দুই প্রাণ মিলাইয়া যে সংসার করিছ রচন তাহাতে সঞ্চিত হোক নিখিলের আশীর্বচন। ধ্রুবতারকার মতো তোমাদের প্রেমের মহিমা বিশ্বের সম্পদ হোক ছাড়ায়ে গৃহের ক্ষুদ্র সীমা।
যতবার আলো জ্বালাতে চাই নিবে যায় বারে বারে। আমার জীবনে তোমার আসন গভীর অন্ধকারে। যে লতাটি আছে শুকায়েছে মূল কুঁড়ি ধরে শুধু, নাহি ফোটে ফুল, আমার জীবনে তব সেবা তাই বেদনার উপহারে। পূজাগৌরব পুণ্যবিভব কিছু নাহি, নাহি লেশ, এ তব পূজারি পরিয়া এসেছে লজ্জার দীন বেশ। উৎসবে তার আসে নাই কেহ, বাজে নাই বাঁশি, সাজে নাই গেহ-- কাঁদিয়া তোমায় এনেছে ডাকিয়া ভাঙা মন্দির-দ্বারে।