I CAME OUT alone on my way to my tryst. But who is this that follows me in the silent dark? I move aside to avoid his presence but I escape him not. He makes the dust rise from the earth with his swagger; he adds his loud voice to every word that I utter. He is my own little self, my lord, he knows no shame; but I am ashamed to come to thy door in his company.
বাণীর মুরতি গড়ি একমনে নির্জন প্রাঙ্গণে পিণ্ড পিণ্ড মাটি তার যায় ছড়াছড়ি, অসমাপ্ত মূক শূন্যে চেয়ে থাকে নিরুৎসুক। গর্বিত মূর্তির পদানত মাথা ক'রে থাকে নিচু, কেন আছে উত্তর না দিতে পারে কিছু। বহুগুণে শোচনীয় হায় তার চেয়ে এক কালে যাহা রূপ পেয়ে কালে কালে অর্থহীনতায় ক্রমশ মিলায়। নিমন্ত্রণ ছিল কোথা, শুধাইলে তারে উত্তর কিছু না দিতে পারে-- কোন্ স্বপ্ন বাঁধিবারে বহিয়া ধূলির ঋণ দেখা দিল মানবের দ্বারে। বিস্মৃত স্বর্গের কোন্ উর্বশীর ছবি ধরণীর চিত্তপটে বাঁধিতে চাহিয়াছিল কবি, তোমারে বাহনরূপে ডেকেছিল, চিত্রশালে যত্নে রেখেছিল, কখন সে অন্যমনে গেছে ভুলি-- আদিম আত্মীয় তব ধূলি, অসীম বৈরাগ্যে তার দিক্বিহীন পথে তুলি নিল বাণীহীন রথে। এই ভালো, বিশ্বব্যাপী ধূসর সম্মানে আজ পঙ্গু আবর্জনা নিয়ত গঞ্জনা কালের চরণক্ষেপে পদে পদে বাধা দিতে জানে, পদাঘাতে পদাঘাতে জীর্ণ অপমানে শান্তি পায় শেষে আবার ধূলিতে যবে মেশে।
পাছে দেখি তুমি আস নি, তাই আধেক আঁখি মুদিয়ে চাই, ভয়ে চাই নে ফিরে। আমি দেখি যেন আপন-মনে পথের শেষে দূরের বনে আসছ তুমি ধীরে। যেন চিনতে পারি সেই অশান্ত তোমার উত্তরীয়ের প্রান্ত ওড়ে হাওয়ার 'পরে। আমি একলা বসে মনে গণি শুনছি তোমার পদধ্বনি মর্মরে মর্মরে। ভোরে নয়ন মেলে অরুণরাগে যখন আমার প্রাণে জাগে অকারণের হাসি, যখন নবীন তৃণে লতায় গাছে কোন্ জোয়ারের স্রোতে নাচে সবুজ সুধারাশি-- যখন নব মেঘের সজল ছায়া যেন রে কার মিলন-মায়া ঘনায় বিশ্ব জুড়ে, যখন পুলকে নীল শৈল ঘেরি বেজে ওঠে কাহার ভেরী, ধ্বজা কাহার উড়ে-- তখন মিথ্যা সত্য কেই-বা জানে, সন্দেহ আর কেই-বা মানে, ভুল যদি হয় হোক! ওগো, জানি না কি আমার হিয়া কে ভুলালো পরশ দিয়া, কে জুড়ালো চোখ। সে কি তখন আমি ছিলেম একা, কেউ কি মোরে দেয় নি দেখা। কেউ আসে নাই পিছে? তখন আড়াল হতে সহাস আঁখি আমার মুখে চায় নি নাকি। এ কি এমন মিছে।