রানী, তোর ঠোঁট দুটি মিঠি রানী, তোর মধুখানা দিঠি রানী, তুই মণি তুই ধন, তোর কথা ভাবি সারাক্ষণ। দীর্ঘ সন্ধ্যা কাটে কী করিয়া? সাধ যায় তোর কাছে গিয়া চুপিচাপি বসি এক ভিতে ছোটোছোটো সেই ঘরটিতে। ছোটো হাতখানি হাতে করে অধরেতে রেখে দিই ধরে। ভিজাই ফেলিয়া আঁখিজল ছোট সে কোমল করতল।
আমায় বাঁধবে যদি কাজের ডোরে কেন পাগল কর এমন ক'রে? বাতাস আনে কেন জানি কোন্ গগনের গোপন বাণী, পরানখানি দেয় যে ভ'রে। পাগল করে এমন ক'রে। সোনার আলো কেমনে হে, রক্তে নাচে সকল দেহে। কারে পাঠাও ক্ষণে ক্ষণে আমার খোলা বাতায়নে, সকল হৃদয় লয় যে হ'রে। পাগল করে এমন ক'রে।