শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে পড়ুক ঝরে তোমারি সুরটি আমার মুখের 'পরে বুকের 'পরে। পুরবের আলোর সাথে পড়ুক প্রাতে দুই নয়ানে- নিশীথের অন্ধকারে গভীর ধারে পড়ুক প্রাণে, নিশিদিন এই জীবনের সুখের 'পরে দুঃখের 'পরে শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে পড়ুক ঝরে। যে শাখায় ফুল ফোটে না ফল ধরে না একেবারে তোমার ওই বাদল-বায়ে দিক জাগায়ে সেই শাখারে। যা-কিছু জীর্ণ আমার দীর্ণ আমার জীবনহারা তাহারি স্তরে স্তরে পড়ুক ঝরে সুরের ধারা। নিশিদিন এই জীবনের তৃষার 'পরে ভুখের 'পরে শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে পড়ুক ঝরে।
প্রাইমারি ইস্কুলে প্রায়-মারা পণ্ডিত সব কাজ ফেলে রেখে ছেলে করে দণ্ডিত। নাকে খত দিয়ে দিয়ে ক্ষয়ে গেল যত নাক, কথা-শোনবার পথ টেনে টেনে করে ফাঁক; ক্লাসে যত কান ছিল সব হল খণ্ডিত, বেঞ্চিটেঞ্চিগুলো লণ্ডিত ভণ্ডিত।