আমি শ্রাবণ-আকাশে ওই দিয়েছি পাতি মম জল-ছলো-ছলো আঁখি মেঘে মেঘে। বিরহদিগন্ত পারায়ে সারা রাতি অনিমেষে আছে জেগে॥ যে গিয়েছে দেখার বাহিরে আছে তারি উদ্দেশে চাহি রে, স্বপ্নে উড়িছে তারি কেশরাশি পুরবপবনবেগে॥ শ্যামল তমালবনে যে পথে সে চলে গিয়েছিল বিদায়গোধূলি-খনে বেদনা জড়ায়ে আছে তারি ঘাসে, কাঁপে নিশ্বাসে-- সেই বারে বারে ফিরে ফিরে চাওয়া ছায়ায় রয়েছে লেগে॥
না সজনী,না,আমি জানি জানি, সে আসিবে না। এমনি কাঁদিয়ে পোহাইবে যামিনী,বাসনা তবু পূরিবে না। জনমেও এ পোড়া ভালে কোনো আশা মিটিল না।। যদি বা সে আসে,সখী,কী হবে আমার তায়। সে তো মোরে, সজনী লো,ভালো কভু বাসে না— জানি লো। ভালো ক’রে কবে না কথা,চেয়েও না দেখিবে— বড়ো আশা করে শেষে পূরিবে না কামনা।।