerity of the cold month. On the himjhuri branches the leaves are taking the golden tint of a rich decay.
The ripe fruits are strewn over the amlaki grove where the rowdy boys crowd to pillage them. Swarms of dead leaves and dust are capering in a ghastly whirl following sudden caprices of the wind.
The building of my mud house has commenced and labourers are busy
raising the walls. The distant whistle announces the passing of the train along the railway cutting, and the dingdong of the bell is heard from the neighbouring school.
I sit on my terrace watching the young woman foiling at her task
hour after hour. My heart is touched with shame when I feel that the woman's service sacredly ordained for her loved ones, its dignity soiled by the market price, should have been robbed by me with the help of a few pieces of copper.
আরো দেখুন
দর্পহরণ
Stories
কী করিয়া গল্প লিখিতে হয়, তাহা সম্প্রতি শিখিয়াছি। বঙ্কিমবাবু এবং সার্‌ ওয়াল্‌টার স্কট পড়িয়া আমার বিশেষ ফল হয় নাই। ফল কোথা হইতে কেমন করিয়া হইল, আমার এই প্রথম গল্পেই সেই কথাটা লিখিতে বসিলাম।
আমার পিতার মতামত অনেকরকম ছিল; কিন্তু বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কোনো মত তিনি কেতাব বা স্বাধীনবুদ্ধি হইতে গড়িয়া তোলেন নাই। আমার বিবাহ যখন হয় তখন সতেরো উত্তীর্ণ হইয়া আঠারোয় পা দিয়াছি; তখন আমি কলেজে থার্ডইয়ারে পড়ি-- এবং তখন আমার চিত্তক্ষেত্রে যৌবনের প্রথম দক্ষিণবাতাস বহিতে আরম্ভ করিয়া কত অলক্ষ্য দিক হইতে কত অনির্বচনীয় গীতে এবং গন্ধে, কম্পনে এবং মর্মরে আমার তরুণ জীবনকে উৎসুক করিয়া তুলিতেছিল, তাহা এখনো মনে হইলে বুকের ভিতরে দীর্ঘনিশ্বাস ভরিয়া উঠে।
আরো দেখুন
37
Verses
ঊর্মি, তুমি চঞ্চলা
      নৃত্য দোলায় দাও দোলা,
বাতাস আসে কী উচ্ছ্বাসে--
      তরণী হয় পথ-ভোলা।
আরো দেখুন
মোর মরণে
Songs
মোর    মরণে তোমার হবে জয়।
মোর    জীবনে তোমার পরিচয় ॥
মোর    দুঃখ যে রাঙা শতদল
আজ    ঘিরিল তোমার পদতল,
মোর    আনন্দ সে যে মণিহার   মুকুটে তোমার বাঁধা রয় ॥
মোর    ত্যাগে যে তোমার হবে জয়।
মোর    প্রেমে যে তোমার পরিচয়।
মোর    ধৈর্য তোমার রাজপথ
সে যে   লঙ্ঘিবে বনপর্বত,
মোর    বীর্য তোমার জয়রথ   তোমারি পতাকা শিরে বয় ॥      
আরো দেখুন
5
Verses
মুক্তবাতায়নপ্রান্তে জনশূন্য ঘরে
বসে থাকি নিস্তব্ধ প্রহরে,
বাহিরে শ্যামল ছন্দে উঠে গান
ধরণীর প্রাণের আহ্বান;
অমৃতের উৎসস্রোতে
চিত্ত ভেসে চলে যায় দিগন্তের নীলিম আলোতে।
কার পানে পাঠাইবে স্তুতি
ব্যগ্র এই মনের আকূতি,
অমূল্যেরে মূল্য দিতে ফিরে সে খুঁজিয়া বাণীরূপ,
করে থাকে চুপ,
বলে,আমি আনন্দিত-- ছন্দ যায় থামি--
বলে, ধন্য আমি।
আরো দেখুন
ইচ্ছাপূরণ
Stories
সুবলচন্দ্রের ছেলেটির নাম সুশীলচন্দ্র। কিন্তু সকল সময়ে নামের মতো মানুষটি হয় না। সেইজন্যই সুবলচন্দ্র কিছু দুর্বল ছিলেন এবং সুশীলচন্দ্র বড়ো শান্ত ছিলেন না।
ছেলেটি পাড়াসুদ্ধ লোককে অস্থির করিয়া বেড়াইত, সেইজন্য বাপ মাঝে মাঝে শাসন করিতে ছুটিতেন; কিন্তু বাপের পায়ে ছিল বাত, আর ছেলেটি হরিণের মতো দৌড়িতে পারিত; কাজেই কিল চড়-চাপড় সকল সময় ঠিক জায়গায় গিয়া পড়িত না। কিন্তু সুশীলচন্দ্র দৈবাৎ যেদিন ধরা পড়িতেন সেদিন তাঁহার আর রক্ষা থাকিত না।
আরো দেখুন
ঘাটের কথা
Stories
পাষাণে ঘটনা যদি অঙ্কিত হইত তবে কতদিনকার কত কথা আমার সোপানে সোপানে পাঠ করিতে পারিতে। পুরাতন কথা যদি শুনিতে চাও, তবে আমার এই ধাপে বইস; মনোযোগ দিয়া জলকল্লোলে কান পাতিয়া থাকো, বহুদিনকার কত বিস্মৃত কথা শুনিতে পাইবে।
আমার আর-একদিনের কথা মনে পড়িতেছে। সেও ঠিক এইরূপ দিন। আশ্বিন মাস পড়িতে আর দুই-চারি দিন বাকি আছে। ভোরের বেলায় অতি ঈষৎ মধুর নবীন শীতের বাতাস নিদ্রোত্থিতের দেহে নূতন প্রাণ আনিয়া দিতেছে। তরু-পল্লব অমনি একটু একটু শিহরিয়া উঠিতেছে।
আরো দেখুন
মেঘ ও রৌদ্র
Stories
পূর্বদিনে বৃষ্টি হইয়া গিয়াছে। আজ ক্ষান্তবর্ষণ প্রাতঃকালে ম্লান রৌদ্র ও খণ্ড মেঘে মিলিয়া পরিপক্কপ্রায় আউশ ধানের ক্ষেত্রের উপর পর্যায়ক্রমে আপন আপন সুদীর্ঘ তুলি বুলাইয়া যাইতেছিল; সুবিস্তৃত শ্যাম চিত্রপট একবার আলোকের স্পর্শে উজ্জ্বল পাণ্ডুবর্ণ ধারণ করিতেছিল আবার পরক্ষণেই ছায়াপ্রলেপে গাঢ় স্নিগ্ধতায় অঙ্কিত হইতেছিল।
যখন সমস্ত আকাশরঙ্গভূমিতে মেঘ এবং রৌদ্র, দুইটি মাত্র অভিনেতা, আপন আপন অংশ অভিনয় করিতেছিল তখন নিম্নে সংসাররঙ্গভূমিতে কত স্থানে কত অভিনয় চলিতেছিল তাহার আর সংখ্যা নাই।
আরো দেখুন
নতুন পুতুল
Stories
এই গুণী কেবল পুতুল তৈরি করত; সে পুতুল রাজবাড়ির মেয়েদের খেলার জন্যে।
বছরে বছরে রাজবাড়ির আঙিনায় পুতুলের মেলা বসে। সেই মেলায় সকল কারিগরই এই গুণীকে প্রধান মান দিয়ে এসেছে।
আরো দেখুন
পুষ্প
Verses
পুষ্প ছিল বৃক্ষশাখে, হে নারী, তোমার অপেক্ষায়
                    পল্লবচ্ছায়ায়।
          তোমার নিশ্বাস তারে লেগে
          অন্তরে সে উঠিয়াছে জেগে,
                    মুখে তব কী দেখিতে পায়।
সে কহিছে-- "বহু পূর্বে তুমি আমি কবে একসাথে
                    আদিম প্রভাতে
          প্রথম আলোকে জেগে উঠি
          এক ছন্দে বাঁধা রাখী দুটি
                    দুজনে পরিনু হাতে হাতে।
"আধো আলো-অন্ধকারে উড়ে এনু মোরা পাশে পাশে
                    প্রাণের বাতাসে।
          একদিন কবে কোন্‌ মোহে
          দুই পথে চলে গেনু দোঁহে
                    আমাদের মাটির আবাসে।
"বারে বারে বনে বনে জন্ম লই নব নব বেশে
                    নব নব দেশে।
          যুগে যুগে রূপে রূপান্তরে
          ফিরিনু সে কী সন্ধান-তরে
                    সৃজনের নিগূঢ় উদ্দেশে।
"অবশেষে দেখিলাম কত জন্ম-পরে নাহি জানি
                       ওই মুখখানি।
            বুঝিলাম আমি আজও আছি
            প্রথমের সেই কাছাকাছি,
                       তুমি পেলে চরমের বাণী।
"তোমার আমার দেহে আদিছন্দ আছে অনাবিল
                       আমাদের মিল।
            তোমার আমার মর্মতলে
            একটি সে মূল সুর চলে,
                       প্রবাহ তাহার অন্তঃশীল।
"কী যে বলে সেই সুর, কোন্‌ দিকে তাহার প্রত্যাশা,
                       জানি নাই ভাষা।
            আজ, সখী, বুঝিলাম আমি
            সুন্দর আমাতে আছে থামি--
                       তোমাতে সে হল ভালোবাসা।'
আরো দেখুন