আমারে দিই তোমার হাতে নূতন করে নূতন প্রাতে। দিনে দিনেই ফুল যে ফোটে, তেমনি করেই ফুটে ওঠে জীবন তোমার আঙিনাতে নূতন করে নূতন প্রাতে। বিচ্ছেদেরি ছন্দে লয়ে মিলন ওঠে নবীন হয়ে। আলো-অন্ধকারের তীরে হারায়ে পাই ফিরে ফিরে, দেখা আমার তোমার সাথে নূতন করে নূতন প্রাতে।
কাল প্রাতে মোর জন্মদিনে এ শৈল-আতিথ্যবাসে বুদ্ধের নেপালী ভক্ত এসেছিল মোর বার্তা শুনে। ভূতলে আসন পাতি বুদ্ধের বন্দনামন্ত্র শুনাইল আমার কল্যাণে-- গ্রহণ করিনু সেই বাণী। এ ধারায় জন্ম নিয়ে যে মহামানব সব মানবের জন্ম সার্থক করেছে একদিন, মানুষের জন্মক্ষণ হতে নারায়ণী এ ধরণী যাঁর আবির্ভাব লাগি অপেক্ষা করেছে বহু যুগ, যাঁহাতে প্রত্যক্ষ হল ধরায় সৃষ্টির অভিপ্রায়, শুভক্ষণে পুণ্যমন্ত্রে তাঁহারে স্মরণ করি জানিলাম মনে-- প্রবেশি মানবলোকে আশি বর্ষ আগে এই মহাপুরুষের পুণ্যভাগী হয়েছি আমিও।